ঢাকা ১১:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

তত্ত্বাবধায়কের কফিনে বিএনপিই শেষ পেরেক ঠুকেছে: অ্যাড. কামরুল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা-১০ আসনের এমপি অ্যাড. কামরুল ইসলাম বলেছেন, রাজনীতিকে বিকেন্দ্রীকরণ করা, সব পেশার মানুষকে নির্যাতন করেছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদেরও তারা কারাগারে পাঠিয়েছিল।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কফিনে বিএনপি তখন শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছিল। লজ্জ্বা তাদের হয় না। আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপ দেখেছি। কাজেই মানুষ এখন আর সেটি চিন্তাই করতে পারে না।

শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে ড. আকবর আলি খানের মৃত্যুতে আয়োজিত শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কামরুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগ সে সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে সমর্থন করেছিল একটা শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি থেকে জনগণকে উদ্ধার করার জন্য। আকবর আলী খান অত্যন্ত বিচক্ষণ ব্যক্তি ছিলেন বলেই তিনি পরবর্তীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার থেকে পদত্যাগ করেছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধে আকবর আলী খানের অবদান তুলে ধরে তিনি বলেন, সে সময় উনি নিজ দায়িত্বে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছিলেন। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সেই সময়ে বাংলাদেশ সরকারের ট্রেজারে ৩ কোটি টাকা জমা দিয়েছিলেন।

কামরুল ইসলান বলেন, মাঝে তিনি যখন আবার শিক্ষকতায় ফিরে আসতে চাইলেন, বঙ্গবন্ধু তাকে সে সু্যোগ দিয়েছেলেন। তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিলেও বঙ্গবন্ধু সেটি গ্রহণ না করে, তাকে লম্বা ছুটি দিয়েছিলেন। আকবর আলী খান বর্নাঢ্য জীবনের অধিকারী ছিলেন। শোক সভায় সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. খলিলুর রহমানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের এমপি এবাদুল করিম বুলবুল, সাংবাদিক সৈয়দা আক্তার ইউসুফ শানু, গ্লোবাল টিভির এডিটর ইন চিফ সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, পিএসসির সদস্য প্রফেসর ড. দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তত্ত্বাবধায়কের কফিনে বিএনপিই শেষ পেরেক ঠুকেছে: অ্যাড. কামরুল

আপডেট সময় ০৬:০১:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা-১০ আসনের এমপি অ্যাড. কামরুল ইসলাম বলেছেন, রাজনীতিকে বিকেন্দ্রীকরণ করা, সব পেশার মানুষকে নির্যাতন করেছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদেরও তারা কারাগারে পাঠিয়েছিল।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কফিনে বিএনপি তখন শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছিল। লজ্জ্বা তাদের হয় না। আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপ দেখেছি। কাজেই মানুষ এখন আর সেটি চিন্তাই করতে পারে না।

শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে ড. আকবর আলি খানের মৃত্যুতে আয়োজিত শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কামরুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগ সে সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে সমর্থন করেছিল একটা শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি থেকে জনগণকে উদ্ধার করার জন্য। আকবর আলী খান অত্যন্ত বিচক্ষণ ব্যক্তি ছিলেন বলেই তিনি পরবর্তীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার থেকে পদত্যাগ করেছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধে আকবর আলী খানের অবদান তুলে ধরে তিনি বলেন, সে সময় উনি নিজ দায়িত্বে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছিলেন। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সেই সময়ে বাংলাদেশ সরকারের ট্রেজারে ৩ কোটি টাকা জমা দিয়েছিলেন।

কামরুল ইসলান বলেন, মাঝে তিনি যখন আবার শিক্ষকতায় ফিরে আসতে চাইলেন, বঙ্গবন্ধু তাকে সে সু্যোগ দিয়েছেলেন। তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিলেও বঙ্গবন্ধু সেটি গ্রহণ না করে, তাকে লম্বা ছুটি দিয়েছিলেন। আকবর আলী খান বর্নাঢ্য জীবনের অধিকারী ছিলেন। শোক সভায় সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. খলিলুর রহমানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের এমপি এবাদুল করিম বুলবুল, সাংবাদিক সৈয়দা আক্তার ইউসুফ শানু, গ্লোবাল টিভির এডিটর ইন চিফ সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, পিএসসির সদস্য প্রফেসর ড. দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।