ঢাকা ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

বয়স ৩০ পেরোলেই…

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যেমন বয়স বেড়েছে, তেমন বদলেছে খাবারের অভ্যাস আর রুচি। বয়স যখন ৩০ ছুঁইছুঁই বা ৩০, তখন কিন্তু আর আগের মতো যা ইচ্ছা খেয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই। ৩০ পার হওয়া নারীদের খাবারদাবার কেমন হবে, সে বিষয়ে ঢাকার বারডেম জেনারেল হাসপাতালের প্রধান পুষ্টি কর্মকর্তা শামসুন্নাহার নাহিদ বলেন, ‘এখন অধিকাংশ মেয়ে মা হচ্ছে ত্রিশের পর। তাই আমরা যদি ৩০ বছরটাকে দুটি অংশে ভাগ করি, তাহলে একটা হচ্ছে মা হওয়ার আগের অংশ, আর একটা মা হওয়ার পরের অংশ। মা হওয়ার আগের অংশে ৩০ পার হওয়া প্রতিটি মেয়েকে প্রয়োজনীয় সব খাবার খেতে হবে। তাঁর যদি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, অ্যানিমিয়া বা এ ধরনের অসুখ থাকে, তাহলে তাঁকে প্রচুর হিসাব করে খেতে হবে। মায়ের ওজন প্রয়োজনের তুলনায় কম হলে আগের থেকে বেশি ক্যালরি নিতে হবে, বেশি হলে ক্যালরি কমিয়ে তারপর বাচ্চা নিতে হবে।’

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, আঁশযুক্ত খাবারের পাশাপাশি ভিটামিন, মিনারেল ইত্যাদির ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে! আর যদি সন্তান হওয়ার পরের অংশটা নিয়ে ভাবা যায়, তাহলে একজন মেয়ের বাচ্চা হওয়ার পর কিন্তু তার শরীর দুর্বল হওয়া থেকে শুরু করে নানা ধরনের জটিলতায় পড়তে পারে। বাচ্চা সামলানো, কাজ করা, সংসারের দেখাশোনা করার মতো কাজে মায়ের কিন্তু প্রচুর পরিশ্রমও হচ্ছে। তাই মা যদি ঠিকমতো খাবার না খান, তাহলে পরবর্তী সময়ে বড় ধরনের ঝামেলা হতে পারে। সে সময় মাকে মাছ, মাংস, ডিম, ডাল—এসব খেতেই হবে। সেই সঙ্গে নানা ধরনের ফলমূল, শাকসবজিও খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে।
৩০ পার হওয়া পুরুষের ব্যাপারে শামসুন্নাহার নাহিদ বলেন, সাধারণত ৩০ থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত বয়সে ছেলেরা সব থেকে বেশি পরিশ্রম করে। এ সময় সবারই চাই কিছু বাড়তি সচেতনতা। পরিমিত খাবার না খেলে বা প্রয়োজনের বেশি খেলে নানা ধরনের অসুখের ঝুঁকি থাকে। তাই ৩০ পেরোনো পুরুষের শুধু পুষ্টির দিকে খেয়াল রাখলেই চলবে না, শারীরিক পরিশ্রম আর স্বাস্থ্যকর খাবারের ব্যাপারটাও বিবেচনায়
রাখতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

বয়স ৩০ পেরোলেই…

আপডেট সময় ১২:৪৭:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যেমন বয়স বেড়েছে, তেমন বদলেছে খাবারের অভ্যাস আর রুচি। বয়স যখন ৩০ ছুঁইছুঁই বা ৩০, তখন কিন্তু আর আগের মতো যা ইচ্ছা খেয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই। ৩০ পার হওয়া নারীদের খাবারদাবার কেমন হবে, সে বিষয়ে ঢাকার বারডেম জেনারেল হাসপাতালের প্রধান পুষ্টি কর্মকর্তা শামসুন্নাহার নাহিদ বলেন, ‘এখন অধিকাংশ মেয়ে মা হচ্ছে ত্রিশের পর। তাই আমরা যদি ৩০ বছরটাকে দুটি অংশে ভাগ করি, তাহলে একটা হচ্ছে মা হওয়ার আগের অংশ, আর একটা মা হওয়ার পরের অংশ। মা হওয়ার আগের অংশে ৩০ পার হওয়া প্রতিটি মেয়েকে প্রয়োজনীয় সব খাবার খেতে হবে। তাঁর যদি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, অ্যানিমিয়া বা এ ধরনের অসুখ থাকে, তাহলে তাঁকে প্রচুর হিসাব করে খেতে হবে। মায়ের ওজন প্রয়োজনের তুলনায় কম হলে আগের থেকে বেশি ক্যালরি নিতে হবে, বেশি হলে ক্যালরি কমিয়ে তারপর বাচ্চা নিতে হবে।’

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, আঁশযুক্ত খাবারের পাশাপাশি ভিটামিন, মিনারেল ইত্যাদির ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে! আর যদি সন্তান হওয়ার পরের অংশটা নিয়ে ভাবা যায়, তাহলে একজন মেয়ের বাচ্চা হওয়ার পর কিন্তু তার শরীর দুর্বল হওয়া থেকে শুরু করে নানা ধরনের জটিলতায় পড়তে পারে। বাচ্চা সামলানো, কাজ করা, সংসারের দেখাশোনা করার মতো কাজে মায়ের কিন্তু প্রচুর পরিশ্রমও হচ্ছে। তাই মা যদি ঠিকমতো খাবার না খান, তাহলে পরবর্তী সময়ে বড় ধরনের ঝামেলা হতে পারে। সে সময় মাকে মাছ, মাংস, ডিম, ডাল—এসব খেতেই হবে। সেই সঙ্গে নানা ধরনের ফলমূল, শাকসবজিও খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে।
৩০ পার হওয়া পুরুষের ব্যাপারে শামসুন্নাহার নাহিদ বলেন, সাধারণত ৩০ থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত বয়সে ছেলেরা সব থেকে বেশি পরিশ্রম করে। এ সময় সবারই চাই কিছু বাড়তি সচেতনতা। পরিমিত খাবার না খেলে বা প্রয়োজনের বেশি খেলে নানা ধরনের অসুখের ঝুঁকি থাকে। তাই ৩০ পেরোনো পুরুষের শুধু পুষ্টির দিকে খেয়াল রাখলেই চলবে না, শারীরিক পরিশ্রম আর স্বাস্থ্যকর খাবারের ব্যাপারটাও বিবেচনায়
রাখতে হবে।