ঢাকা ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংকট কাটলে টিকার বিষয়ে তদন্তের সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফিলিপাইনের সিনেটে গোলাগুলি, সিনেটরকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে চীনকে গ্যারান্টর হিসেবে চায় ইরান চীনে পৌঁছেছেন ট্রাম্প, স্বাগত জানালেন ভাইস প্রেসিডেন্ট ‘প্রত্যন্ত অঞ্চলকে আধুনিক যোগাযোগের আওতায় আনতে সরকার কাজ করছে’ হাজী সেলিমের ২০ বছরের অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দিল ঢাকা জেলা প্রশাসন অন্য বিষয়ে অতিরিক্ত মনোযোগ না দিয়ে আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন করুন:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আদিব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী হলে সংসদ হবে মাইলফলক : মঈন খান ঢাবি মসজিদে সাদিক কায়েমের বিয়ে

হৃদরোগে কন্নড় অভিনেতা দিলীপ রাজের মৃত্যু

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

কন্নড় চলচ্চিত্র জগতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ৪৭ বছর বয়সে মারা গেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা ও প্রযোজক দিলীপ রাজ। হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, অসুস্থ হয়ে পড়ার পর দ্রুত তাকে বেঙ্গালুরুর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ হয়। শেষ পর্যন্ত জীবনযুদ্ধ হার মানতে হয় এই বহুমুখী প্রতিভাধর শিল্পীকে।

দিলীপ রাজের আকস্মিক প্রয়াণে স্তব্ধ কন্নড় বিনোদন দুনিয়া। সহকর্মী থেকে অনুরাগী সবাই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকবার্তা জানাতে শুরু করেছেন।

স্মৃতিচারণ করে অভিনেতা চেতন কুমার লেখেন, দিলীপ শুধু একজন দক্ষ অভিনেতাই ছিলেন না, মানুষ হিসেবেও অসাধারণ ছিলেন। তার মধ্যে এক অদ্ভুত আন্তরিকতা ছিল, যা খুব কম মানুষের মধ্যে দেখা যায়।

তিনি জানান, ২০০৯ সালে একটি গানের শুটিং চলাকালীন দিলীপ রাজের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাজ করার সুযোগ হয়েছিল তার। সেই অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে চেতন বলেন, তার সৃজনশীলতা আর শান্ত স্বভাব সবাইকে মুগ্ধ করত। একজন ডাবিং আর্টিস্ট হিসেবেও তিনি চরিত্রকে জীবন্ত করে তুলতে পারতেন।

অন্যদিকে, ভক্তদের মধ্যেও নেমে এসেছে শোকের আবহ। অনেকেই বিশ্বাসই করতে পারছেন না যে এত অল্প বয়সে তাদের প্রিয় অভিনেতা চলে গেলেন। এক অনুরাগী লেখেন, কন্নড় সিনেমা আজ এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হারাল। দিলীপ রাজের অভিনয় এবং পর্দার উপস্থিতি সবসময় মনে থাকবে।

১৯৭৮ সালের ২ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন দিলীপ রাজ। অভিনয় জীবন শুরু করেছিলেন থিয়েটারের মাধ্যমে। পরে ছোটপর্দা এবং বড়পর্দা দুই ক্ষেত্রেই নিজের দক্ষতা প্রমাণ করেন তিনি। বিশেষ করে কন্নড় টেলিভিশনের জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘জননী’ এবং ‘কাম্বাডা মানে’-তে তার অভিনয় দর্শকদের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছিল।

সম্প্রতি ‘মকটেল ৩’ সিনেমায় তার অভিনয়ও যথেষ্ট প্রশংসিত হয়েছিল। নতুন লুকে পর্দায় ফিরে তিনি আবারও দর্শকদের মন জয় করেছিলেন। অভিনয়, প্রযোজনা এবং থিয়েটার সব ক্ষেত্রেই তার অবদান কন্নড় ইন্ডাস্ট্রিতে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংকট কাটলে টিকার বিষয়ে তদন্তের সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হৃদরোগে কন্নড় অভিনেতা দিলীপ রাজের মৃত্যু

আপডেট সময় ০৩:০৮:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

কন্নড় চলচ্চিত্র জগতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ৪৭ বছর বয়সে মারা গেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা ও প্রযোজক দিলীপ রাজ। হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, অসুস্থ হয়ে পড়ার পর দ্রুত তাকে বেঙ্গালুরুর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ হয়। শেষ পর্যন্ত জীবনযুদ্ধ হার মানতে হয় এই বহুমুখী প্রতিভাধর শিল্পীকে।

দিলীপ রাজের আকস্মিক প্রয়াণে স্তব্ধ কন্নড় বিনোদন দুনিয়া। সহকর্মী থেকে অনুরাগী সবাই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকবার্তা জানাতে শুরু করেছেন।

স্মৃতিচারণ করে অভিনেতা চেতন কুমার লেখেন, দিলীপ শুধু একজন দক্ষ অভিনেতাই ছিলেন না, মানুষ হিসেবেও অসাধারণ ছিলেন। তার মধ্যে এক অদ্ভুত আন্তরিকতা ছিল, যা খুব কম মানুষের মধ্যে দেখা যায়।

তিনি জানান, ২০০৯ সালে একটি গানের শুটিং চলাকালীন দিলীপ রাজের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাজ করার সুযোগ হয়েছিল তার। সেই অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে চেতন বলেন, তার সৃজনশীলতা আর শান্ত স্বভাব সবাইকে মুগ্ধ করত। একজন ডাবিং আর্টিস্ট হিসেবেও তিনি চরিত্রকে জীবন্ত করে তুলতে পারতেন।

অন্যদিকে, ভক্তদের মধ্যেও নেমে এসেছে শোকের আবহ। অনেকেই বিশ্বাসই করতে পারছেন না যে এত অল্প বয়সে তাদের প্রিয় অভিনেতা চলে গেলেন। এক অনুরাগী লেখেন, কন্নড় সিনেমা আজ এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হারাল। দিলীপ রাজের অভিনয় এবং পর্দার উপস্থিতি সবসময় মনে থাকবে।

১৯৭৮ সালের ২ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন দিলীপ রাজ। অভিনয় জীবন শুরু করেছিলেন থিয়েটারের মাধ্যমে। পরে ছোটপর্দা এবং বড়পর্দা দুই ক্ষেত্রেই নিজের দক্ষতা প্রমাণ করেন তিনি। বিশেষ করে কন্নড় টেলিভিশনের জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘জননী’ এবং ‘কাম্বাডা মানে’-তে তার অভিনয় দর্শকদের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছিল।

সম্প্রতি ‘মকটেল ৩’ সিনেমায় তার অভিনয়ও যথেষ্ট প্রশংসিত হয়েছিল। নতুন লুকে পর্দায় ফিরে তিনি আবারও দর্শকদের মন জয় করেছিলেন। অভিনয়, প্রযোজনা এবং থিয়েটার সব ক্ষেত্রেই তার অবদান কন্নড় ইন্ডাস্ট্রিতে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।