ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভূমিকম্প ঝুঁকি মোকাবিলায় ডিএসসিসির বিশেষ সভা, কমিটি গঠন নতুন ভিসানীতি করছে সরকার, খসড়া মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন দামেস্কের ক্যাফেতে বোমা বিস্ফোরণ, হতাহত ২১ প্রশাসনে প্রটোকলের নামে জুনিয়রদের ওপর নির্যাতন, দুর্নীতির বীজ বপন হচ্ছে:মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী প্রতিবন্ধীদের জন্য ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালুর পরিকল্পনা সরকারের জুলাই নিয়ে শাওনের কটূক্তি শেখ হাসিনার অপরাধের শামিল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য টেকসই পেশাগত উন্নয়ন ব্যবস্থা গড়ে তুলছে ইউজিসি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে চায় সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল গ্রহণযোগ্য নয়: এরশাদ উল্লাহ এমপি

সম্পর্ক ভেঙে গেলে উৎসব করে উদযাপন করা উচিত: জেনিফার লোপেজ

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

প্রেম বা দাম্পত্যের সম্পর্কের ইতি ঘটা মানেই জীবনের বড় কোনো বিপর্যয় বা ব্যর্থতা নয়, বরং একে নতুনভাবে নিজেকে আবিষ্কারের একটি বড় মাধ্যম হিসেবে দেখছেন পপতারকা ও হলিউড অভিনেত্রী জেনিফার লোপেজ। নিজের জীবনের একাধিক ভাঙা-গড়ার অভিজ্ঞতা থেকে এই তারকা এক চমকপ্রদ মন্তব্য করে বসেছেন। তার মতে, সম্পর্ক ভেঙে গেলে ভেঙে না পড়ে উল্টো পার্টি বা উৎসব করে তা উদযাপন করা উচিত।

সম্প্রতি জনপ্রিয় অনলাইন শো ‘সাবওয়ে টেকস’-এর একটি পর্বে অংশ নিয়ে নিজের এই ব্যতিক্রমী দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন ‘হাসলার্স’ খ্যাত এই তারকা। জেনিফার লোপেজ জানান, বিচ্ছেদ আসলে মানুষের জীবনের পরবর্তী সেরা সংস্করণে পৌঁছানোর একটি শক্তিশালী সিঁড়ি বা লঞ্চপ্যাড। কেউ সম্পর্কের ইতি টানলে তাকে সান্ত্বনা না দিয়ে উল্টো অভিনন্দন জানানো উচিত বলে মনে করেন তিনি। তার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়া মানে প্রথমত, মানুষটি একটি বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাহস দেখিয়েছে; আর দ্বিতীয়ত, এটি সম্ভবত সংশ্লিষ্ট সবার জন্যই সবচেয়ে মঙ্গলজনক একটি পদক্ষেপ।

বেন অ্যাফ্লেক, মার্ক অ্যান্থনি কিংবা অ্যালেক্স রদ্রিগেজের মতো তারকাদের সঙ্গে হাই-প্রোফাইল সম্পর্কে জড়ানো এবং বিচ্ছেদের কারণে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমের শিরোনামে এসেছেন ৫৬ বছর বয়সী এই গায়িকা। নিজের জীবনের সেইসব অভিজ্ঞতা থেকে তিনি জানান, মানসিকভাবে সবচেয়ে বড় ইতিবাচক পরিবর্তন ও পরিপক্বতা সাধারণত মন ভাঙার পরই আসে। তা কেবল প্রেমের সম্পর্কের ক্ষেত্রেই নয়, কর্মক্ষেত্রের ব্যর্থতা বা যেকোনো ধাক্কার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। কারণ ধাক্কা খেলেই মানুষ পেছনের কারণগুলো নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করতে শুরু করে, নিজের ভুলগুলো খোঁজে এবং নিজেকে পুরোপুরি বদলে ফেলার অনুপ্রেরণা পায়।

ভবিষ্যৎ সঙ্গীর ক্ষেত্রে বাহ্যিক রূপের চেয়ে ভেতরের মানুষটিকে বেশি প্রাধান্য দেন বলে জানান এই তারকা। তবে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর প্রাক্তনদের সঙ্গে ঠিক কতটুকু দূরত্ব বজায় রাখতে হয়, তা-ও বেশ ভালোভাবেই জানা আছে লোপেজের। বিচ্ছেদের পর নিজেকে সামলে নিয়ে স্বাভাবিকভাবে কাজ করে যাওয়ার এক অনন্য নজির গড়েছেন তিনি, যার প্রমাণ মিলেছে বিচ্ছেদের মাত্র কয়েক মাস পরই সাবেক স্বামী বেন অ্যাফ্লেকের সঙ্গে হাসিমুখে রেড কার্পেটে দাঁড়িয়ে সিনেমার প্রচারণা করার মাধ্যমে। অবশ্য সম্পর্কের ইতি টানার ব্যাপারে নিজের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে লোপেজ স্পষ্ট করে বলেছেন, কোনো সম্পর্কের অধ্যায় একবার পুরোপুরি শেষ হয়ে গেলে, সেই মানুষটি তার কাছে চিরতরে মৃত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ভূমিকম্প ঝুঁকি মোকাবিলায় ডিএসসিসির বিশেষ সভা, কমিটি গঠন

সম্পর্ক ভেঙে গেলে উৎসব করে উদযাপন করা উচিত: জেনিফার লোপেজ

আপডেট সময় ০২:২০:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

প্রেম বা দাম্পত্যের সম্পর্কের ইতি ঘটা মানেই জীবনের বড় কোনো বিপর্যয় বা ব্যর্থতা নয়, বরং একে নতুনভাবে নিজেকে আবিষ্কারের একটি বড় মাধ্যম হিসেবে দেখছেন পপতারকা ও হলিউড অভিনেত্রী জেনিফার লোপেজ। নিজের জীবনের একাধিক ভাঙা-গড়ার অভিজ্ঞতা থেকে এই তারকা এক চমকপ্রদ মন্তব্য করে বসেছেন। তার মতে, সম্পর্ক ভেঙে গেলে ভেঙে না পড়ে উল্টো পার্টি বা উৎসব করে তা উদযাপন করা উচিত।

সম্প্রতি জনপ্রিয় অনলাইন শো ‘সাবওয়ে টেকস’-এর একটি পর্বে অংশ নিয়ে নিজের এই ব্যতিক্রমী দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন ‘হাসলার্স’ খ্যাত এই তারকা। জেনিফার লোপেজ জানান, বিচ্ছেদ আসলে মানুষের জীবনের পরবর্তী সেরা সংস্করণে পৌঁছানোর একটি শক্তিশালী সিঁড়ি বা লঞ্চপ্যাড। কেউ সম্পর্কের ইতি টানলে তাকে সান্ত্বনা না দিয়ে উল্টো অভিনন্দন জানানো উচিত বলে মনে করেন তিনি। তার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়া মানে প্রথমত, মানুষটি একটি বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাহস দেখিয়েছে; আর দ্বিতীয়ত, এটি সম্ভবত সংশ্লিষ্ট সবার জন্যই সবচেয়ে মঙ্গলজনক একটি পদক্ষেপ।

বেন অ্যাফ্লেক, মার্ক অ্যান্থনি কিংবা অ্যালেক্স রদ্রিগেজের মতো তারকাদের সঙ্গে হাই-প্রোফাইল সম্পর্কে জড়ানো এবং বিচ্ছেদের কারণে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমের শিরোনামে এসেছেন ৫৬ বছর বয়সী এই গায়িকা। নিজের জীবনের সেইসব অভিজ্ঞতা থেকে তিনি জানান, মানসিকভাবে সবচেয়ে বড় ইতিবাচক পরিবর্তন ও পরিপক্বতা সাধারণত মন ভাঙার পরই আসে। তা কেবল প্রেমের সম্পর্কের ক্ষেত্রেই নয়, কর্মক্ষেত্রের ব্যর্থতা বা যেকোনো ধাক্কার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। কারণ ধাক্কা খেলেই মানুষ পেছনের কারণগুলো নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করতে শুরু করে, নিজের ভুলগুলো খোঁজে এবং নিজেকে পুরোপুরি বদলে ফেলার অনুপ্রেরণা পায়।

ভবিষ্যৎ সঙ্গীর ক্ষেত্রে বাহ্যিক রূপের চেয়ে ভেতরের মানুষটিকে বেশি প্রাধান্য দেন বলে জানান এই তারকা। তবে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর প্রাক্তনদের সঙ্গে ঠিক কতটুকু দূরত্ব বজায় রাখতে হয়, তা-ও বেশ ভালোভাবেই জানা আছে লোপেজের। বিচ্ছেদের পর নিজেকে সামলে নিয়ে স্বাভাবিকভাবে কাজ করে যাওয়ার এক অনন্য নজির গড়েছেন তিনি, যার প্রমাণ মিলেছে বিচ্ছেদের মাত্র কয়েক মাস পরই সাবেক স্বামী বেন অ্যাফ্লেকের সঙ্গে হাসিমুখে রেড কার্পেটে দাঁড়িয়ে সিনেমার প্রচারণা করার মাধ্যমে। অবশ্য সম্পর্কের ইতি টানার ব্যাপারে নিজের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে লোপেজ স্পষ্ট করে বলেছেন, কোনো সম্পর্কের অধ্যায় একবার পুরোপুরি শেষ হয়ে গেলে, সেই মানুষটি তার কাছে চিরতরে মৃত।