ঢাকা ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল মহাকাশের অদ্ভুত দৃশ্য

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মহাকাশে এমন অনেক দৃশ্য আছে যা মানুষকে বিস্মিত করে। এবার তেমনই এক রহস্যময় দৃশ্যের ছবি প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ছবিটি তুলেছে শক্তিশালী হাবল স্পেস টেলিস্কোপ। এতে দেখা গেছে এক অদ্ভুত নীহারিকা, যার নাম এগ নীহারিকা বা ডিম নীহারিকা।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটি পৃথিবী থেকে প্রায় এক হাজার আলোকবর্ষ দূরে। এটি সিগনাস নক্ষত্রমণ্ডলে অবস্থিত। ছবিতে দেখা যায়, মাঝখানে একটি তারা রয়েছে। কিন্তু সেই তারাটি ঘন ধুলোর মেঘে ঢাকা। পুরো গঠনটি দেখতে অনেকটা ডিমের কুসুমের মতো, যার চারপাশে সাদা অংশের মতো ধুলোর স্তর আছে।

গবেষকদের মতে, এটি একটি প্রি-প্ল্যানেটারি নীহারিকা (অর্থাৎ গ্রহীয় নীহারিকা। সহজভাবে বললে, কোনো তারা যখন ধীরে ধীরে শেষের দিকে যায়, তখন তার বাইরের স্তর মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে। সেই গ্যাস ও ধুলোর মেঘ দিয়েই এমন নীহারিকা তৈরি হয়।

হাবলের ছবিতে দেখা গেছে, মরে যাওয়া তারাটি থেকে দুটি উজ্জ্বল আলোর রেখা বের হয়েছে। এই আলো দ্রুত গতিতে ধুলোর মেঘ ভেদ করে বাইরে ছড়িয়ে পড়ছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, তারার আশেপাশে হয়তো আরও এক বা একাধিক ছোট তারা লুকিয়ে আছে। তাদের টানের কারণেও এমন অদ্ভুত গঠন তৈরি হতে পারে।

বিজ্ঞানীরা আরও বলছেন, এ ধরনের পুরোনো তারা মহাকাশে অনেক কসমিক ডাস্ট বা মহাজাগতিক ধুলো ছড়িয়ে দেয়। এই ধুলো থেকেই ভবিষ্যতে নতুন তারা ও গ্রহ তৈরি হতে পারে। অনেক বিজ্ঞানীর মতে, আমাদের সৌরজগতও প্রায় ৪৫০ কোটি বছর আগে এমন ধুলোর মেঘ থেকেই তৈরি হয়েছিল।

গবেষকদের মতে, এই ধাপ খুব বেশি দিন থাকে না। কয়েক হাজার বছরের মধ্যেই এটি বদলে যায়। তাই এমন নীহারিকা নিয়ে গবেষণা করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এতে মহাকাশে তারা জন্ম ও মৃত্যুর রহস্য আরও ভালোভাবে বোঝা যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মালয়েশিয়ায় ২৬৫ বাংলাদেশি পাসপোর্টসহ ২০ জন আটক

হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল মহাকাশের অদ্ভুত দৃশ্য

আপডেট সময় ০৯:৩১:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মহাকাশে এমন অনেক দৃশ্য আছে যা মানুষকে বিস্মিত করে। এবার তেমনই এক রহস্যময় দৃশ্যের ছবি প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ছবিটি তুলেছে শক্তিশালী হাবল স্পেস টেলিস্কোপ। এতে দেখা গেছে এক অদ্ভুত নীহারিকা, যার নাম এগ নীহারিকা বা ডিম নীহারিকা।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটি পৃথিবী থেকে প্রায় এক হাজার আলোকবর্ষ দূরে। এটি সিগনাস নক্ষত্রমণ্ডলে অবস্থিত। ছবিতে দেখা যায়, মাঝখানে একটি তারা রয়েছে। কিন্তু সেই তারাটি ঘন ধুলোর মেঘে ঢাকা। পুরো গঠনটি দেখতে অনেকটা ডিমের কুসুমের মতো, যার চারপাশে সাদা অংশের মতো ধুলোর স্তর আছে।

গবেষকদের মতে, এটি একটি প্রি-প্ল্যানেটারি নীহারিকা (অর্থাৎ গ্রহীয় নীহারিকা। সহজভাবে বললে, কোনো তারা যখন ধীরে ধীরে শেষের দিকে যায়, তখন তার বাইরের স্তর মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে। সেই গ্যাস ও ধুলোর মেঘ দিয়েই এমন নীহারিকা তৈরি হয়।

হাবলের ছবিতে দেখা গেছে, মরে যাওয়া তারাটি থেকে দুটি উজ্জ্বল আলোর রেখা বের হয়েছে। এই আলো দ্রুত গতিতে ধুলোর মেঘ ভেদ করে বাইরে ছড়িয়ে পড়ছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, তারার আশেপাশে হয়তো আরও এক বা একাধিক ছোট তারা লুকিয়ে আছে। তাদের টানের কারণেও এমন অদ্ভুত গঠন তৈরি হতে পারে।

বিজ্ঞানীরা আরও বলছেন, এ ধরনের পুরোনো তারা মহাকাশে অনেক কসমিক ডাস্ট বা মহাজাগতিক ধুলো ছড়িয়ে দেয়। এই ধুলো থেকেই ভবিষ্যতে নতুন তারা ও গ্রহ তৈরি হতে পারে। অনেক বিজ্ঞানীর মতে, আমাদের সৌরজগতও প্রায় ৪৫০ কোটি বছর আগে এমন ধুলোর মেঘ থেকেই তৈরি হয়েছিল।

গবেষকদের মতে, এই ধাপ খুব বেশি দিন থাকে না। কয়েক হাজার বছরের মধ্যেই এটি বদলে যায়। তাই এমন নীহারিকা নিয়ে গবেষণা করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এতে মহাকাশে তারা জন্ম ও মৃত্যুর রহস্য আরও ভালোভাবে বোঝা যায়।