ঢাকা ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আগ্নেয়গিরির চূড়ায় নেমে বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন থাই স্কাইডাইভার

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

থাইল্যান্ডের তানাবোওর্ন সিরিকুনাকর্নকুন, যিনি ‘সুপার টুম’ নামেও পরিচিত, এবার গড়লেন এক অনন্য ইতিহাস। ৪৮ বছর বয়সী এই বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক, রিয়েল এস্টেট উদ্যোক্তা এবং থাই সংসদের নির্বাহী প্যারাস্যুটে নেমে এলেন কোনো সাধারণ সমতল ভূমিতে নয়; বরং পৃথিবীর সর্বোচ্চ সক্রিয় আগ্নেয়গিরির চূড়ায়। তার এই দুঃসাহসিক অভিযানের মাধ্যমেই ভেঙে গেছে বিশ্বরেকর্ড, যা এখন নতুন এক সাহসিকতার নজির হয়ে রইলো।

গত ১৪ মার্চ ‘সুপার টুম’ চিলির ওহোস দেল সালাদো আগ্নেয়গিরির চূড়ায় প্যারাস্যুটে অবতরণ করেন। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৫ হাজার ৪৪২ মিটার (১৭ হাজার ৮৫৪ ফুট) উচ্চতায় অবস্থিত এই স্থানটিই এখন সর্বোচ্চ উচ্চতায় স্কাইডাইভ বা প্যারাস্যুট অবতরণের নতুন বিশ্বরেকর্ড। আন্দিজ পর্বতমালায় অবস্থিত ওহোস দেল সালাদো বিশ্বের সর্বোচ্চ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি হিসেবে পরিচিত।

‘সুপার টুম’ প্যারাস্যুট নিয়ে যে উচ্চতায় লাফিয়ে নেমেছেন, এর চেয়ে কম উচ্চতা দিয়ে অধিকাংশ বাণিজ্যিক টার্বোপ্রপ উড়োজাহাজ উড়ে যায়। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এত উঁচুতে লাফিয়ে নামার জন্য সিরিকুনাকর্নকুনকে অতি উচ্চতার পাশাপাশি হিম বাতাসের মোকাবিলা করতে হয়েছে। অত উঁচুতে বাতাসে অক্সিজেনের মাত্রাও খুব কম ছিল।

এর আগে স্কাইডাইভ দিয়ে সবচেয়ে উঁচুতে নামার রেকর্ডটি হয়েছিল ২০২৩ সালে।

লাফিয়ে পড়ার সময় আকাশ থেকে নিচের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দিতে গিয়ে সিরিকুনাকর্নকুন বলেন, ‘চারপাশের দৃশ্য ছিল অবিশ্বাস্যরকম সুন্দর। আমি আগে এমন কিছু দেখিনি। এটি সত্যি এক অসাধারণ জায়গা। বিভিন্ন খনিজের কারণে সেখানে অনেক রঙের সমারোহ ঘটেছে, এ কারণে আগ্নেয়গিরিটিকে দেখতে রংধনুর মতো লাগে।’

মাত্র দুই বছর আগে, ২০২৪ সাল থেকে সিরিকুনাকর্নকুন স্কাইডাইভিং শুরু করেন। এরই মধ্যে তিনি ১ হাজার ২৫০ বার আকাশ থেকে লাফ দিয়েছেন। নতুন রেকর্ড গড়া প্রসঙ্গে বলেন, তিনি চান বিশ্বের মানুষ থাইল্যান্ডকে চিনুক ও দেশটির জন্য গর্ব অনুভব করুক।

রেকর্ড গড়া লাফের জন্য কেন ওহোস দেল সালাদোকে বেছে নিলেন, এমন প্রশ্নের জবাবে এই স্কাইডাইভার বলেন, ‘কারণ, এটি এমন এক স্থান, আমার দলের সবার কাছে যেটিকে আকর্ষণীয় বলে মনে হয়েছে। পরে লাফ দেওয়ার সময় আমরা বিশ্বের সর্বোচ্চ (সক্রিয়) আগ্নেয়গিরির অসাধারণ সৌন্দর্য আবিষ্কার করি।’ সূত্র: গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

আগ্নেয়গিরির চূড়ায় নেমে বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন থাই স্কাইডাইভার

আপডেট সময় ১০:৫০:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

থাইল্যান্ডের তানাবোওর্ন সিরিকুনাকর্নকুন, যিনি ‘সুপার টুম’ নামেও পরিচিত, এবার গড়লেন এক অনন্য ইতিহাস। ৪৮ বছর বয়সী এই বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক, রিয়েল এস্টেট উদ্যোক্তা এবং থাই সংসদের নির্বাহী প্যারাস্যুটে নেমে এলেন কোনো সাধারণ সমতল ভূমিতে নয়; বরং পৃথিবীর সর্বোচ্চ সক্রিয় আগ্নেয়গিরির চূড়ায়। তার এই দুঃসাহসিক অভিযানের মাধ্যমেই ভেঙে গেছে বিশ্বরেকর্ড, যা এখন নতুন এক সাহসিকতার নজির হয়ে রইলো।

গত ১৪ মার্চ ‘সুপার টুম’ চিলির ওহোস দেল সালাদো আগ্নেয়গিরির চূড়ায় প্যারাস্যুটে অবতরণ করেন। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৫ হাজার ৪৪২ মিটার (১৭ হাজার ৮৫৪ ফুট) উচ্চতায় অবস্থিত এই স্থানটিই এখন সর্বোচ্চ উচ্চতায় স্কাইডাইভ বা প্যারাস্যুট অবতরণের নতুন বিশ্বরেকর্ড। আন্দিজ পর্বতমালায় অবস্থিত ওহোস দেল সালাদো বিশ্বের সর্বোচ্চ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি হিসেবে পরিচিত।

‘সুপার টুম’ প্যারাস্যুট নিয়ে যে উচ্চতায় লাফিয়ে নেমেছেন, এর চেয়ে কম উচ্চতা দিয়ে অধিকাংশ বাণিজ্যিক টার্বোপ্রপ উড়োজাহাজ উড়ে যায়। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এত উঁচুতে লাফিয়ে নামার জন্য সিরিকুনাকর্নকুনকে অতি উচ্চতার পাশাপাশি হিম বাতাসের মোকাবিলা করতে হয়েছে। অত উঁচুতে বাতাসে অক্সিজেনের মাত্রাও খুব কম ছিল।

এর আগে স্কাইডাইভ দিয়ে সবচেয়ে উঁচুতে নামার রেকর্ডটি হয়েছিল ২০২৩ সালে।

লাফিয়ে পড়ার সময় আকাশ থেকে নিচের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দিতে গিয়ে সিরিকুনাকর্নকুন বলেন, ‘চারপাশের দৃশ্য ছিল অবিশ্বাস্যরকম সুন্দর। আমি আগে এমন কিছু দেখিনি। এটি সত্যি এক অসাধারণ জায়গা। বিভিন্ন খনিজের কারণে সেখানে অনেক রঙের সমারোহ ঘটেছে, এ কারণে আগ্নেয়গিরিটিকে দেখতে রংধনুর মতো লাগে।’

মাত্র দুই বছর আগে, ২০২৪ সাল থেকে সিরিকুনাকর্নকুন স্কাইডাইভিং শুরু করেন। এরই মধ্যে তিনি ১ হাজার ২৫০ বার আকাশ থেকে লাফ দিয়েছেন। নতুন রেকর্ড গড়া প্রসঙ্গে বলেন, তিনি চান বিশ্বের মানুষ থাইল্যান্ডকে চিনুক ও দেশটির জন্য গর্ব অনুভব করুক।

রেকর্ড গড়া লাফের জন্য কেন ওহোস দেল সালাদোকে বেছে নিলেন, এমন প্রশ্নের জবাবে এই স্কাইডাইভার বলেন, ‘কারণ, এটি এমন এক স্থান, আমার দলের সবার কাছে যেটিকে আকর্ষণীয় বলে মনে হয়েছে। পরে লাফ দেওয়ার সময় আমরা বিশ্বের সর্বোচ্চ (সক্রিয়) আগ্নেয়গিরির অসাধারণ সৌন্দর্য আবিষ্কার করি।’ সূত্র: গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস