ঢাকা ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আমি সরকারি চাকরি করি, হুকুমের গোলাম:মৃত্যুদণ্ড সাজা পাওয়ার পর এএসআই আমির

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জুলাই আন্দোলনে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। এতে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন- এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র।

তাদের মধ্যে আমির রায় ঘোষণার এ রায় মানি না উল্লেখ করে বলেন, আমি পুলিশের চাকরি করি। হুকুমের গোলাম। অমাকে কেন মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আমার সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে।

তিনি বলেন, অোমাকে যেভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেভাবে আমি তাই করেছি। আর এখন কেন অমাাকে ফাঁসানো হয়েছে। এ সময় তিনি ‘জয় বাংলা’ স্লোগানও দেন।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

যাবজ্জীবন সাজা পাওয়া তিন আসামি হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক সহকারী কমিশনার আরিফুজ্জামান জীবন, তাজহাট থানার সাবেক ওসি রবিউল ইসলাম নয়ন, বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ক্যাম্পের সাবেক ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় মাধব।

এছাড়া বেরোবি সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হাসিবুর রশীদ ও রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান (বেল্টু), গণিত বিভাগের সাবেক সহকারী অধ্যাপক মশিউর রহমান ও তৎকালীন ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়ার ১০ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

৫ বছর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সাবেক ডেপুটি কমিশনার (ক্রাইম) মো. আবু মারুফ হোসেন (টিটু), সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহ নূর আলম পাটোয়ারী সুমন, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, ছাত্রলীগের বেরোবি শাখার সাধারণ সম্পাদক ইমরান চৌধুরী আকাশ, হাফিজুর রহমান তুফান, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী আকাশ, মাসুদুল হাসান মাসুদ ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ডা. সারোয়াত হোসেন ওরফে চন্দন ও একেএম আমির হোসেন আমু।

এছাড়াও লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজজামান মন্ডল আসাদকে ১২ বছর কারাদণ্ড এবং বেরোবি ছাত্রলীগ নেতা মাহাফুজুর রহমান শামীম, ফজলে রাব্বী, সেজান আহম্মেদ আরিফ, ধনঞ্জয় কুমার টগর, বাবুল হোসেন মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, নূর আলম মিয়া, মো. মনিরুজ্জামান পলাশ, মাহাবুবার রহমান বাবুও আখতার হোসেনের ৩ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

আমি সরকারি চাকরি করি, হুকুমের গোলাম:মৃত্যুদণ্ড সাজা পাওয়ার পর এএসআই আমির

আপডেট সময় ০২:২৫:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জুলাই আন্দোলনে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। এতে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন- এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র।

তাদের মধ্যে আমির রায় ঘোষণার এ রায় মানি না উল্লেখ করে বলেন, আমি পুলিশের চাকরি করি। হুকুমের গোলাম। অমাকে কেন মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আমার সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে।

তিনি বলেন, অোমাকে যেভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেভাবে আমি তাই করেছি। আর এখন কেন অমাাকে ফাঁসানো হয়েছে। এ সময় তিনি ‘জয় বাংলা’ স্লোগানও দেন।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

যাবজ্জীবন সাজা পাওয়া তিন আসামি হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক সহকারী কমিশনার আরিফুজ্জামান জীবন, তাজহাট থানার সাবেক ওসি রবিউল ইসলাম নয়ন, বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ক্যাম্পের সাবেক ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় মাধব।

এছাড়া বেরোবি সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হাসিবুর রশীদ ও রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান (বেল্টু), গণিত বিভাগের সাবেক সহকারী অধ্যাপক মশিউর রহমান ও তৎকালীন ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়ার ১০ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

৫ বছর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সাবেক ডেপুটি কমিশনার (ক্রাইম) মো. আবু মারুফ হোসেন (টিটু), সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহ নূর আলম পাটোয়ারী সুমন, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, ছাত্রলীগের বেরোবি শাখার সাধারণ সম্পাদক ইমরান চৌধুরী আকাশ, হাফিজুর রহমান তুফান, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী আকাশ, মাসুদুল হাসান মাসুদ ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ডা. সারোয়াত হোসেন ওরফে চন্দন ও একেএম আমির হোসেন আমু।

এছাড়াও লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজজামান মন্ডল আসাদকে ১২ বছর কারাদণ্ড এবং বেরোবি ছাত্রলীগ নেতা মাহাফুজুর রহমান শামীম, ফজলে রাব্বী, সেজান আহম্মেদ আরিফ, ধনঞ্জয় কুমার টগর, বাবুল হোসেন মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, নূর আলম মিয়া, মো. মনিরুজ্জামান পলাশ, মাহাবুবার রহমান বাবুও আখতার হোসেনের ৩ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।