ঢাকা ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে ১০০০ ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন জুলাই সনদে ফাঁকফোকর ছিল: মান্না ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মহাবিপদে আমিরাতের প্রবাসীরা!

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য নতুন ভিসা বন্ধ রয়েছে। স্পন্সর পরিবর্তনও হচ্ছে না। ফলে দেশটিতে অবস্থানরত আট লক্ষাধিক প্রবাসীর অনেকেই পড়েছেন নানা বিপাকে।

বিশেষ করে প্রবাসী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও বিনিযোগকারীরা রয়েছেন চরম ভোগান্তিতে। অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ব্যবসায়ীদের দাবি, সরকার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে অন্তত অভ্যন্তরীণ ভিসা পরিবর্তনের ব্যবস্থাটা করে দেবে।

আমিরাতে হাজার হাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী রয়েছেন। এর মধ্যে আবুধাবির উপশহর আল আইন গ্রিন সিটিতে রয়েছেন প্রায় ১০ হাজার। শুধুমাত্র আল আইনের সানাইয়ায় রয়েছেন পাঁচ হাজারের অধিক। দীর্ঘদিন ধরে নতুন ভিসা বন্ধ থাকায় প্রবাসীদের সংখ্যা যেমন দিনদিন কমছে, তেমনি কমছে রেমিট্যান্স প্রবাহও।

আর এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা নিজেদের টিকিয়ে রাখতে জীবন বাজি রেখে ভিনদেশি শ্রমিক দিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে দেশ হারাচ্ছে মূল্যবান রেমিট্যান্স। জানা গেছে, প্রবাসী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অনেকেই চালাচ্ছেন ছোটখাট স্টিলের দোকান, ওয়ার্কশপ, হোটেল বা চায়ের দোকান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, অ্যালুমিনিয়াম, গ্রোসারি, ওয়েল্ডিং, রিপেয়ারিং, অটো ইলেক্ট্রিক, টেইলারিং শপ, মোবাইল শপ, গ্যারেজ, সেলুনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভর করতে হয় দেশি শ্রমিকদের ওপর। ভাষা ও কালচারগত সমস্যায় পড়তে হয় তাদেরকে। এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যেমন প্রচুর কাজ রয়েছে, তেমনি স্বল্প পুঁজিতে লাভও হয় প্রচুর। কিন্তু দেশি শ্রমিকদের অভাবে অর্ডারের কাজগুলো ঠিকমতো বুঝিয়ে দিতে বা সম্পন্ন করা যায় না বলে স্থানীয় বিভিন্ন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রায়ই মনোমালিন্য হয়।

ফলে দেশের সুনামের সঙ্গে সঙ্গে অনেকে কাজও হারাচ্ছেন। ফলে এসব প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখতে অনেকে লোকসানও দিয়ে যাচ্ছেন। অভিজ্ঞ এসব ব্যবসায়ী ও প্রবাসীদের প্রত্যাশা সরকার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আমিরাতে বন্ধ ভিসা চালু করতে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করবে অথবা দ্বি-পক্ষীয় সমঝোতার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ ভিসা পরিবর্তনের ব্যবস্থা করে এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

মহাবিপদে আমিরাতের প্রবাসীরা!

আপডেট সময় ১১:৩৮:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য নতুন ভিসা বন্ধ রয়েছে। স্পন্সর পরিবর্তনও হচ্ছে না। ফলে দেশটিতে অবস্থানরত আট লক্ষাধিক প্রবাসীর অনেকেই পড়েছেন নানা বিপাকে।

বিশেষ করে প্রবাসী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও বিনিযোগকারীরা রয়েছেন চরম ভোগান্তিতে। অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ব্যবসায়ীদের দাবি, সরকার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে অন্তত অভ্যন্তরীণ ভিসা পরিবর্তনের ব্যবস্থাটা করে দেবে।

আমিরাতে হাজার হাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী রয়েছেন। এর মধ্যে আবুধাবির উপশহর আল আইন গ্রিন সিটিতে রয়েছেন প্রায় ১০ হাজার। শুধুমাত্র আল আইনের সানাইয়ায় রয়েছেন পাঁচ হাজারের অধিক। দীর্ঘদিন ধরে নতুন ভিসা বন্ধ থাকায় প্রবাসীদের সংখ্যা যেমন দিনদিন কমছে, তেমনি কমছে রেমিট্যান্স প্রবাহও।

আর এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা নিজেদের টিকিয়ে রাখতে জীবন বাজি রেখে ভিনদেশি শ্রমিক দিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে দেশ হারাচ্ছে মূল্যবান রেমিট্যান্স। জানা গেছে, প্রবাসী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অনেকেই চালাচ্ছেন ছোটখাট স্টিলের দোকান, ওয়ার্কশপ, হোটেল বা চায়ের দোকান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, অ্যালুমিনিয়াম, গ্রোসারি, ওয়েল্ডিং, রিপেয়ারিং, অটো ইলেক্ট্রিক, টেইলারিং শপ, মোবাইল শপ, গ্যারেজ, সেলুনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভর করতে হয় দেশি শ্রমিকদের ওপর। ভাষা ও কালচারগত সমস্যায় পড়তে হয় তাদেরকে। এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যেমন প্রচুর কাজ রয়েছে, তেমনি স্বল্প পুঁজিতে লাভও হয় প্রচুর। কিন্তু দেশি শ্রমিকদের অভাবে অর্ডারের কাজগুলো ঠিকমতো বুঝিয়ে দিতে বা সম্পন্ন করা যায় না বলে স্থানীয় বিভিন্ন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রায়ই মনোমালিন্য হয়।

ফলে দেশের সুনামের সঙ্গে সঙ্গে অনেকে কাজও হারাচ্ছেন। ফলে এসব প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখতে অনেকে লোকসানও দিয়ে যাচ্ছেন। অভিজ্ঞ এসব ব্যবসায়ী ও প্রবাসীদের প্রত্যাশা সরকার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আমিরাতে বন্ধ ভিসা চালু করতে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করবে অথবা দ্বি-পক্ষীয় সমঝোতার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ ভিসা পরিবর্তনের ব্যবস্থা করে এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করবে।