ঢাকা ১১:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাবা-ছেলে হত্যা মামলায় ১৭ জনের যাবজ্জীবন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

খুলনার তেরখাদা উপ‌জেলার আলোচিত বাবা-ছেলে হত্যা মামলায় ১৭ আসা‌মি‌কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দি‌য়ে‌ছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা জ‌রিমানা, অনাদা‌য়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এই মামলার অপর দুই আসা‌মির বিরুদ্ধে অ‌ভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দিয়েছেন আদালত।

রবিবার দুপুরে খুলনা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নজরুল ইসলাম হাওলাদার এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসা‌মিরা আদাল‌তে উপ‌স্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৭ আগস্ট রাত সাড়ে ৩টার দিকে তেরখাদার ছাগলাদাহ ইউনিয়নের পহরডাঙ্গা গ্রামে জমাজমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরধরে নাঈম শেখ নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার পরদিন ৮ আগস্ট নিহতের মা মাফুজা বেগম বাদী হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে তেরখাদা থানায় হত্যা মামলা করেন।

ওই ঘটনায় গুরুতর জখম নাঈমের বাবা পিরু মিয়া শেখ (৫৫) আড়াই মাস পর ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। পরে মামলাটি ডাবল হত্যা মামলায় রূপ নেয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবা-ছেলে হত্যা মামলায় ১৭ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০১:২৮:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

খুলনার তেরখাদা উপ‌জেলার আলোচিত বাবা-ছেলে হত্যা মামলায় ১৭ আসা‌মি‌কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দি‌য়ে‌ছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা জ‌রিমানা, অনাদা‌য়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এই মামলার অপর দুই আসা‌মির বিরুদ্ধে অ‌ভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দিয়েছেন আদালত।

রবিবার দুপুরে খুলনা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নজরুল ইসলাম হাওলাদার এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসা‌মিরা আদাল‌তে উপ‌স্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৭ আগস্ট রাত সাড়ে ৩টার দিকে তেরখাদার ছাগলাদাহ ইউনিয়নের পহরডাঙ্গা গ্রামে জমাজমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরধরে নাঈম শেখ নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার পরদিন ৮ আগস্ট নিহতের মা মাফুজা বেগম বাদী হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে তেরখাদা থানায় হত্যা মামলা করেন।

ওই ঘটনায় গুরুতর জখম নাঈমের বাবা পিরু মিয়া শেখ (৫৫) আড়াই মাস পর ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। পরে মামলাটি ডাবল হত্যা মামলায় রূপ নেয়।