ঢাকা ১১:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এবার কোথাও কোনো কেন্দ্র দখল হলে কেউ ছাড় পাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দুর্নীতি-চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজদের বিরুদ্ধে বলায় তাদের চান্দি গরম হয়ে গেছে: জামায়াত আমির প্রতিহিংসা বা প্রতিশোধের রাজনীতি দেখতে চান না তারেক রহমান: দুলু প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় ও চুক্তি চলমান প্রক্রিয়ার অংশ: নিরাপত্তা উপদেষ্টা মঙ্গলবার পবিত্র শবে বরাত তরুণদের সঙ্গে জাইমা রহমানের ‘চায়ের আড্ডা’ ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নানা প্রলোভন দেখানো হচ্ছে: চরমোনাই পীর নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার অপতৎপরতা কঠোর হস্তে দমনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নারীবিদ্বেষী রাজনীতির বিরুদ্ধে জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে জবাব দেবে : নিপুণ রায় বিমানের এমডি ও তাঁর স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার ৪

মেজর জেনারেল হলেন জিয়াউল আহসান, এবার এনটিএমসি’র মহাপরিচালক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মেজর জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি পেলেন এনটিএমসি’র পরিচালক জিয়াউল আহসান। একইসঙ্গে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানকে। আজ বৃহস্পতিবার সশস্ত্র বাহিনী থেকে এমন একটি আদেশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র নিশ্চিত করেছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ বিষয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জিয়াউল আহসানের কাছে জানতে চাইলে তিনি সত্যতা নিশ্চিত করেন। এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমার উপর আস্থা রাখায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। ভবিষ্যতেও অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।

দীর্ঘদিন পুলিশের এলিট ফোর্স র‌্যাবে দায়িত্ব পালন করেন জিয়াউল আহসান। ২০০৯ সালের ৫ মার্চ র‌্যাব-২-এর উপ-অধিনায়ক হিসেবে যোগ দেন তিনি। একই বছর ২৭ আগস্ট লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে র‌্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক হন। ২০১৩ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে তিনি র‌্যাব ছাড়ার আগ পর্যন্ত অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন্স) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

র‌্যাবে কর্মরত থাকা অবস্থায় জিয়াউল আহসান দক্ষতা ও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। তার নেতৃত্বে র‌্যাব জাতীয় অনেক গুরুত্বপূর্ণ অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন করে। র‌্যাবে দায়িত্ব পালনের সময় জেএমবি, হুজি ও আনসারুল্লাহসহ বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের শীর্ষ নেতা, সাভারের রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা ও মাদক সম্রাট আমিন হুদাসহ অনেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। এছাড়া তিনি র‌্যাবকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করতে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হন।

র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক হিসেবে কর্মরত থাকার সময় তাকে ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সের (ডিজিএফআই) ডিডিজি হিসেবে বদলি করা হয়। পরে তাকে সেখান থেকে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) পরিচালক হিসেবে সংযুক্ত করা হয় ২০১৬ সালের ২৮ এপ্রিল। ২০১৭ সালের ২ মার্চ থেকে এনটিএমসি’র পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কমান্ডো ব্যাটালিয়নের এক চৌকষ প্যারাকমান্ডো হিসেবে সুখ্যাতি রয়েছে জিয়াউল আহ্সানের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এবার কোথাও কোনো কেন্দ্র দখল হলে কেউ ছাড় পাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

মেজর জেনারেল হলেন জিয়াউল আহসান, এবার এনটিএমসি’র মহাপরিচালক

আপডেট সময় ১০:১৩:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মেজর জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি পেলেন এনটিএমসি’র পরিচালক জিয়াউল আহসান। একইসঙ্গে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানকে। আজ বৃহস্পতিবার সশস্ত্র বাহিনী থেকে এমন একটি আদেশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র নিশ্চিত করেছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ বিষয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জিয়াউল আহসানের কাছে জানতে চাইলে তিনি সত্যতা নিশ্চিত করেন। এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমার উপর আস্থা রাখায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। ভবিষ্যতেও অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।

দীর্ঘদিন পুলিশের এলিট ফোর্স র‌্যাবে দায়িত্ব পালন করেন জিয়াউল আহসান। ২০০৯ সালের ৫ মার্চ র‌্যাব-২-এর উপ-অধিনায়ক হিসেবে যোগ দেন তিনি। একই বছর ২৭ আগস্ট লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে র‌্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক হন। ২০১৩ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে তিনি র‌্যাব ছাড়ার আগ পর্যন্ত অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন্স) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

র‌্যাবে কর্মরত থাকা অবস্থায় জিয়াউল আহসান দক্ষতা ও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। তার নেতৃত্বে র‌্যাব জাতীয় অনেক গুরুত্বপূর্ণ অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন করে। র‌্যাবে দায়িত্ব পালনের সময় জেএমবি, হুজি ও আনসারুল্লাহসহ বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের শীর্ষ নেতা, সাভারের রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা ও মাদক সম্রাট আমিন হুদাসহ অনেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। এছাড়া তিনি র‌্যাবকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করতে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হন।

র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক হিসেবে কর্মরত থাকার সময় তাকে ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সের (ডিজিএফআই) ডিডিজি হিসেবে বদলি করা হয়। পরে তাকে সেখান থেকে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) পরিচালক হিসেবে সংযুক্ত করা হয় ২০১৬ সালের ২৮ এপ্রিল। ২০১৭ সালের ২ মার্চ থেকে এনটিএমসি’র পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কমান্ডো ব্যাটালিয়নের এক চৌকষ প্যারাকমান্ডো হিসেবে সুখ্যাতি রয়েছে জিয়াউল আহ্সানের।