ঢাকা ০৯:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

প্রতিদিন ১৫ মিনিট হাসলেই শরীর থাকবে ফিট

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব হাসি দিবস। প্রতিদিনের ব্যস্ততা আর চাপের ভিড়ে মানুষ যখন ক্লান্ত তখন সহজ এক সমাধান হিসেবে সামনে আসে হাসি। ‘হাসিই মহৌষধ’ এই বিশ্বাসকে ধারণ করে ১৯৯৮ সাল থেকে স্বাস্থ্য সুখ এবং বিশ্বশান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিতে দিনটি পালিত হয়ে আসছে।

দিবসটির সূচনা করেন ডা. মদন কাটারিয়া। তিনি বিশ্বজুড়ে লাফটার যোগা আন্দোলনের জনক হিসেবে পরিচিত। ভারতের মুম্বাইয়ে ১৯৯৮ সালের ১০ জানুয়ারি প্রথমবার দিবসটি পালিত হয়। পরে এটি ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বজুড়ে এবং এখন মে মাসের প্রথম রবিবার দিনটি উদযাপন করা হয়। বর্তমানে ১০৫টিরও বেশি দেশে হাজার হাজার লাফটার ক্লাব এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের তথ্যে দেখা যায় হাসির প্রভাব শুধু মুখেই সীমাবদ্ধ নয় বরং এটি শরীর ও মনের ওপর গভীর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। প্রাণ খুলে হাসলে শরীরের স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা কমে যায় এবং এন্ডোরফিন নিঃসরণ বাড়ে যা মন ভালো রাখতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখে।

গবেষণায় আরও জানা গেছে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাসলে শরীর থেকে প্রায় ৪০ ক্যালোরি পর্যন্ত ক্ষয় হতে পারে। পাশাপাশি হাসি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং গ্লুকোজ সহনশীলতা বাড়ায়। সামাজিক ক্ষেত্রেও এর প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ কারণ হাসি মানুষের মধ্যে সম্পর্ক দৃঢ় করে এবং ভ্রাতৃত্ববোধ জাগিয়ে তোলে।

বিশেষজ্ঞদের মতে বিশ্ব হাসি দিবস উপলক্ষে যে কেউ চাইলে স্থানীয় লাফটার ক্লাবে যোগ দিতে পারেন। বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো মজার গল্প করা কিংবা প্রিয় কোনো কমেডি অনুষ্ঠান দেখা হতে পারে সহজ উপায়।

দিবসটির মূল কথা একটাই মানুষ যদি হাসতে শেখে তবে সে নিজেও বদলায় আর তার চারপাশও বদলে যায়। বর্তমান অস্থির সময়ে ঘৃণা ও নেতিবাচকতার ভিড়ে হাসিই হতে পারে ভালোবাসা ও সহমর্মিতার সবচেয়ে সহজ পথ। তাই আজ কোনো কারণ ছাড়াই প্রাণ খুলে হাসুন এবং অন্যদের মাঝেও সেই আনন্দ ছড়িয়ে দিন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রতিদিন ১৫ মিনিট হাসলেই শরীর থাকবে ফিট

আপডেট সময় ১০:৩৬:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব হাসি দিবস। প্রতিদিনের ব্যস্ততা আর চাপের ভিড়ে মানুষ যখন ক্লান্ত তখন সহজ এক সমাধান হিসেবে সামনে আসে হাসি। ‘হাসিই মহৌষধ’ এই বিশ্বাসকে ধারণ করে ১৯৯৮ সাল থেকে স্বাস্থ্য সুখ এবং বিশ্বশান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিতে দিনটি পালিত হয়ে আসছে।

দিবসটির সূচনা করেন ডা. মদন কাটারিয়া। তিনি বিশ্বজুড়ে লাফটার যোগা আন্দোলনের জনক হিসেবে পরিচিত। ভারতের মুম্বাইয়ে ১৯৯৮ সালের ১০ জানুয়ারি প্রথমবার দিবসটি পালিত হয়। পরে এটি ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বজুড়ে এবং এখন মে মাসের প্রথম রবিবার দিনটি উদযাপন করা হয়। বর্তমানে ১০৫টিরও বেশি দেশে হাজার হাজার লাফটার ক্লাব এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের তথ্যে দেখা যায় হাসির প্রভাব শুধু মুখেই সীমাবদ্ধ নয় বরং এটি শরীর ও মনের ওপর গভীর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। প্রাণ খুলে হাসলে শরীরের স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা কমে যায় এবং এন্ডোরফিন নিঃসরণ বাড়ে যা মন ভালো রাখতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখে।

গবেষণায় আরও জানা গেছে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাসলে শরীর থেকে প্রায় ৪০ ক্যালোরি পর্যন্ত ক্ষয় হতে পারে। পাশাপাশি হাসি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং গ্লুকোজ সহনশীলতা বাড়ায়। সামাজিক ক্ষেত্রেও এর প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ কারণ হাসি মানুষের মধ্যে সম্পর্ক দৃঢ় করে এবং ভ্রাতৃত্ববোধ জাগিয়ে তোলে।

বিশেষজ্ঞদের মতে বিশ্ব হাসি দিবস উপলক্ষে যে কেউ চাইলে স্থানীয় লাফটার ক্লাবে যোগ দিতে পারেন। বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো মজার গল্প করা কিংবা প্রিয় কোনো কমেডি অনুষ্ঠান দেখা হতে পারে সহজ উপায়।

দিবসটির মূল কথা একটাই মানুষ যদি হাসতে শেখে তবে সে নিজেও বদলায় আর তার চারপাশও বদলে যায়। বর্তমান অস্থির সময়ে ঘৃণা ও নেতিবাচকতার ভিড়ে হাসিই হতে পারে ভালোবাসা ও সহমর্মিতার সবচেয়ে সহজ পথ। তাই আজ কোনো কারণ ছাড়াই প্রাণ খুলে হাসুন এবং অন্যদের মাঝেও সেই আনন্দ ছড়িয়ে দিন।