ঢাকা ১২:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

মহাবিপদে আমিরাতের প্রবাসীরা!

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য নতুন ভিসা বন্ধ রয়েছে। স্পন্সর পরিবর্তনও হচ্ছে না। ফলে দেশটিতে অবস্থানরত আট লক্ষাধিক প্রবাসীর অনেকেই পড়েছেন নানা বিপাকে।

বিশেষ করে প্রবাসী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও বিনিযোগকারীরা রয়েছেন চরম ভোগান্তিতে। অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ব্যবসায়ীদের দাবি, সরকার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে অন্তত অভ্যন্তরীণ ভিসা পরিবর্তনের ব্যবস্থাটা করে দেবে।

আমিরাতে হাজার হাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী রয়েছেন। এর মধ্যে আবুধাবির উপশহর আল আইন গ্রিন সিটিতে রয়েছেন প্রায় ১০ হাজার। শুধুমাত্র আল আইনের সানাইয়ায় রয়েছেন পাঁচ হাজারের অধিক। দীর্ঘদিন ধরে নতুন ভিসা বন্ধ থাকায় প্রবাসীদের সংখ্যা যেমন দিনদিন কমছে, তেমনি কমছে রেমিট্যান্স প্রবাহও।

আর এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা নিজেদের টিকিয়ে রাখতে জীবন বাজি রেখে ভিনদেশি শ্রমিক দিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে দেশ হারাচ্ছে মূল্যবান রেমিট্যান্স। জানা গেছে, প্রবাসী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অনেকেই চালাচ্ছেন ছোটখাট স্টিলের দোকান, ওয়ার্কশপ, হোটেল বা চায়ের দোকান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, অ্যালুমিনিয়াম, গ্রোসারি, ওয়েল্ডিং, রিপেয়ারিং, অটো ইলেক্ট্রিক, টেইলারিং শপ, মোবাইল শপ, গ্যারেজ, সেলুনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভর করতে হয় দেশি শ্রমিকদের ওপর। ভাষা ও কালচারগত সমস্যায় পড়তে হয় তাদেরকে। এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যেমন প্রচুর কাজ রয়েছে, তেমনি স্বল্প পুঁজিতে লাভও হয় প্রচুর। কিন্তু দেশি শ্রমিকদের অভাবে অর্ডারের কাজগুলো ঠিকমতো বুঝিয়ে দিতে বা সম্পন্ন করা যায় না বলে স্থানীয় বিভিন্ন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রায়ই মনোমালিন্য হয়।

ফলে দেশের সুনামের সঙ্গে সঙ্গে অনেকে কাজও হারাচ্ছেন। ফলে এসব প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখতে অনেকে লোকসানও দিয়ে যাচ্ছেন। অভিজ্ঞ এসব ব্যবসায়ী ও প্রবাসীদের প্রত্যাশা সরকার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আমিরাতে বন্ধ ভিসা চালু করতে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করবে অথবা দ্বি-পক্ষীয় সমঝোতার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ ভিসা পরিবর্তনের ব্যবস্থা করে এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

মহাবিপদে আমিরাতের প্রবাসীরা!

আপডেট সময় ১১:৩৮:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য নতুন ভিসা বন্ধ রয়েছে। স্পন্সর পরিবর্তনও হচ্ছে না। ফলে দেশটিতে অবস্থানরত আট লক্ষাধিক প্রবাসীর অনেকেই পড়েছেন নানা বিপাকে।

বিশেষ করে প্রবাসী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও বিনিযোগকারীরা রয়েছেন চরম ভোগান্তিতে। অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ব্যবসায়ীদের দাবি, সরকার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে অন্তত অভ্যন্তরীণ ভিসা পরিবর্তনের ব্যবস্থাটা করে দেবে।

আমিরাতে হাজার হাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী রয়েছেন। এর মধ্যে আবুধাবির উপশহর আল আইন গ্রিন সিটিতে রয়েছেন প্রায় ১০ হাজার। শুধুমাত্র আল আইনের সানাইয়ায় রয়েছেন পাঁচ হাজারের অধিক। দীর্ঘদিন ধরে নতুন ভিসা বন্ধ থাকায় প্রবাসীদের সংখ্যা যেমন দিনদিন কমছে, তেমনি কমছে রেমিট্যান্স প্রবাহও।

আর এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা নিজেদের টিকিয়ে রাখতে জীবন বাজি রেখে ভিনদেশি শ্রমিক দিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে দেশ হারাচ্ছে মূল্যবান রেমিট্যান্স। জানা গেছে, প্রবাসী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অনেকেই চালাচ্ছেন ছোটখাট স্টিলের দোকান, ওয়ার্কশপ, হোটেল বা চায়ের দোকান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, অ্যালুমিনিয়াম, গ্রোসারি, ওয়েল্ডিং, রিপেয়ারিং, অটো ইলেক্ট্রিক, টেইলারিং শপ, মোবাইল শপ, গ্যারেজ, সেলুনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভর করতে হয় দেশি শ্রমিকদের ওপর। ভাষা ও কালচারগত সমস্যায় পড়তে হয় তাদেরকে। এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যেমন প্রচুর কাজ রয়েছে, তেমনি স্বল্প পুঁজিতে লাভও হয় প্রচুর। কিন্তু দেশি শ্রমিকদের অভাবে অর্ডারের কাজগুলো ঠিকমতো বুঝিয়ে দিতে বা সম্পন্ন করা যায় না বলে স্থানীয় বিভিন্ন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রায়ই মনোমালিন্য হয়।

ফলে দেশের সুনামের সঙ্গে সঙ্গে অনেকে কাজও হারাচ্ছেন। ফলে এসব প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখতে অনেকে লোকসানও দিয়ে যাচ্ছেন। অভিজ্ঞ এসব ব্যবসায়ী ও প্রবাসীদের প্রত্যাশা সরকার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আমিরাতে বন্ধ ভিসা চালু করতে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করবে অথবা দ্বি-পক্ষীয় সমঝোতার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ ভিসা পরিবর্তনের ব্যবস্থা করে এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করবে।