ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেবে যুক্তরাষ্ট্র, দাবি ট্রাম্পের রাতারাতি বড় কোন পরিবর্তন করা সম্ভব নয়: আইএমএফকে অর্থমন্ত্রী জনগণের কল্যাণে পুলিশকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হবে : ডিএমপি কমিশনার টকশোতে আর দেখা যাবে না গোলাম মাওলা রনিকে গাজা পুনর্গঠনে ১০০ কোটি ডলারের সহায়তা উদ্যোগ ঘোষণা ইউরোপীয় ইউনিয়নের দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের দুই বছরের কারাদণ্ড মডেল মসজিদ প্রকল্পে দুর্নীতি অত্যন্ত গর্হিত ও ন্যক্কারজনক কাজ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাতারবাড়ী সমুদ্র বন্দর চালু হলে কমবে পণ্য পরিবহন ব্যয়: নৌমন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও কার্যকর করতে কাজ করছে সরকার : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জয়পুরহাটে মাদরাসাছাত্রী ধর্ষণ মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

তারেক রহমানকে ‘ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জামায়াত আমিরের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বাংলাদেশের ‘ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

রবিবার সন্ধ্যায় নিজের আবাসিক কার্যালয়ে তারেক রহমানের আগমনের পর এক বিবৃতিতে তিনি এ অভিনন্দন জানান। বিএনপির চেয়ারম্যানের এই আগমনকে জাতীয় রাজনীতির জন্য ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিবৃতিতে জামায়াত আমির বলেন, তারেক রহমানের এই আগমনকে আমি স্বাগত জানাই। আমি প্রত্যাশা রাখি, সংলাপ ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে এটি রাজনৈতিক পরিপক্কতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার এক নতুন অধ্যায় সূচনা করবে।

একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমি এমন এক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখি যা হবে ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের ওপর প্রতিষ্ঠিত। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১ দলীয় জোটের সঙ্গে মিলে একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও আধুনিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সাংবিধানিক শাসনের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হবে।

বৈঠকের আলোচনার বিষয়ে জামায়াত আমির উল্লেখ করেন, আমাদের আলোচনায় তারেক রহমান আশ্বস্ত করেছেন যে, নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা এবং বিরোধী দলের কর্মী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যেকোনো হামলা রোধে তিনি কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন। আমি এই আশ্বাসকে সাধুবাদ জানাই। আমাদের প্রত্যাশা, কোনো নাগরিকই যেন ভয়ভীতি বা নিরাপত্তাহীনতার শিকার না হয়।

ভবিষ্যৎ সরকারের সঙ্গে সম্পর্কের ধরণ কেমন হবে—তা স্পষ্ট করে তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থের বিষয়ে আমরা নির্বাচিত সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা দেব। তবে একটি আদর্শিক বিরোধী দল হিসেবে আমাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে আমরা আপসহীন থাকবো।

জামায়াত আমির আরও যোগ করেন, সরকারের জনকল্যাণমূলক কাজে আমাদের সমর্থন থাকবে, কিন্তু যেখানেই জবাবদিহিতার প্রয়োজন হবে, সেখানে আমরা সোচ্চার থাকবো। আমাদের উদ্দেশ্য সংঘাত নয় বরং সংশোধন; বাধা দেওয়া নয় বরং পর্যবেক্ষণ। দেশের মানুষ এমন একটি সংসদ প্রত্যাশা করে, যা ন্যায়বিচার ও নাগরিক অধিকার রক্ষা করবে এবং স্থিতিশীলতার সঙ্গে রাষ্ট্রকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, নীরবতা ভাঙলেন শ্রাবন্তী

তারেক রহমানকে ‘ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জামায়াত আমিরের

আপডেট সময় ১১:৩৪:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বাংলাদেশের ‘ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

রবিবার সন্ধ্যায় নিজের আবাসিক কার্যালয়ে তারেক রহমানের আগমনের পর এক বিবৃতিতে তিনি এ অভিনন্দন জানান। বিএনপির চেয়ারম্যানের এই আগমনকে জাতীয় রাজনীতির জন্য ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিবৃতিতে জামায়াত আমির বলেন, তারেক রহমানের এই আগমনকে আমি স্বাগত জানাই। আমি প্রত্যাশা রাখি, সংলাপ ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে এটি রাজনৈতিক পরিপক্কতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার এক নতুন অধ্যায় সূচনা করবে।

একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমি এমন এক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখি যা হবে ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের ওপর প্রতিষ্ঠিত। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১ দলীয় জোটের সঙ্গে মিলে একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও আধুনিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সাংবিধানিক শাসনের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হবে।

বৈঠকের আলোচনার বিষয়ে জামায়াত আমির উল্লেখ করেন, আমাদের আলোচনায় তারেক রহমান আশ্বস্ত করেছেন যে, নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা এবং বিরোধী দলের কর্মী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যেকোনো হামলা রোধে তিনি কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন। আমি এই আশ্বাসকে সাধুবাদ জানাই। আমাদের প্রত্যাশা, কোনো নাগরিকই যেন ভয়ভীতি বা নিরাপত্তাহীনতার শিকার না হয়।

ভবিষ্যৎ সরকারের সঙ্গে সম্পর্কের ধরণ কেমন হবে—তা স্পষ্ট করে তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থের বিষয়ে আমরা নির্বাচিত সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা দেব। তবে একটি আদর্শিক বিরোধী দল হিসেবে আমাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে আমরা আপসহীন থাকবো।

জামায়াত আমির আরও যোগ করেন, সরকারের জনকল্যাণমূলক কাজে আমাদের সমর্থন থাকবে, কিন্তু যেখানেই জবাবদিহিতার প্রয়োজন হবে, সেখানে আমরা সোচ্চার থাকবো। আমাদের উদ্দেশ্য সংঘাত নয় বরং সংশোধন; বাধা দেওয়া নয় বরং পর্যবেক্ষণ। দেশের মানুষ এমন একটি সংসদ প্রত্যাশা করে, যা ন্যায়বিচার ও নাগরিক অধিকার রক্ষা করবে এবং স্থিতিশীলতার সঙ্গে রাষ্ট্রকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।