ঢাকা ০২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে চীনকে গ্যারান্টর হিসেবে চায় ইরান

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এক সফরে বের হয়েছেন, ঠিক সেই মুহূর্তে চীনের সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে তেহরান গভীর আত্মবিশ্বাস ও স্থিতি বজায় রাখার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ইরানের সরকার বর্তমানে বেইজিংয়ের সঙ্গে তাদের কূটনৈতিক ও কৌশলগত সমীকরণ নিয়ে আগের চেয়েও বেশি আশাবাদী। ইরানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা চীনকে একটি ‘কৌশলগত অংশীদার’ এবং ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ হিসেবে অভিহিত করেছেন, যার মাধ্যমে তারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন।

সম্প্রতি চীনে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আবদুররেজা রহমানি ফাজলি এই সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভবিষ্যতে যেকোনো সম্ভাব্য চুক্তিতে পৌঁছাতে হলে তা অবশ্যই জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপন করতে হবে।

তিনি জোর দিয়ে জানান, এই ধরনের চুক্তির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে হলে বিশ্বের শীর্ষ ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলোর পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তা থাকতে হবে। এই প্রেক্ষাপটে তিনি বিশেষ করে চীন ও রাশিয়ার নাম উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রদূত ফাজলির মতে, ইরান এবং এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশের কাছে চীনের যে বিশেষ অবস্থান ও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, তাতে বেইজিং অনায়াসেই যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তির প্রধান জামিনদার বা গ্যারান্টর হিসেবে ভূমিকা পালন করতে পারে।

তেহরান মনে করছে, কেবল দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে নয়, বরং চীনের মতো বড় শক্তির মধ্যস্থতা ও নিশ্চয়তা থাকলেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী শান্তি বা সমঝোতা সম্ভব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে চীনকে গ্যারান্টর হিসেবে চায় ইরান

আপডেট সময় ০৮:৩০:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এক সফরে বের হয়েছেন, ঠিক সেই মুহূর্তে চীনের সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে তেহরান গভীর আত্মবিশ্বাস ও স্থিতি বজায় রাখার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ইরানের সরকার বর্তমানে বেইজিংয়ের সঙ্গে তাদের কূটনৈতিক ও কৌশলগত সমীকরণ নিয়ে আগের চেয়েও বেশি আশাবাদী। ইরানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা চীনকে একটি ‘কৌশলগত অংশীদার’ এবং ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ হিসেবে অভিহিত করেছেন, যার মাধ্যমে তারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন।

সম্প্রতি চীনে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আবদুররেজা রহমানি ফাজলি এই সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভবিষ্যতে যেকোনো সম্ভাব্য চুক্তিতে পৌঁছাতে হলে তা অবশ্যই জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপন করতে হবে।

তিনি জোর দিয়ে জানান, এই ধরনের চুক্তির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে হলে বিশ্বের শীর্ষ ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলোর পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তা থাকতে হবে। এই প্রেক্ষাপটে তিনি বিশেষ করে চীন ও রাশিয়ার নাম উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রদূত ফাজলির মতে, ইরান এবং এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশের কাছে চীনের যে বিশেষ অবস্থান ও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, তাতে বেইজিং অনায়াসেই যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তির প্রধান জামিনদার বা গ্যারান্টর হিসেবে ভূমিকা পালন করতে পারে।

তেহরান মনে করছে, কেবল দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে নয়, বরং চীনের মতো বড় শক্তির মধ্যস্থতা ও নিশ্চয়তা থাকলেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী শান্তি বা সমঝোতা সম্ভব।