ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

প্রেম করে বিয়ে, এক বছর পর স্বামী-স্ত্রীর আত্মহত্যা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় প্রেম করে বিয়ে করার এক বছর পর স্বামী-স্ত্রী একসাথে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের গাড়ফা গ্রাম থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মৃত ব্যক্তিরা হলেন-কালাম শেখের ছেলে জনি শেখ (২১) ও তার স্ত্রী একই উপজেলার শারুলিয়া গ্রামের হাফিজুর রহমানের মেয়ে নাহিদা আক্তার (১৮)। গত বছরের ৫ নভেম্বর ওই দম্পতি ভালবেসে বিয়ে করেন।

পরিবারের বরাত দিয়ে মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোমেন দাশ জানান, এক বছর আগে এই দম্পতি প্রেম করে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে এই দম্পতির বনিবনা হচ্ছিল না। প্রায় তাদের মধ্যে বিবাদ লেগেই থাকত। মঙ্গলবার সকালে জনি তার স্ত্রী নাহিদা ঘুম থেকে ওঠে যে যার কাজ করছিলেন। বাড়িতে থাকা জনির মা পাশের বাড়িতে গেলে বাড়ি ফাঁকা পেয়ে তারা দুজনে টিনশেডের ঘরের আড়ায় পাশাপাশি রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দেন।

ওসি আরও বলেন, অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে জনির মা বাড়িতে ফিরে ছেলের ঘরে গিয়ে দেখেন তারা দুজনে ঘরের আড়ায় ঝুলে আছেন। তিনি প্রতিবেশীদের ডেকে দ্রুত গলায় ফাঁস দেওয়া রশি খুলে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। পারিবারিক অশান্তির কারণে তারা আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেম করে বিয়ে, এক বছর পর স্বামী-স্ত্রীর আত্মহত্যা

আপডেট সময় ১০:২৮:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় প্রেম করে বিয়ে করার এক বছর পর স্বামী-স্ত্রী একসাথে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের গাড়ফা গ্রাম থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মৃত ব্যক্তিরা হলেন-কালাম শেখের ছেলে জনি শেখ (২১) ও তার স্ত্রী একই উপজেলার শারুলিয়া গ্রামের হাফিজুর রহমানের মেয়ে নাহিদা আক্তার (১৮)। গত বছরের ৫ নভেম্বর ওই দম্পতি ভালবেসে বিয়ে করেন।

পরিবারের বরাত দিয়ে মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোমেন দাশ জানান, এক বছর আগে এই দম্পতি প্রেম করে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে এই দম্পতির বনিবনা হচ্ছিল না। প্রায় তাদের মধ্যে বিবাদ লেগেই থাকত। মঙ্গলবার সকালে জনি তার স্ত্রী নাহিদা ঘুম থেকে ওঠে যে যার কাজ করছিলেন। বাড়িতে থাকা জনির মা পাশের বাড়িতে গেলে বাড়ি ফাঁকা পেয়ে তারা দুজনে টিনশেডের ঘরের আড়ায় পাশাপাশি রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দেন।

ওসি আরও বলেন, অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে জনির মা বাড়িতে ফিরে ছেলের ঘরে গিয়ে দেখেন তারা দুজনে ঘরের আড়ায় ঝুলে আছেন। তিনি প্রতিবেশীদের ডেকে দ্রুত গলায় ফাঁস দেওয়া রশি খুলে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। পারিবারিক অশান্তির কারণে তারা আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।