আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
রাশিয়া-সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী ও মস্কোর নিয়ন্ত্রণে থাকা ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলে গণভোট নেওয়া হচ্ছে শুক্রবার থেকে। এ ভোটগ্রহণ চলবে আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত।
রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত করতে এই কথিত ভোটের আয়োজন। পশ্চিমা দেশগুলো বিষয়টির তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। খবর বিবিসির।
স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার ইউক্রেনে রাশিয়া-সমর্থিত নেতারা ভোটের পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। এটি পশ্চিমাদের কাছে একটি বড় চ্যালেঞ্জ, যা যুদ্ধকে আরও ভয়াবহ করে তুলতে পারে।
তবে এই গণভোট প্রত্যাখ্যান করছে ইউক্রেন। এই ভোটের ফলকে কখনই তারা স্বীকৃতি দেবে না বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
রাশিয়া-সমর্থিতরা শুক্রবার থেকে মঙ্গলবার (২৩-২৭ সেপ্টেম্বর) লুহানস্ক, দোনেৎস্ক, খেরসন এবং জাপোরিঝিয়া প্রদেশে গণভোটের ঘোষণা করে, যা ইউক্রেনের প্রায় ১৫ শতাংশ ভূখণ্ড বা হাঙ্গেরির আয়তনের সমান এলাকা।
পোর্টেবল ব্যালট বক্স নিয়ে নির্বাচন কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি যাবেন ভোটগ্রহণ করতে।
সম্প্রতি কয়েক মাস ধরে রাশিয়ার আগ্রাসন কিছুটা ধীরগতির এবং ইউক্রেন উত্তর-পূর্বের কিছু অংশ পুনরুদ্ধার করেছে। এখন পূর্ব ও দক্ষিণে রাশিয়ার সমর্থিত কর্মকর্তারা বলছেন যে তারা রাশিয়ায় যোগদানের বিষয়ে ভোট চান।
ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনে গত সাত মাস ধরে যুদ্ধ চলছে। দুই দেশের তীব্র লড়াইয়ে অনেক বেসামরিক লোকের প্রাণ গেছে। নিহত হয়েছেন নারী ও শিশুরাও। লাখ লাখ ঘরবাড়ি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসন আর পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞার ফলে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক সংকট শুরু হয়েছে। বেড়েছে সব খাদ্যপণ্যের দাম।
গণভোটের জন্য কয়েক মাস ধরে মস্কোপন্থি কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলোচনা হচ্ছিল। কিন্তু ইউক্রেনের সম্প্রতি বেশ কয়েকটি এলাকা পুনর্দখল করায় তাদের এ আয়োজন দ্রুত হচ্ছে।
শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া ভোটে রাশিয়ার পক্ষে ফল অনিবার্য বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০১৪ সালে ক্রিমিয়ার গণভোটে কারচুপি হয় বলে বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে সমালোচিত। সেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে রাশিয়ার সঙ্গে সংযুক্তির পক্ষে ৯৭ শতাংশ ভোট পড়েছিল।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 




















