ঢাকা ০৪:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মেজর জেনারেল হলেন জিয়াউল আহসান, এবার এনটিএমসি’র মহাপরিচালক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মেজর জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি পেলেন এনটিএমসি’র পরিচালক জিয়াউল আহসান। একইসঙ্গে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানকে। আজ বৃহস্পতিবার সশস্ত্র বাহিনী থেকে এমন একটি আদেশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র নিশ্চিত করেছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ বিষয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জিয়াউল আহসানের কাছে জানতে চাইলে তিনি সত্যতা নিশ্চিত করেন। এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমার উপর আস্থা রাখায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। ভবিষ্যতেও অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।

দীর্ঘদিন পুলিশের এলিট ফোর্স র‌্যাবে দায়িত্ব পালন করেন জিয়াউল আহসান। ২০০৯ সালের ৫ মার্চ র‌্যাব-২-এর উপ-অধিনায়ক হিসেবে যোগ দেন তিনি। একই বছর ২৭ আগস্ট লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে র‌্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক হন। ২০১৩ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে তিনি র‌্যাব ছাড়ার আগ পর্যন্ত অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন্স) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

র‌্যাবে কর্মরত থাকা অবস্থায় জিয়াউল আহসান দক্ষতা ও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। তার নেতৃত্বে র‌্যাব জাতীয় অনেক গুরুত্বপূর্ণ অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন করে। র‌্যাবে দায়িত্ব পালনের সময় জেএমবি, হুজি ও আনসারুল্লাহসহ বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের শীর্ষ নেতা, সাভারের রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা ও মাদক সম্রাট আমিন হুদাসহ অনেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। এছাড়া তিনি র‌্যাবকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করতে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হন।

র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক হিসেবে কর্মরত থাকার সময় তাকে ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সের (ডিজিএফআই) ডিডিজি হিসেবে বদলি করা হয়। পরে তাকে সেখান থেকে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) পরিচালক হিসেবে সংযুক্ত করা হয় ২০১৬ সালের ২৮ এপ্রিল। ২০১৭ সালের ২ মার্চ থেকে এনটিএমসি’র পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কমান্ডো ব্যাটালিয়নের এক চৌকষ প্যারাকমান্ডো হিসেবে সুখ্যাতি রয়েছে জিয়াউল আহ্সানের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

মেজর জেনারেল হলেন জিয়াউল আহসান, এবার এনটিএমসি’র মহাপরিচালক

আপডেট সময় ১০:১৩:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মেজর জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি পেলেন এনটিএমসি’র পরিচালক জিয়াউল আহসান। একইসঙ্গে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানকে। আজ বৃহস্পতিবার সশস্ত্র বাহিনী থেকে এমন একটি আদেশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র নিশ্চিত করেছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ বিষয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জিয়াউল আহসানের কাছে জানতে চাইলে তিনি সত্যতা নিশ্চিত করেন। এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমার উপর আস্থা রাখায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। ভবিষ্যতেও অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।

দীর্ঘদিন পুলিশের এলিট ফোর্স র‌্যাবে দায়িত্ব পালন করেন জিয়াউল আহসান। ২০০৯ সালের ৫ মার্চ র‌্যাব-২-এর উপ-অধিনায়ক হিসেবে যোগ দেন তিনি। একই বছর ২৭ আগস্ট লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে র‌্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক হন। ২০১৩ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে তিনি র‌্যাব ছাড়ার আগ পর্যন্ত অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন্স) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

র‌্যাবে কর্মরত থাকা অবস্থায় জিয়াউল আহসান দক্ষতা ও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। তার নেতৃত্বে র‌্যাব জাতীয় অনেক গুরুত্বপূর্ণ অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন করে। র‌্যাবে দায়িত্ব পালনের সময় জেএমবি, হুজি ও আনসারুল্লাহসহ বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের শীর্ষ নেতা, সাভারের রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা ও মাদক সম্রাট আমিন হুদাসহ অনেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। এছাড়া তিনি র‌্যাবকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করতে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হন।

র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক হিসেবে কর্মরত থাকার সময় তাকে ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সের (ডিজিএফআই) ডিডিজি হিসেবে বদলি করা হয়। পরে তাকে সেখান থেকে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) পরিচালক হিসেবে সংযুক্ত করা হয় ২০১৬ সালের ২৮ এপ্রিল। ২০১৭ সালের ২ মার্চ থেকে এনটিএমসি’র পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কমান্ডো ব্যাটালিয়নের এক চৌকষ প্যারাকমান্ডো হিসেবে সুখ্যাতি রয়েছে জিয়াউল আহ্সানের।