ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গারা টেলিটকে বিনামূল্যে কথা বলার সুযোগ পাবেন: তারানা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং শিবিরে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগে সহযোগিতা করতে এক ক্যাম্প থেকে অন্য ক্যাম্পে বিনামূল্যে মোবাইলে কথা বলার সুযোগ দেবে সরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক। ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বুধবার দুপুরে কুতুপালং ক্যাম্পে টেলিটকের বুথ উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন। মানবিকতার কারণেই শরাণার্থীদের এই সুযোগ দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং, বালুখালী, থাইংখালী, হাকিমপাড়া, পালংখালী ও টেকনাফের হোয়াইক্যং অস্থায়ী ক্যাম্পে এই টেলিযোগাযোগ সেবা দিতে ১০টি বুথ চালু করেছে টেলিটক। এসব বুথের মাধ্যমে এক ক্যাম্প থেকে অন্য ক্যাম্পে রোহিঙ্গারা বিনামূল্য কথা বলার সুযোগ পাবেন।

তারানা হালিম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন, টেলিযোগাযোগের সুবিধা যেন রোহিঙ্গারাও পায়। এ কারণে আমরা টেলিটকের মোট ১০টি বুথ বসিয়েছি। আমরা সুলভ মূল্যে টেলিটকের এই সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছি। কিন্তু এখানে এসে দেখলাম তারা সেই মূল্যও দিতে পারছে না। তাই মানবিকতায় তাদের একদম ফ্রি কথা বলার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। এতে করে এক ক্যাম্প থেকে অন্য ক্যাম্পে তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন রোহিঙ্গারা।’

তিনি জানান, রোহিঙ্গাপ্রবণ এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন ভয়েস সার্ভিস নিশ্চিত করতে টেলিটকের সক্ষমতাও বাড়ানো হচ্ছে। রোহিঙ্গারা যাতে অবৈধভাবে কোনো সিম ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য জেলা প্রশাসনকে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী তারানা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গারা টেলিটকে বিনামূল্যে কথা বলার সুযোগ পাবেন: তারানা

আপডেট সময় ০৫:২৫:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং শিবিরে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগে সহযোগিতা করতে এক ক্যাম্প থেকে অন্য ক্যাম্পে বিনামূল্যে মোবাইলে কথা বলার সুযোগ দেবে সরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক। ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বুধবার দুপুরে কুতুপালং ক্যাম্পে টেলিটকের বুথ উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন। মানবিকতার কারণেই শরাণার্থীদের এই সুযোগ দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং, বালুখালী, থাইংখালী, হাকিমপাড়া, পালংখালী ও টেকনাফের হোয়াইক্যং অস্থায়ী ক্যাম্পে এই টেলিযোগাযোগ সেবা দিতে ১০টি বুথ চালু করেছে টেলিটক। এসব বুথের মাধ্যমে এক ক্যাম্প থেকে অন্য ক্যাম্পে রোহিঙ্গারা বিনামূল্য কথা বলার সুযোগ পাবেন।

তারানা হালিম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন, টেলিযোগাযোগের সুবিধা যেন রোহিঙ্গারাও পায়। এ কারণে আমরা টেলিটকের মোট ১০টি বুথ বসিয়েছি। আমরা সুলভ মূল্যে টেলিটকের এই সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছি। কিন্তু এখানে এসে দেখলাম তারা সেই মূল্যও দিতে পারছে না। তাই মানবিকতায় তাদের একদম ফ্রি কথা বলার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। এতে করে এক ক্যাম্প থেকে অন্য ক্যাম্পে তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন রোহিঙ্গারা।’

তিনি জানান, রোহিঙ্গাপ্রবণ এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন ভয়েস সার্ভিস নিশ্চিত করতে টেলিটকের সক্ষমতাও বাড়ানো হচ্ছে। রোহিঙ্গারা যাতে অবৈধভাবে কোনো সিম ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য জেলা প্রশাসনকে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী তারানা।