ঢাকা ১২:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মৃত্যু নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন মুহাম্মদ ইউনূস থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ভেঙে পড়ল ক্রেন, নিহত ২২ জাস্টিস ফর হাদি, ইনশাআল্লাহ : মির্জা ফখরুল আলমগীর টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান

প্রমাণ করেছি, আমরা কী করতে পারি: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো স্বপ্নের পদ্মা সেতুর ওপর প্রথম স্প্যান বসানোর খবরে ব্যাপক উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘হ্যাঁ, আমরা প্রমাণ করেছি, আমরা করতে পারি’। রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের রিটজ চার্লটন হোটেলে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি আরো বলেন, ‘আমি খুব খুশি’।

অপারেশনের পর চিকিৎসকরা তাঁকে সম্পূর্ণ বিশ্রাম নেয়ার পরামর্শ দিলেও, এদিন তিনি তা উপেক্ষা করেই দেখা করেছেন দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে। দুর্নীতি ও জালিয়াতির অভিযোগ তুলে পদ্মা সেতু প্রকল্প থেকে বিশ্ব ব্যাংকের মুখ ফিরিয়ে নেয়ার পর, নিজেদের অর্থায়নেই তা করে দেখানোর সাহসী সিদ্ধান্ত নেয়াকে স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘এটা ছিল একটা বড় চ্যালেঞ্জ, বাংলাদেশের জন্য বড় সিদ্ধান্ত, নিজেদের অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা আমাদের ভাবমূর্তির সঙ্গেও জড়িত।’ ‘পদ্মার মতো একটি স্রোতস্বিনী নদীতে এমন বড়মাপের সেতু নির্মাণ কাজে হাত দিয়ে আমরা বিশ্বের বুকে উদাহরণ স্থাপন করেছি’ বলেও জানান তিনি।

এসময় আবেগতাড়িত হয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা, বাঙ্গালি জাতিরা যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেছি। আমরা যা চাই তাই করতে পারি, যদি আমরা সৎ ও সংকল্পবদ্ধ থাকি।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমরা জনগণের জন্য রাজনীতি করি, জনগণের জন্য কাজ করি এবং আমরা পারি তা প্রমাণ করেছি।’

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিকভাবে যে সাড়া পড়েছে, তার সমর্থনে প্রবাসীদেরও সোচ্চার হওয়ার কথা বললেন। বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে সাক্ষাতের সময় সকলেই শেখ হাসিনার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা রচনায় তাকে আরো বহু বছর বেঁচে থাকা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন। শেখ হাসিনাকে সকলেই ৭১তম জন্মদিনের শুভেচ্ছাও জ্ঞাপন করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে ম্যাকলিন সিটিতে টাইসন বুলেভার্ডে অবস্থিত রিটজ কার্লটন হোটেলের সুইটে স্থানীয় সময় রোববার আওয়ামী লীগ, শ্রমিক লীগ, যুবলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের সাক্ষাৎ দেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপের সমন্বয়ে প্রথমেই ম্যারিল্যান্ড, ওয়াশিংটন ডিসি এবং স্বাগতিক ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্য আওয়ামী লীগের ৩০ জন কথা বলেন শেখ হাসিনার সাথে। দীর্ঘক্ষণ তারা কথা বলার সময় শেখ হাসিনার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং রোহিঙ্গা ইস্যুতে তার বিচক্ষণতাপূর্ণ নেতৃত্বের জন্যে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।

নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন মেট্র ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট সাদেক খান, ভাইস প্রেসিডেন্ট শিব্বির আহমেদ, আনোয়ার হোসেন, আকতার হোসেন, মুজিবর রহমান এবং নূরল আমিন, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন্নবী বাকি, সহ-সম্পাদক হারুন অর রশীদ। ম্যারিল্যান্ড অঙ্গরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সেলিম, সহ-সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস, সাধারণ সম্পাদক মইনুল তাপস এবং জ্যেষ্ঠ নেতা ড. খন্দকার মনসুর। ভার্জিনিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিক পারভেজ, সহ-সভাপতি আবুল হাশেম এবং সেক্রেটারি আমর ইসলাম।

এরপর শেখ হাসিনার সুইটে প্রবেশ করেন নিউইয়র্ক মহানগর, নিউইয়র্ক স্টেট, বস্টন, কানেকটিকাট, ক্যালিফোর্নিয়া, ফ্লোরিডা, জর্জিয়া আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। এ গ্রুপের পক্ষে নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী, সেক্রেটারি এমদাদ চৌধুরী, নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি শাহীন আজমল প্রমুখ।

এরপর ঢুকেন মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। তারা যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নতুন কমিটিতে অধিকসংখ্যক নারীর অন্তর্ভুক্তির দাবি জানালে শেখ হাসিনা বলেন, ‘নারীতো মহিলা আওয়ামী লীগেই রয়েছেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগে তো কয়েকজন মহিলা রয়েছেনও। ’এ গ্রুপে ছিলেন মমতাজ শাহানা, মোর্শেদা জামান, ফারহানা হানিফ, লিপি প্রমুখ।

ছাত্রলীগের সাথে ঢুকে পড়েছিলেন শ্রমিক লীগ আর যুবলীগের কয়েকজন। তারা যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নয়া কমিটি অবিলম্বে প্রদানের দাবি জানান। এ সময় মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার নিবাচিত একজন ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল (যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সাবেক নেতা) শেখ হাসিনাকে অবহিত করেন যে, আড়িয়াল বিলে আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট স্থাপনে এলাকার সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। তাই নতুন করে সেই প্রকল্প গ্রহণ করা উচিত। শতাধিক নেতা-কমীর সাথে দীর্ঘক্ষণ কথা বলার পর শেখ হাসিনা তার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের বাসায় চলে যান।

তিনি সকলের দোয়া চেয়েছেন রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ যে চালেঞ্জ গ্রহণ করেছে তা সফলতার সাথে বাস্তবায়িত করার জন্যে। নেতা-কর্মীরা যখন শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন সে সময় সুইটে ছিলেন ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা টিমের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

এদিকে, শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাতের জন্যে জড়ো হওয়া কয়েক শত নেতা-কর্মী দিনভর টাইসন বুলেভার্ডে ‘শান্তি সমাবেশ’ করেন। তারা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে চলমান উন্নয়নের সমথনে স্লোগান দেন। বিশেষ করে রোহিঙ্গা ইস্যুতে শেখ হাসিনার ভূমিকার প্রশংসা করে অনেকে বক্তব্য রাখেন। একইসাথে এই প্রবাসে অবস্থানরত জামাত-শিবিরের এজেন্টরা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগের নেতারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রমাণ করেছি, আমরা কী করতে পারি: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:০৬:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো স্বপ্নের পদ্মা সেতুর ওপর প্রথম স্প্যান বসানোর খবরে ব্যাপক উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘হ্যাঁ, আমরা প্রমাণ করেছি, আমরা করতে পারি’। রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের রিটজ চার্লটন হোটেলে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি আরো বলেন, ‘আমি খুব খুশি’।

অপারেশনের পর চিকিৎসকরা তাঁকে সম্পূর্ণ বিশ্রাম নেয়ার পরামর্শ দিলেও, এদিন তিনি তা উপেক্ষা করেই দেখা করেছেন দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে। দুর্নীতি ও জালিয়াতির অভিযোগ তুলে পদ্মা সেতু প্রকল্প থেকে বিশ্ব ব্যাংকের মুখ ফিরিয়ে নেয়ার পর, নিজেদের অর্থায়নেই তা করে দেখানোর সাহসী সিদ্ধান্ত নেয়াকে স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘এটা ছিল একটা বড় চ্যালেঞ্জ, বাংলাদেশের জন্য বড় সিদ্ধান্ত, নিজেদের অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা আমাদের ভাবমূর্তির সঙ্গেও জড়িত।’ ‘পদ্মার মতো একটি স্রোতস্বিনী নদীতে এমন বড়মাপের সেতু নির্মাণ কাজে হাত দিয়ে আমরা বিশ্বের বুকে উদাহরণ স্থাপন করেছি’ বলেও জানান তিনি।

এসময় আবেগতাড়িত হয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা, বাঙ্গালি জাতিরা যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেছি। আমরা যা চাই তাই করতে পারি, যদি আমরা সৎ ও সংকল্পবদ্ধ থাকি।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমরা জনগণের জন্য রাজনীতি করি, জনগণের জন্য কাজ করি এবং আমরা পারি তা প্রমাণ করেছি।’

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিকভাবে যে সাড়া পড়েছে, তার সমর্থনে প্রবাসীদেরও সোচ্চার হওয়ার কথা বললেন। বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে সাক্ষাতের সময় সকলেই শেখ হাসিনার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা রচনায় তাকে আরো বহু বছর বেঁচে থাকা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন। শেখ হাসিনাকে সকলেই ৭১তম জন্মদিনের শুভেচ্ছাও জ্ঞাপন করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে ম্যাকলিন সিটিতে টাইসন বুলেভার্ডে অবস্থিত রিটজ কার্লটন হোটেলের সুইটে স্থানীয় সময় রোববার আওয়ামী লীগ, শ্রমিক লীগ, যুবলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের সাক্ষাৎ দেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপের সমন্বয়ে প্রথমেই ম্যারিল্যান্ড, ওয়াশিংটন ডিসি এবং স্বাগতিক ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্য আওয়ামী লীগের ৩০ জন কথা বলেন শেখ হাসিনার সাথে। দীর্ঘক্ষণ তারা কথা বলার সময় শেখ হাসিনার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং রোহিঙ্গা ইস্যুতে তার বিচক্ষণতাপূর্ণ নেতৃত্বের জন্যে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।

নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন মেট্র ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট সাদেক খান, ভাইস প্রেসিডেন্ট শিব্বির আহমেদ, আনোয়ার হোসেন, আকতার হোসেন, মুজিবর রহমান এবং নূরল আমিন, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন্নবী বাকি, সহ-সম্পাদক হারুন অর রশীদ। ম্যারিল্যান্ড অঙ্গরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সেলিম, সহ-সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস, সাধারণ সম্পাদক মইনুল তাপস এবং জ্যেষ্ঠ নেতা ড. খন্দকার মনসুর। ভার্জিনিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিক পারভেজ, সহ-সভাপতি আবুল হাশেম এবং সেক্রেটারি আমর ইসলাম।

এরপর শেখ হাসিনার সুইটে প্রবেশ করেন নিউইয়র্ক মহানগর, নিউইয়র্ক স্টেট, বস্টন, কানেকটিকাট, ক্যালিফোর্নিয়া, ফ্লোরিডা, জর্জিয়া আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। এ গ্রুপের পক্ষে নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী, সেক্রেটারি এমদাদ চৌধুরী, নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি শাহীন আজমল প্রমুখ।

এরপর ঢুকেন মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। তারা যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নতুন কমিটিতে অধিকসংখ্যক নারীর অন্তর্ভুক্তির দাবি জানালে শেখ হাসিনা বলেন, ‘নারীতো মহিলা আওয়ামী লীগেই রয়েছেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগে তো কয়েকজন মহিলা রয়েছেনও। ’এ গ্রুপে ছিলেন মমতাজ শাহানা, মোর্শেদা জামান, ফারহানা হানিফ, লিপি প্রমুখ।

ছাত্রলীগের সাথে ঢুকে পড়েছিলেন শ্রমিক লীগ আর যুবলীগের কয়েকজন। তারা যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নয়া কমিটি অবিলম্বে প্রদানের দাবি জানান। এ সময় মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার নিবাচিত একজন ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল (যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সাবেক নেতা) শেখ হাসিনাকে অবহিত করেন যে, আড়িয়াল বিলে আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট স্থাপনে এলাকার সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। তাই নতুন করে সেই প্রকল্প গ্রহণ করা উচিত। শতাধিক নেতা-কমীর সাথে দীর্ঘক্ষণ কথা বলার পর শেখ হাসিনা তার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের বাসায় চলে যান।

তিনি সকলের দোয়া চেয়েছেন রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ যে চালেঞ্জ গ্রহণ করেছে তা সফলতার সাথে বাস্তবায়িত করার জন্যে। নেতা-কর্মীরা যখন শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন সে সময় সুইটে ছিলেন ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা টিমের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

এদিকে, শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাতের জন্যে জড়ো হওয়া কয়েক শত নেতা-কর্মী দিনভর টাইসন বুলেভার্ডে ‘শান্তি সমাবেশ’ করেন। তারা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে চলমান উন্নয়নের সমথনে স্লোগান দেন। বিশেষ করে রোহিঙ্গা ইস্যুতে শেখ হাসিনার ভূমিকার প্রশংসা করে অনেকে বক্তব্য রাখেন। একইসাথে এই প্রবাসে অবস্থানরত জামাত-শিবিরের এজেন্টরা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগের নেতারা।