অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
কাপাসিয়া উপজেলার বায়েদ ইউনিয়নের হাইলজোর গ্রামের আবুল কালাম ওরফে কামাল নিখোঁজের ৫ দিন পর তার ক্ষত-বিক্ষত লাশ গজারী বন থেকে আজ বিকালে থানা পুলিশ উদ্ধার করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে স্ত্রী লাভলী(৩০), তার প্রেমিক আলম(৩৫) ও শাশুড়ি সুমেজা বেগম(৫৫)কে আটক করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে ও পুলিশ জানায়, উপজেলার হাইলজোর পূর্বপাড়া গ্রামের কৃষক আবুল কালাম ওরফে কামাল গত ৯ই অক্টোবর রাতে স্ত্রী লাভলী ও পুত্র- কন্যাসহ পাশর্^বর্তী বড়হড় মারুলিয়া পাড়ায় তার শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে যান। রাতে সে শ্বশুর বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। পরদিন সকালে কামালের ছেলে সাব্বির (১২) বাড়ি ফিরে গিয়ে তার বাবার খোঁজ করতে থাকে। পরে বহু খোজাঁখোজির করেও তাকে না পেয়ে গত ১০ই অক্টোবর কামালের পরিবার কাপাসিয়া থানায় সাধারণ একটি সাধারণ ডায়রী করেন । ৫ দিন পর আজ শনিবার সকালে শ্বশুর বাড়ির উত্তর পাশের্^ ধানক্ষেতে প্রথমে লাশের কিছু আলামত পাওয়া যায়। পরে আধা কিলোমিটার দূরে গজারী বনের পাশে কামালের মুখ ও হাত বাধা অবস্থায় ক্ষত-বিক্ষত লাশ পাওয়া যায়।
এ ব্যাপারে কামালের বড় ভাই আব্দুস ছামাদ জানান, তার ছোট ভাই কামালের স্ত্রী লাভলীর সঙ্গে পাশ^বর্তী হাইলজোর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের নাইটগার্ড ৪ কন্যা সন্তানের জনক আলমের (৩৫) র্দীঘদিন যাবত অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। আলম ওই গ্রামের মৃত ফাইজ উদ্দিনের পুত্র। এ নিয়ে কয়েকবার আলমের পরিবার ও কামালের শশুড় বাড়ির লোকজনের সঙ্গে দেনদরবারও হয়েছে। এলাকায় আলমের অবৈধ এ প্রেমের সর্ম্পকের বিষয়টি ব্যাপক আলোচিতও।
এ ব্যাপারে থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন ) মনিরুজ্জামান খান জানান, গত ৫ দিন আগে নিখোঁজ কামাল হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তার স্ত্রী লাভলী আক্তার (৩০), শাশুড়ি সুমেজা বেগম (৫৫) ও প্রেমিক আলম (৩৫) কে আটক করা হয়েছে। কামালের বড় ভাই ছামাদ বাদী হয়ে কাপাসিয়া থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 





















