ঢাকা ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইন্দোনেশিয়ার তালাউড দ্বীপপুঞ্জে ৬.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত ক্যাশলেস সোসাইটি হলে দেড় থেকে দুই লাখ কোটি টাকা রাজস্ব আয় বাড়বে: আহসান এইচ মনসুর দেড় যুগ আগের মামলায় খালাস পেলেন সাবেক উপমন্ত্রী দুলু বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আরাকান আর্মির গুলি, কিশোরী নিহত সোমালিল্যান্ডকে ইসরায়েলের স্বীকৃতি, বাংলাদেশের প্রত্যাখ্যান-নিন্দা সশস্ত্র বাহিনীসহ ১৬ সংস্থার সঙ্গে ইসির বৈঠক নতুন করে শুরুর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করতে চাই: মাহফুজ আলম জয়-পলকের অভিযোগ গঠন নিয়ে প্রসিকিউশনের শুনানি আজ বিক্ষোভকারীদের ‘আল্লাহর শত্রু’ ঘোষণা ইরানের, মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার হুঁশিয়ারি ইরানে ‘রেড লাইন’ ঘোষণা

‘খাদান’ সাফল্যে মাতোয়ারা যিশু, ‘প্রতারক’ বলে কটাক্ষ নীলাঞ্জনার

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে টালিউড প্রযোজক-অভিনেতা দেব ও যিশু সেনগুপ্তের যুগলবন্দি ‘খাদান’। এর মাঝেই যিশুকে নিয়ে ফের ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট দিয়েছেন অভিনেত্রী নীলাঞ্জনা।

আনন্দবাজার অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক ছাদের নিচে আর থাকছেন না যিশু সেনগুপ্ত ও নীলাঞ্জনা। পথও বেঁকে গেছে দুজনের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে যিশুর সব ছবি ও নিজের নামের পাশ থেকে সেনগুপ্ত পদবি মুছে দিয়েছিলেন নীলাঞ্জনা। তার পরই স্পষ্ট হয় তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জন।

গত কয়েক মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ইঙ্গিতবাহী বার্তা দিয়েছেন অভিনেত্রী। কটাক্ষের তীর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যে যিশুর দিকেই, সে কথা বুঝতে অসুবিধা হয় না। যদিও কোথাও যিশুর নাম উল্লেখ করেন না তিনি। এ মুহূর্তে ‘খাদান’-এর সাফল্য নিয়ে ব্যস্ত যিশু।

সম্পর্কে প্রতারণা নিয়ে নীলাঞ্জনা লিখেছেন—সম্পর্কে থাকাকালে সঙ্গীর সঙ্গে প্রতারণা হলো সবচেয়ে অসম্মানজনক কাজ, যা কোনো মানুষ করতে পারে না। যদি তুমি কোনো সম্পর্কে সুখী না থাকো, তা হলে সেটি চুকিয়ে অন্য সম্পর্ক শুরু কর। সেনগুপ্ত পদবি সরিয়ে ফেলার পরে ইনস্টাগ্রামে নীলাঞ্জনা নিজের পরিচয় দেন ‘নিনি চিনিজ মাম্মা’ হিসাবে।

কিছু দিন আগেও সম্পর্ক ও বিয়ে নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেছিলেন নীলাঞ্জনা। তিনি লিখেছিলেন— কেউ ২৫ বছরে বিয়ে করে, কিন্তু ৫ বছর পরেই ডিভোর্স হয়ে যায়। কেউ ৪০ বছরে বিয়ে করেছে, কিন্তু সেখানে এক জীবনের ভালোবাসা পেয়ে গেছে। তাই আপনার দেরি হয়নি, আবার সময়ের আগেও কিছু হয়নি। আপনি যেখানে রয়েছেন, ঠিক সেখানেই থাকার কথা ছিল।

এদিকে অভিনেতা নাকি আপ্তসহায়কের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন। প্রেমের টানেই নাকি ঘর ছেড়েছেন। যদিও তার অতি ঘনিষ্ঠদের দাবি, যা রটেছে তা ঘটেনি। মহিলা আপ্তসহায়কের সঙ্গে প্রেম নেই তার। তা হলে সেনগুপ্ত দম্পতির সম্পর্কে এমন ফাঁক এলো কীভাবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইন্দোনেশিয়ার তালাউড দ্বীপপুঞ্জে ৬.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত

‘খাদান’ সাফল্যে মাতোয়ারা যিশু, ‘প্রতারক’ বলে কটাক্ষ নীলাঞ্জনার

আপডেট সময় ০৯:৪৮:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে টালিউড প্রযোজক-অভিনেতা দেব ও যিশু সেনগুপ্তের যুগলবন্দি ‘খাদান’। এর মাঝেই যিশুকে নিয়ে ফের ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট দিয়েছেন অভিনেত্রী নীলাঞ্জনা।

আনন্দবাজার অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক ছাদের নিচে আর থাকছেন না যিশু সেনগুপ্ত ও নীলাঞ্জনা। পথও বেঁকে গেছে দুজনের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে যিশুর সব ছবি ও নিজের নামের পাশ থেকে সেনগুপ্ত পদবি মুছে দিয়েছিলেন নীলাঞ্জনা। তার পরই স্পষ্ট হয় তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জন।

গত কয়েক মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ইঙ্গিতবাহী বার্তা দিয়েছেন অভিনেত্রী। কটাক্ষের তীর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যে যিশুর দিকেই, সে কথা বুঝতে অসুবিধা হয় না। যদিও কোথাও যিশুর নাম উল্লেখ করেন না তিনি। এ মুহূর্তে ‘খাদান’-এর সাফল্য নিয়ে ব্যস্ত যিশু।

সম্পর্কে প্রতারণা নিয়ে নীলাঞ্জনা লিখেছেন—সম্পর্কে থাকাকালে সঙ্গীর সঙ্গে প্রতারণা হলো সবচেয়ে অসম্মানজনক কাজ, যা কোনো মানুষ করতে পারে না। যদি তুমি কোনো সম্পর্কে সুখী না থাকো, তা হলে সেটি চুকিয়ে অন্য সম্পর্ক শুরু কর। সেনগুপ্ত পদবি সরিয়ে ফেলার পরে ইনস্টাগ্রামে নীলাঞ্জনা নিজের পরিচয় দেন ‘নিনি চিনিজ মাম্মা’ হিসাবে।

কিছু দিন আগেও সম্পর্ক ও বিয়ে নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেছিলেন নীলাঞ্জনা। তিনি লিখেছিলেন— কেউ ২৫ বছরে বিয়ে করে, কিন্তু ৫ বছর পরেই ডিভোর্স হয়ে যায়। কেউ ৪০ বছরে বিয়ে করেছে, কিন্তু সেখানে এক জীবনের ভালোবাসা পেয়ে গেছে। তাই আপনার দেরি হয়নি, আবার সময়ের আগেও কিছু হয়নি। আপনি যেখানে রয়েছেন, ঠিক সেখানেই থাকার কথা ছিল।

এদিকে অভিনেতা নাকি আপ্তসহায়কের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন। প্রেমের টানেই নাকি ঘর ছেড়েছেন। যদিও তার অতি ঘনিষ্ঠদের দাবি, যা রটেছে তা ঘটেনি। মহিলা আপ্তসহায়কের সঙ্গে প্রেম নেই তার। তা হলে সেনগুপ্ত দম্পতির সম্পর্কে এমন ফাঁক এলো কীভাবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।