ঢাকা ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

হাজী সেলিমের ২০ বছরের অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দিল ঢাকা জেলা প্রশাসন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সরকারি খাস জমি দখল করে টানা দুই দশকের বেশি সময় ধরে রাজধানীর লালবাগ এলাকায় গড়ে তোলা হাজী সেলিমের মদিনা গ্রুপের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে ঢাকার জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানম।

বুধবার (১৩ মে) ঢাকার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের একটি চৌকস টিম এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, লালবাগ মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানের সরকারি জমি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখল করে স্থাপনা নির্মাণ ও ব্যবহার করে আসছিল মদিনা গ্রুপ। এ ঘটনায় উচ্ছেদ মোকদ্দমা ৭৭/২০২৫-এর আলোকে গত ১৩ এপ্রিল সহকারী কমিশনার (ভূমি) দখল পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় চিঠি ইস্যু করেন।

এরপর দখলদার পক্ষ উচ্চ আদালতে ৪৭৩৪/২০২৬ নম্বর রিট মামলা দায়ের করে স্থগিতাদেশ নেয়। তবে সরকারপক্ষ সিভিল বিবিধ মামলা (২৯৩/২০২৬) দায়ের করলে গত ১২ মে চেম্বার জজ আদালত পূর্বের স্থগিতাদেশ স্থগিত করেন। আদালতের ওই আদেশের পরই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ভারি যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে অবৈধ স্থাপনা ভেঙে সরকারি জমির দখল পুনরুদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানম বলেন, সরকারি জমি দখল করে কেউ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা সরকারি জমি উদ্ধার করেছি এবং এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারি সম্পত্তি জনগণের সম্পদ। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যাতে অবৈধভাবে এসব জমি দখল করতে না পারে, সে বিষয়ে জেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

ফরিদা খানম বলেন, নিঃসন্দেহে এ অভিযান দখলদারদের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা। বছরের পর বছর সরকারি জমি দখল করে যারা অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছে, যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সেসব স্থাপনা গুড়িয়ে দেওয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

হাজী সেলিমের ২০ বছরের অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দিল ঢাকা জেলা প্রশাসন

আপডেট সময় ০৭:৩৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সরকারি খাস জমি দখল করে টানা দুই দশকের বেশি সময় ধরে রাজধানীর লালবাগ এলাকায় গড়ে তোলা হাজী সেলিমের মদিনা গ্রুপের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে ঢাকার জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানম।

বুধবার (১৩ মে) ঢাকার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের একটি চৌকস টিম এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, লালবাগ মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানের সরকারি জমি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখল করে স্থাপনা নির্মাণ ও ব্যবহার করে আসছিল মদিনা গ্রুপ। এ ঘটনায় উচ্ছেদ মোকদ্দমা ৭৭/২০২৫-এর আলোকে গত ১৩ এপ্রিল সহকারী কমিশনার (ভূমি) দখল পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় চিঠি ইস্যু করেন।

এরপর দখলদার পক্ষ উচ্চ আদালতে ৪৭৩৪/২০২৬ নম্বর রিট মামলা দায়ের করে স্থগিতাদেশ নেয়। তবে সরকারপক্ষ সিভিল বিবিধ মামলা (২৯৩/২০২৬) দায়ের করলে গত ১২ মে চেম্বার জজ আদালত পূর্বের স্থগিতাদেশ স্থগিত করেন। আদালতের ওই আদেশের পরই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ভারি যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে অবৈধ স্থাপনা ভেঙে সরকারি জমির দখল পুনরুদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানম বলেন, সরকারি জমি দখল করে কেউ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা সরকারি জমি উদ্ধার করেছি এবং এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারি সম্পত্তি জনগণের সম্পদ। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যাতে অবৈধভাবে এসব জমি দখল করতে না পারে, সে বিষয়ে জেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

ফরিদা খানম বলেন, নিঃসন্দেহে এ অভিযান দখলদারদের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা। বছরের পর বছর সরকারি জমি দখল করে যারা অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছে, যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সেসব স্থাপনা গুড়িয়ে দেওয়া হবে।