ঢাকা ০৭:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ায়, ব্যবস্থাপককে কুপিয়ে হত্যা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

গাজীপুরের শ্রীপুরে স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে কারখানার ব্যবস্থাপককে কুপিয়ে হত্যা করল রাজমিস্ত্রি। এ সময় তার স্ত্রী গুরুতর আহত হন।

সোমবার উপজেলার চন্নাপাড়া গ্রামের আজিজুল হকের বাড়িতে লোমহর্ষক এ ঘটনাটি ঘটে।

নিহত আশরাফুল ইসলাম (৩০) দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার পলিবটতলী গ্রামের আব্দুল ওয়াহাবের ছেলে। তিনি ওই গ্রামের এসএস ফ্যাশন নামক একটি কারখানা ব্যবস্থাপক। আহত তাসলিমা খাতুন (২৮) ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার বালিপাড়া গ্রামের আজিজুল হকের স্ত্রী। তাসলিমা ওই কারখানার কর্মরত শ্রমিক।

অভিযুক্ত আজিজুল হক (৩০) ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার বালিপাড়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি, তিনি শ্রীপুর পৌরসভার চন্নাপাড়া গ্রামে জমি কিনে নিজ বাড়িতে স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করতেন।

স্থানীয়রা জানান, আশরাফুলের তত্ত্বাবধানে কারখানায় চাকরি করতেন তাসলিমা। তার স্বামী আজিজুল পেশায় নির্মাণ শ্রমিক। প্রতিদিন সকালে কাজে চলে যান আজিজ। ফেরেন বিকেলে বা রাতে। একই কারখানায় চাকরি করায় আশরাফুল ও তাসলিমার মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। সোমবার সকালে আজিজুল কাজে চলে যান। বিশেষ প্রয়োজনে ঘণ্টাখানেক পর বাসায় ফেরেন। এসে বসত ঘর ভেতর থেকে দরজা বন্ধ দেখতে পেয়ে অনেক ডাকা ডাকির পর দরজা খুলেন তাসলিমা। অস্বাভাবিক অবস্থায় দেখতে পান আশরাফুল ও তাসলিমাকে। উত্তেজিত হয়ে আজিজ ধারালো বঁটি দিয়ে দুজনকে এলোপাতাড়ি কোপান। ডাক-চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে রক্তাক্ত অবস্থায় আজিজ পালিয়ে যান।

স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় তাসলিমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। পরে পুলিশে খবর দেন তারা। খবর পেয়ে দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের শ্যালক আশরাফুল আলম বলেন, দুলাভাই সাত বছর ধরে ওই কারখানা পরিচালনা করে আসছেন। তাদের দাম্পত্য জীবনে এক কন্যা সন্তান রয়েছে। সকাল থেকে দুলাভাইয়ের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। কারখানায় গিয়ে তাকে পাইনি। দুপুরে স্থানীয়রা ফোন করে একটি হত্যাকাণ্ডের খবর দেয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই বাড়ির উত্তর ভিটির ঘরের মেঝে দুলাভাইয়ের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পাই। কি কারণে দুলাভাইকে কুপিয়ে খুন করা হলো তা জানা যায়নি।

শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (ওসি) জয়নাল আবেদীন মণ্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের শরীরে একাধিক স্থানে কোপানোর ক্ষত রয়েছে। তার অণ্ডকোষ ও পুরুষাঙ্গ বেশিরভাগ কাটা ছিল। ঘটনাস্থল থেকে আলামত হিসেবে একটি ধারালো বঁটি উদ্ধার করা হয়। ঘাতক আজিজুল পলাতক রয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ায়, ব্যবস্থাপককে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট সময় ১১:৪৮:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

গাজীপুরের শ্রীপুরে স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে কারখানার ব্যবস্থাপককে কুপিয়ে হত্যা করল রাজমিস্ত্রি। এ সময় তার স্ত্রী গুরুতর আহত হন।

সোমবার উপজেলার চন্নাপাড়া গ্রামের আজিজুল হকের বাড়িতে লোমহর্ষক এ ঘটনাটি ঘটে।

নিহত আশরাফুল ইসলাম (৩০) দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার পলিবটতলী গ্রামের আব্দুল ওয়াহাবের ছেলে। তিনি ওই গ্রামের এসএস ফ্যাশন নামক একটি কারখানা ব্যবস্থাপক। আহত তাসলিমা খাতুন (২৮) ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার বালিপাড়া গ্রামের আজিজুল হকের স্ত্রী। তাসলিমা ওই কারখানার কর্মরত শ্রমিক।

অভিযুক্ত আজিজুল হক (৩০) ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার বালিপাড়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি, তিনি শ্রীপুর পৌরসভার চন্নাপাড়া গ্রামে জমি কিনে নিজ বাড়িতে স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করতেন।

স্থানীয়রা জানান, আশরাফুলের তত্ত্বাবধানে কারখানায় চাকরি করতেন তাসলিমা। তার স্বামী আজিজুল পেশায় নির্মাণ শ্রমিক। প্রতিদিন সকালে কাজে চলে যান আজিজ। ফেরেন বিকেলে বা রাতে। একই কারখানায় চাকরি করায় আশরাফুল ও তাসলিমার মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। সোমবার সকালে আজিজুল কাজে চলে যান। বিশেষ প্রয়োজনে ঘণ্টাখানেক পর বাসায় ফেরেন। এসে বসত ঘর ভেতর থেকে দরজা বন্ধ দেখতে পেয়ে অনেক ডাকা ডাকির পর দরজা খুলেন তাসলিমা। অস্বাভাবিক অবস্থায় দেখতে পান আশরাফুল ও তাসলিমাকে। উত্তেজিত হয়ে আজিজ ধারালো বঁটি দিয়ে দুজনকে এলোপাতাড়ি কোপান। ডাক-চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে রক্তাক্ত অবস্থায় আজিজ পালিয়ে যান।

স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় তাসলিমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। পরে পুলিশে খবর দেন তারা। খবর পেয়ে দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের শ্যালক আশরাফুল আলম বলেন, দুলাভাই সাত বছর ধরে ওই কারখানা পরিচালনা করে আসছেন। তাদের দাম্পত্য জীবনে এক কন্যা সন্তান রয়েছে। সকাল থেকে দুলাভাইয়ের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। কারখানায় গিয়ে তাকে পাইনি। দুপুরে স্থানীয়রা ফোন করে একটি হত্যাকাণ্ডের খবর দেয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই বাড়ির উত্তর ভিটির ঘরের মেঝে দুলাভাইয়ের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পাই। কি কারণে দুলাভাইকে কুপিয়ে খুন করা হলো তা জানা যায়নি।

শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (ওসি) জয়নাল আবেদীন মণ্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের শরীরে একাধিক স্থানে কোপানোর ক্ষত রয়েছে। তার অণ্ডকোষ ও পুরুষাঙ্গ বেশিরভাগ কাটা ছিল। ঘটনাস্থল থেকে আলামত হিসেবে একটি ধারালো বঁটি উদ্ধার করা হয়। ঘাতক আজিজুল পলাতক রয়েছে।