ঢাকা ০৫:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

স্পেনে ঐতিহ্যবাহী ষাঁড় দৌড়, শেষ দিনেই আহত ১০

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

স্পেনের পামপ্লোনায় অনুষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী সান ফারমিন উৎসবের শেষ দিনের ষাঁড় দৌড়ে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজন ষাঁড়ের শিংয়ের আঘাতে গুরুতর আহত হলেও বর্তমানে তারা স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন। আর এবারের পুরো উৎসবজুড়ে আহতের সংখ্যা ৬০ জনেরও বেশি।

স্পেনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আরটিভিই জানিয়েছে, মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত শেষ দিনের দৌড় শেষে আহতদের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আহতদের মধ্যে একজনের ঊরুতে এবং অন্যজনের বুকে ষাঁড়ের শিং বিদ্ধ হয়। বাকি আহতরা মূলত পা, হাত ও মাথায় বিভিন্ন ধরনের আঘাত পেয়েছেন।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, আগের কয়েক দিনের দৌড়ে আহত হওয়া আরও কয়েকজন এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সোমবারের দৌড়ে আহত ২৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি, শনিবার ষাঁড়ের গুঁতায় আহত ৩০ বছর বয়সী একজন, নিতম্ব ভেঙে যাওয়া ৬৩ বছর বয়সী একজন এবং শুক্রবারের দৌড়ে ফুসফুসে আঘাতপ্রাপ্ত ৬৫ বছর বয়সী আরেক ব্যক্তি।

দুর্ঘটনা মোকাবিলায় ৮৭৫ মিটার দীর্ঘ দৌড়পথজুড়ে ১৭টি প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। এর মধ্যে ৯টি মেডিকেল পোস্টে চিকিৎসক, নার্স ও জরুরি সেবাকর্মীরা দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি আটটি সহায়তা কেন্দ্রে প্রশিক্ষিত উদ্ধারকর্মীরা প্রস্তুত ছিলেন।

মঙ্গলবারের দৌড়ের মধ্য দিয়ে ২০২৬ সালের সান ফারমিন উৎসব আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়। এবারের উৎসবে মোট ৬০ জনের বেশি মানুষ আহত হন। তাদের মধ্যে তিনজন ষাঁড়ের শিংয়ের আঘাতে আহত হয়েছেন।

প্রতি বছর ৬ থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত স্পেনের পামপ্লোনায় অনুষ্ঠিত হয় সান ফারমিন উৎসব। তবে উৎসবের সবচেয়ে আকর্ষণীয় আয়োজন হলো ৭ থেকে ১৪ জুলাই প্রতিদিন সকালে অনুষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী ‘রানিং অব দ্য বুলস’ বা ষাঁড় দৌড়, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজারো মানুষ অংশ নেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

স্পেনে ঐতিহ্যবাহী ষাঁড় দৌড়, শেষ দিনেই আহত ১০

আপডেট সময় ০৯:১০:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

স্পেনের পামপ্লোনায় অনুষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী সান ফারমিন উৎসবের শেষ দিনের ষাঁড় দৌড়ে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজন ষাঁড়ের শিংয়ের আঘাতে গুরুতর আহত হলেও বর্তমানে তারা স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন। আর এবারের পুরো উৎসবজুড়ে আহতের সংখ্যা ৬০ জনেরও বেশি।

স্পেনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আরটিভিই জানিয়েছে, মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত শেষ দিনের দৌড় শেষে আহতদের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আহতদের মধ্যে একজনের ঊরুতে এবং অন্যজনের বুকে ষাঁড়ের শিং বিদ্ধ হয়। বাকি আহতরা মূলত পা, হাত ও মাথায় বিভিন্ন ধরনের আঘাত পেয়েছেন।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, আগের কয়েক দিনের দৌড়ে আহত হওয়া আরও কয়েকজন এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সোমবারের দৌড়ে আহত ২৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি, শনিবার ষাঁড়ের গুঁতায় আহত ৩০ বছর বয়সী একজন, নিতম্ব ভেঙে যাওয়া ৬৩ বছর বয়সী একজন এবং শুক্রবারের দৌড়ে ফুসফুসে আঘাতপ্রাপ্ত ৬৫ বছর বয়সী আরেক ব্যক্তি।

দুর্ঘটনা মোকাবিলায় ৮৭৫ মিটার দীর্ঘ দৌড়পথজুড়ে ১৭টি প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। এর মধ্যে ৯টি মেডিকেল পোস্টে চিকিৎসক, নার্স ও জরুরি সেবাকর্মীরা দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি আটটি সহায়তা কেন্দ্রে প্রশিক্ষিত উদ্ধারকর্মীরা প্রস্তুত ছিলেন।

মঙ্গলবারের দৌড়ের মধ্য দিয়ে ২০২৬ সালের সান ফারমিন উৎসব আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়। এবারের উৎসবে মোট ৬০ জনের বেশি মানুষ আহত হন। তাদের মধ্যে তিনজন ষাঁড়ের শিংয়ের আঘাতে আহত হয়েছেন।

প্রতি বছর ৬ থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত স্পেনের পামপ্লোনায় অনুষ্ঠিত হয় সান ফারমিন উৎসব। তবে উৎসবের সবচেয়ে আকর্ষণীয় আয়োজন হলো ৭ থেকে ১৪ জুলাই প্রতিদিন সকালে অনুষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী ‘রানিং অব দ্য বুলস’ বা ষাঁড় দৌড়, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজারো মানুষ অংশ নেন।