ঢাকা ০২:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক সংকটের ব্যাপারে জাতিসংঘ আবারও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, দেশটির অর্থনৈতিক ও ব্যাংকিং ব্যবস্থা পতনের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। খবর পার্স টুডে’র।

জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় সোমবার এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে যে, আফগানিস্তানের ক্রেডিট মার্কেটে অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ ২০২০ সালে যেখানে ছিল শতকরা ২০ ভাগ তা চলতি বছরে ৫৭ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে।

ডুজারিক বলেন, জাতিসংঘের উন্নয়ন কার্যক্রম এক প্রতিবেদনে বলেছে, আফগানিস্তানের ব্যাংকগুলো থেকে গ্রাহকরা তাদের পুঁজি তুলে ফেলছেন যা অব্যাহত থাকলে চলতি বছরের শেষ নাগাদ ব্যাংকে জনগণের গচ্ছিত অর্থ শতকরা ৪০ ভাগ কমে যাবে।

জাতিসংঘের এই মুখপাত্র বলেন, এখন পর্যন্ত আফগানিস্তানের জন্য সাহায্যের আবেদনে যে সাড়া পাওয়া গেছে তাতে ৬০ কোটি ৬০ লাখ ডলারের তহবিল সংগৃহিত হয়েছে এবং এই অর্থ দিয়ে আফগানিস্তানের এক কোটি ১০ লাখ মানুষকে সেবার আওতায় আনা সম্ভব হবে।

আসন্ন শীতকালকে সামনে রেখে আফগানিস্তানে দারিদ্র ও বেকারত্ব ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। শীতকালে দেশটির কোনো কোনো এলাকার তাপমাত্র হিমাঙ্কের নীচে চলে যায় এবং এ সময় দিনমজুরদের জন্য তেমান কোনো কাজ থাকে না বললেই চলে।আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, আফগানিস্তানে মানবিক বিপর্যয় ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম

আপডেট সময় ০৫:২১:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ নভেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক সংকটের ব্যাপারে জাতিসংঘ আবারও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, দেশটির অর্থনৈতিক ও ব্যাংকিং ব্যবস্থা পতনের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। খবর পার্স টুডে’র।

জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় সোমবার এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে যে, আফগানিস্তানের ক্রেডিট মার্কেটে অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ ২০২০ সালে যেখানে ছিল শতকরা ২০ ভাগ তা চলতি বছরে ৫৭ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে।

ডুজারিক বলেন, জাতিসংঘের উন্নয়ন কার্যক্রম এক প্রতিবেদনে বলেছে, আফগানিস্তানের ব্যাংকগুলো থেকে গ্রাহকরা তাদের পুঁজি তুলে ফেলছেন যা অব্যাহত থাকলে চলতি বছরের শেষ নাগাদ ব্যাংকে জনগণের গচ্ছিত অর্থ শতকরা ৪০ ভাগ কমে যাবে।

জাতিসংঘের এই মুখপাত্র বলেন, এখন পর্যন্ত আফগানিস্তানের জন্য সাহায্যের আবেদনে যে সাড়া পাওয়া গেছে তাতে ৬০ কোটি ৬০ লাখ ডলারের তহবিল সংগৃহিত হয়েছে এবং এই অর্থ দিয়ে আফগানিস্তানের এক কোটি ১০ লাখ মানুষকে সেবার আওতায় আনা সম্ভব হবে।

আসন্ন শীতকালকে সামনে রেখে আফগানিস্তানে দারিদ্র ও বেকারত্ব ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। শীতকালে দেশটির কোনো কোনো এলাকার তাপমাত্র হিমাঙ্কের নীচে চলে যায় এবং এ সময় দিনমজুরদের জন্য তেমান কোনো কাজ থাকে না বললেই চলে।আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, আফগানিস্তানে মানবিক বিপর্যয় ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।