আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :
একসময় গোলকিপার ছিলেন আলপি আক্তার। আজ তিনি দেশের বয়সভিত্তিক নারী ফুটবলের অন্যতম ভয়ংকর গোলমেশিন।
ঘরোয়া লিগে হ্যাটট্রিকের পর হ্যাটট্রিক, আন্তর্জাতিক মঞ্চে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপে হ্যাটট্রিক-সব মিলিয়ে আলপি এখন গোল আর আত্মবিশ্বাসের নাম। সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের ১৮ গোলের মধ্যে সাতটিই করেছেন আলপি।
দুটি ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে হয়েছেন টুর্নামেন্টের সেরা গোলদাতা ও সেরা খেলোয়াড়। চলমান নারী ফুটবল লিগে রাজশাহী স্টারসের হয়ে তিন হ্যাটট্রিকসহ ২৫ গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে তিনি।
শৈশব থেকেই খেলাধুলায় আলপির ছিল স্বাভাবিক দখল। দৌড়, হাইজাম্প, লংজাম্পে রাজশাহী বিভাগে একাধিকবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। তবে বয়কাট চুল, ছেলেদের মতো পোশাক আর মাঠে ছোটাছুটির কারণে পরিবারকে শুনতে হয়েছে কটুকথা। তবু থামেননি তারা।
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার দাঁড়িপাড়া গ্রামের চায়ের দোকানি আতাউর রহমানের ছোট মেয়ে আলপি আজ দেশের নারী ফুটবলের পরিচিত মুখ। ২০২৪ সালে নেপাল সাফে (অনূর্ধ্ব-১৬) চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ দলের সদস্য ছিলেন তিনি। লাল-সবুজের জার্সিতে সেটিই ছিল তার প্রথম আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট।
তবে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতের কাছে হারের পর আলপির সঙ্গে কথা বলতে মিডিয়াকে বাধা দেন কোচ পিটার বাটলার। দেশে ফেরার পরও বাফুফের পক্ষ থেকে তাকে কথা বলতে দেওয়া হয়নি। মাঠে যিনি গোল করে উত্তর দেন, বাইরে তার কণ্ঠ এখনো চাপা। তবু বাস্তবতা স্পষ্ট, সেই আলপি আর এই আলপি এক নন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 






















