ঢাকা ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সরকারি ঘরের জন্য ঘুষ: উপজেলা মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে টাকা নেওয়ার অভিযোগে এবার ফরিদপুরের সালথা উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান রূপা বেগমের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক ভুক্তভোগী। বুধবার বিকালে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সালথা থানার ওসি।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর একটি ঘর পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে এক ভিক্ষুকের কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগে মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান রূপা বেগমের স্বামী হায়দার মোল্যার বিরুদ্ধে মামলা হয়। ওই মামলায় ১৫ আগস্ট রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে ১৬ আগস্ট আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি ওই মামলায় এখনও কারাগারে রয়েছেন। এরই মধ্যে আবার তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে একই অভিযোগে মামলা হলো।

সালথা থানার সেকেন্ড অফিসার (এসআই) আওলাদ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ২০ হাজার টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগে মঙ্গলবার রাতে উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান রূপা বেগমের নামে একটি মামলা করেন মিরাজ মোল্যা। এই মামলায় রূপার ছোট ভাই মোকাদ্দেস হোসেন ও স্বামী হায়দার মোল্যাকেও আসামি করা হয়। মামলার বাদী মিরাজ উপজেলার মাঝারদিয়া গ্রামের ইকরাম মাতুব্বরের ছেলে। আসামি রূপা বেগম আর বাদী মিরাজ একই এলাকার বাসিন্দা।

তবে ঘরের জন্য ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে সালথা উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান রূপা বেগম বলেন, আমার এলাকার একটি মহল আমার পরিবারের বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র করে আসছে। ঘর দেওয়ার কথা বলে আমি কারো কাছ থেকে কোনো টাকা-পয়সা নেইনি। আমার স্বামীও কারো কাছ থেকে কোন টাকা-পয়সা নেয়নি। এরা সরকারি ঘর না পেয়ে উল্টাপাল্টা অভিযোগ এনে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

এদিকে গত বছর ৫ এপ্রিলের সালথায় তাণ্ডবের মামলায় বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন সালথা উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওয়াদুদ মাতুব্বর ও পুরুষ ভাইস-চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ।

সালথা থানার ওসি শেখ সাদিক মামলার নিশ্চিত করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

সরকারি ঘরের জন্য ঘুষ: উপজেলা মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় ০৯:৩৪:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে টাকা নেওয়ার অভিযোগে এবার ফরিদপুরের সালথা উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান রূপা বেগমের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক ভুক্তভোগী। বুধবার বিকালে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সালথা থানার ওসি।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর একটি ঘর পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে এক ভিক্ষুকের কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগে মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান রূপা বেগমের স্বামী হায়দার মোল্যার বিরুদ্ধে মামলা হয়। ওই মামলায় ১৫ আগস্ট রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে ১৬ আগস্ট আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি ওই মামলায় এখনও কারাগারে রয়েছেন। এরই মধ্যে আবার তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে একই অভিযোগে মামলা হলো।

সালথা থানার সেকেন্ড অফিসার (এসআই) আওলাদ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ২০ হাজার টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগে মঙ্গলবার রাতে উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান রূপা বেগমের নামে একটি মামলা করেন মিরাজ মোল্যা। এই মামলায় রূপার ছোট ভাই মোকাদ্দেস হোসেন ও স্বামী হায়দার মোল্যাকেও আসামি করা হয়। মামলার বাদী মিরাজ উপজেলার মাঝারদিয়া গ্রামের ইকরাম মাতুব্বরের ছেলে। আসামি রূপা বেগম আর বাদী মিরাজ একই এলাকার বাসিন্দা।

তবে ঘরের জন্য ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে সালথা উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান রূপা বেগম বলেন, আমার এলাকার একটি মহল আমার পরিবারের বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র করে আসছে। ঘর দেওয়ার কথা বলে আমি কারো কাছ থেকে কোনো টাকা-পয়সা নেইনি। আমার স্বামীও কারো কাছ থেকে কোন টাকা-পয়সা নেয়নি। এরা সরকারি ঘর না পেয়ে উল্টাপাল্টা অভিযোগ এনে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

এদিকে গত বছর ৫ এপ্রিলের সালথায় তাণ্ডবের মামলায় বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন সালথা উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওয়াদুদ মাতুব্বর ও পুরুষ ভাইস-চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ।

সালথা থানার ওসি শেখ সাদিক মামলার নিশ্চিত করেন।