আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
কয়েকদিন আগে কসোভোর পক্ষ থেকে জানানো হয়, কসোভোতে যেসব সার্বিয়ান প্রবেশ করবে, সেই সময় তাদের কসোভোর ইস্যু করা একটি অস্থায়ী আইডি কার্ড নিতে হবে। তাছাড়া কসোভোতে প্রবেশ করা সার্বিয়ার গাড়িগুলোকে কসোভোর ইস্যু করা নাম্বার প্লেট ব্যবহার করতে হবে।
আর এ বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ জানায় কসোভোতে বসবাস করা সার্বিয়ান জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী। এ নিয়ে দুই দেশের সীমান্তে শুরু হয় উত্তেজনা।
২০০৮ সালে সার্বিয়ার কাছ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে কসোভো। জাতিসংঘসহ ৯৭টি দেশ তাদের স্বীকৃতি দিয়েছে।
বুধবার ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল জেনস স্টলটেনবার্গ হুশিয়ারি দিয়েছেন, কসোভোতে অবস্থানরত ন্যাটোর শান্তিরক্ষীরা হস্তক্ষেপ করবে; যদি সার্বিয়া-কসোভোর মধ্যে চলমান দ্বন্দ্ব নিরসন না হয়।
সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার বুকিকের সঙ্গে বৈঠক করে এমন হুশিয়ারি দেন স্টলটেনবার্গ।
তিনি বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে, এটি সব পক্ষের দায়িত্ব, বিশেষ করে কসোভো ও সার্বিয়ার, যেন দ্বন্দ্ব ছড়িয়ে না পরে সেটি নিশ্চিত করা।
তিনি আরও বলেন, আমি সব পক্ষকে বলব ধৈর্য্য ধরুন এবং প্রতিহিংসা পরিহার করুন। ন্যাটো কাছ থেকে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে। জাতিসংঘের আদেশের প্রতি আমাদের শান্তিরক্ষীরা নজর রাখছে। যদি পরিস্থিতি খারাপ হয় তাহলে ন্যাটের শান্তিরক্ষীরা হস্তক্ষেপ করতে তৈরি আছে।
সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার তিনি কসোভোর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন। তবে এখন পর্যন্ত কসোভো সার্বিয়ার সব প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে।
এ ব্যাপারে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, আগামীকাল আমরা কঠিন আলোচনা করতে যাচ্ছি। কোনো কিছুর সঙ্গেই আমরা একমতে পৌঁছাতে পারিনি। আমাদের ইতিহাস আছে, যেটি সহজ না। কিন্তু আমরা সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে চাই। আমরা যে কোনো ধরনের উত্তেজনা বা দ্বন্দ্ব এড়িয়ে যেতে চাই।
এদিকে কসোভো বর্তমানে যে নিয়মটি কার্যকর করতে চাইছে, সার্বিয়ায় সেই একই নিয়ম কার্যকর আছে। কিন্তু কসোভোর ক্ষেত্রে বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে সার্বিয়া।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















