আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার শোধলারা গ্রামে সুমি আক্তার (২২) নামের এক গৃহবধূকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে বলে স্বামী রূপকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূর শাশুড়ি রওশনারা বেগম গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মুন্নু মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
ওই রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রোগীর স্বজনরা সাভারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করান।
এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পুলিশের শিবালয় সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুরজাহান লাবনী। নিহত সুমি আক্তার একই উপজেলার কাকজোর এলাকার রহম আলীর ছোট মেয়ে। নিহত সুমির সঙ্গে রূপকের তিন মাস আগে বিয়ে হয়।
ঘিওর থানার ওসি রিয়াজউদ্দিন বিপ্লব বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে এক ভদ্রলোকের ফোন থেকে থানায় একটি ফোন আসে। তিনি রূপকের নাম ঠিকানা নিশ্চিত করে বলেন, রূপকের স্ত্রী তার মাকে আহত করেছেন, এ ঘটনায় আহত মাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হলে একটি জিডি করতে হবে। জিডি করার বিষয়ে তিনি পরামর্শ চান এবং ঘাতক ওই গৃহবধূকে গ্রেফতার করতে বলেন।
এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশি ফোর্স ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। পুলিশ খোঁজাখুঁজি করার পর ফাঁকা বাড়ির পরিত্যক্ত একটি রুম থেকে স্ত্রী সুমি আক্তারের রক্তাক্ত লাশ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্বামী রূপককে খোঁজা হচ্ছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















