আকাশ বিনোদন ডেস্ক :
বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জা। সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা থেকে বলিউডে যাত্রা শুরু করেছিলেন তিনি। তার পরে আসেন অভিনয়ে। তাঁর অভিনীত ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মে’ আজও আলোচনায় উঠে আসে। কিন্তু একসময় বলিউডে তাঁকে ‘অপয়া’ বলে ডাকা হত। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমন সব তথ্য দিয়েছেন অভিনেত্রী দিয়া মির্জ়া।
কর্মজীবনের শুরু থেকে ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সঙ্গে তাঁর তুলনা করা হত। তার কিছু দিন পরে পেলেন ‘অপয়া’ তকমা। দিয়ার কথায়, ‘আমি মনে করি, আমি সবার ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে নিজের জায়গা তৈরি করতে পেরেছি। শুরুতে আমার তুলনা করা হতা ঐশ্বরিয়ার রাইয়ের সঙ্গে। আমি মনে করি, এতে অনেক সুযোগে বাধা এসেছিল। তার পর আমার বড় কিছু ছবির ব্যর্থতা, যার ফলে কাজ পাওয়া বন্ধ হয়ে যায়।’
পর পর বেশ কিছু ছবি বক্সঅফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছিল। তাই যাঁরা আগে দিয়াকে ছবিতে নিতে চাইতেন, তাঁরাই তাঁকে ‘অশুভ’ ভাবতে শুরু করেছিলেন। অভিনেত্রী বলেন, ‘একসময় চুক্তিতে সই করানোর জন্য যাঁরা লাইন দিয়ে অপেক্ষা করতেন, তাঁরাই আমাকে অপয়া ভাবতে শুরু করেন। আমি এই সব পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গিয়েছি।’
দিয়া মির্জ়া জানান, একটি ছবি তাঁর জীবন বদলে দেয়। সেটি হল রাজকুমার হিরানির ‘সঞ্জু’। সঞ্জয় দত্তের বায়োপিকে তাঁর স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন দিয়া। তিনি বলেন, ‘সবসময়ই আমার বেশি কিছু করার ইচ্ছা ছিল। আমি মনে করি, গত এক দশকেই, সঞ্জুর পরে সেটা সম্ভব হয়েছে। আমি রাজকুমার হিরানিকে ফোন করেছিলাম। তখন তিনি ছবির কাস্টিং করছিলেন। আমি আগে তাঁর সঙ্গে ‘লগে রহো মুন্নাভাই’-য়ে কাজ করেছি। সেই দিন রাজকুমার হিরানিকে ফোন করে দিয়া বলেছিলেন, দয়া করে আমাকে কাজ দিন। আমার কোনও কাজ নেই, আমি রীতিমতো লড়াই করছি। কেউ আমাকে কাজ দিচ্ছে না। আপনি এই ছবি করছেন, আমি স্ক্রিন টেস্ট দেব, যা বলবেন করব। কিন্তু আমাকে একটা সুযোগ দিন।
তখন রণবীর কাপুর ও তাঁর সহযোগী দলের সঙ্গে কথা বলে রাজকুমার হিরানি জানান, দিয়ার উপযুক্ত একটি চরিত্র ছবিতে আছে। পরে সঞ্জয়পত্নী মান্যতা দত্তের চরিত্রে অভিনয় করেন দিয়া।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























