ঢাকা ০৭:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল দলিল পেশ করলো তুরস্ক সাইবার আইনে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে ফাঁসের ঘটনায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক আটক: যুব উন্নয়নের ৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী

মালয়েশিয়ায় ১১৮ বাংলাদেশি আটক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের পুডু মার্কেট এলাকার আশপাশে বিদেশি নাগরিকদের আবাসস্থল লক্ষ্য করে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ১৮৬ অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)।

শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে পরিচালিত ‘অপস কুতিপ’ নামের এ অভিযানে বেশ কয়েকজন বিদেশি নাগরিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে এবং বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে থাকার চেষ্টা করে। তবে কর্তৃপক্ষের তৎপরতায় তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং পরে সবাইকে আটক করা হয়।

ইমিগ্রেশন বিভাগের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, রাত ১২টা ৫ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে কুয়ালালামপুর ফেডারেল টেরিটরি ইমিগ্রেশন বিভাগ, পুত্রজায়া ও সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন বিভাগ, রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ (পিডিআরএম), কুয়ালালামপুর সিটি হল (ডিবিকেএল) এবং জাতীয় নিবন্ধন বিভাগের (জেপিএন) মোট ১৩৭ কর্মকর্তা ও সদস্য অংশ নেন।

অভিযান চলাকালে ৩২০ বিদেশি নাগরিকের কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এর মধ্যে ১৮৬ জনকে বিভিন্ন ধরনের অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক করা হয়েছে।

আটকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছেন বাংলাদেশি নাগরিক। মোট ১১৮ বাংলাদেশি পুরুষকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া ২৮ জন ইন্দোনেশিয় (৭ পুরুষ ও ২১ নারী), ২৬ জন মিয়ানমারের নাগরিক (১৩ পুরুষ ও ১৩ নারী), ৫ ভিয়েতনামি (৩ পুরুষ ও ২ নারী), ৪ নেপালি, ২ ভারতীয়, ১ পাকিস্তানি এবং ২ চীনা নাগরিককে (১ পুরুষ ও ১ নারী) আটক করা হয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আটকদের কেউ কেউ ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছিলেন, আবার কেউ কেউ বৈধ ভ্রমণ নথি বা অনুমতিপত্র ছাড়াই দেশটিতে বসবাস করছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর ধারা ১৫(১)(সি) (অতিরিক্ত সময় অবস্থান) এবং ধারা ৬(১)(সি) (বৈধ নথিপত্র ছাড়া অবস্থান)-এর আওতায় তদন্ত চলছে।

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, আটকদের পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

যুক্তরাজ্যে মানব পাচারকারী চক্রের ২১ সদস্যের কারাদণ্ড

মালয়েশিয়ায় ১১৮ বাংলাদেশি আটক

আপডেট সময় ১১:০৫:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের পুডু মার্কেট এলাকার আশপাশে বিদেশি নাগরিকদের আবাসস্থল লক্ষ্য করে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ১৮৬ অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)।

শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে পরিচালিত ‘অপস কুতিপ’ নামের এ অভিযানে বেশ কয়েকজন বিদেশি নাগরিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে এবং বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে থাকার চেষ্টা করে। তবে কর্তৃপক্ষের তৎপরতায় তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং পরে সবাইকে আটক করা হয়।

ইমিগ্রেশন বিভাগের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, রাত ১২টা ৫ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে কুয়ালালামপুর ফেডারেল টেরিটরি ইমিগ্রেশন বিভাগ, পুত্রজায়া ও সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন বিভাগ, রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ (পিডিআরএম), কুয়ালালামপুর সিটি হল (ডিবিকেএল) এবং জাতীয় নিবন্ধন বিভাগের (জেপিএন) মোট ১৩৭ কর্মকর্তা ও সদস্য অংশ নেন।

অভিযান চলাকালে ৩২০ বিদেশি নাগরিকের কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এর মধ্যে ১৮৬ জনকে বিভিন্ন ধরনের অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক করা হয়েছে।

আটকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছেন বাংলাদেশি নাগরিক। মোট ১১৮ বাংলাদেশি পুরুষকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া ২৮ জন ইন্দোনেশিয় (৭ পুরুষ ও ২১ নারী), ২৬ জন মিয়ানমারের নাগরিক (১৩ পুরুষ ও ১৩ নারী), ৫ ভিয়েতনামি (৩ পুরুষ ও ২ নারী), ৪ নেপালি, ২ ভারতীয়, ১ পাকিস্তানি এবং ২ চীনা নাগরিককে (১ পুরুষ ও ১ নারী) আটক করা হয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আটকদের কেউ কেউ ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছিলেন, আবার কেউ কেউ বৈধ ভ্রমণ নথি বা অনুমতিপত্র ছাড়াই দেশটিতে বসবাস করছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর ধারা ১৫(১)(সি) (অতিরিক্ত সময় অবস্থান) এবং ধারা ৬(১)(সি) (বৈধ নথিপত্র ছাড়া অবস্থান)-এর আওতায় তদন্ত চলছে।

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, আটকদের পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।