ঢাকা ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

তিনমাসে সাদা হয়েছে ১৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ১৫ কোটি ৩০ লাখ কালো টাকা সাদা করেছেন ১২৩ ব্যক্তি।

এর মধ্যে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করে সাদা করা হয়েছে ৩০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য খাতে সাদা করা হয়েছে বাকি ১৫ কোটি টাকা।

এ পরিমাণ অর্থ সাদা করার জন্য সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হয়েছে ৩ কোটি ৩১ লাখ টাকা। শেয়ারবাজারে ৩০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে সাদা করায় সরকার কর পেয়েছে ১ লাখ টাকা। অন্যান্য খাতে ১৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা সাদা করায় সরকার কর পেয়েছে ৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে শেয়ার বাজার ও অন্যান্য খাতে প্রযোজ্য হারে কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ গেল ২০২০-২১ অর্থবছরের চেয়ে সংকুচিত বা কঠোর করা হয়েছে।

চলতি অর্থ বছরে সংশ্লিষ্টখাতে প্রযোজ্য হারে করের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ দিয়ে কালো টাকা সাদা করার বিধান রাখা হয়েছে। আগের অর্থবছরে গড় ১০ শতাংশ কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।

২০২০-২১ অর্থবছরে ১১ হাজার ৮৫৯ ব্যক্তি ২০৬ বিলিয়ন কালো টাকা সাদা করেছেন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তারা বলেছেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর কালো টাকা সাদা করা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কালো টাকা সাদা করার গড় ট্যাক্স ১০ শতাংশ হিসেবে মোট ২০ বিলিয়ন টাকার রাজস্ব সংগ্রহ করেছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য মতে, সাদা করা অর্থ শেয়ার বাজার, নগদ, ব্যাংক আমানত, বন্ড, ফ্ল্যাট, জমি ও অন্যান্য খাতে বিনিয়োগ করেছে।

সাদা করা মোট অর্থের মধ্যে নগদ, ব্যাংক আমানত এবং অন্যান্য সিকিউরিটিতে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয়েছে। পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে ফ্ল্যাট, বাড়ি ও জমিতে বিনিয়োগ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

তিনমাসে সাদা হয়েছে ১৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা

আপডেট সময় ০১:৩৫:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ১৫ কোটি ৩০ লাখ কালো টাকা সাদা করেছেন ১২৩ ব্যক্তি।

এর মধ্যে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করে সাদা করা হয়েছে ৩০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য খাতে সাদা করা হয়েছে বাকি ১৫ কোটি টাকা।

এ পরিমাণ অর্থ সাদা করার জন্য সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হয়েছে ৩ কোটি ৩১ লাখ টাকা। শেয়ারবাজারে ৩০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে সাদা করায় সরকার কর পেয়েছে ১ লাখ টাকা। অন্যান্য খাতে ১৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা সাদা করায় সরকার কর পেয়েছে ৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে শেয়ার বাজার ও অন্যান্য খাতে প্রযোজ্য হারে কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ গেল ২০২০-২১ অর্থবছরের চেয়ে সংকুচিত বা কঠোর করা হয়েছে।

চলতি অর্থ বছরে সংশ্লিষ্টখাতে প্রযোজ্য হারে করের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ দিয়ে কালো টাকা সাদা করার বিধান রাখা হয়েছে। আগের অর্থবছরে গড় ১০ শতাংশ কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।

২০২০-২১ অর্থবছরে ১১ হাজার ৮৫৯ ব্যক্তি ২০৬ বিলিয়ন কালো টাকা সাদা করেছেন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তারা বলেছেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর কালো টাকা সাদা করা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কালো টাকা সাদা করার গড় ট্যাক্স ১০ শতাংশ হিসেবে মোট ২০ বিলিয়ন টাকার রাজস্ব সংগ্রহ করেছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য মতে, সাদা করা অর্থ শেয়ার বাজার, নগদ, ব্যাংক আমানত, বন্ড, ফ্ল্যাট, জমি ও অন্যান্য খাতে বিনিয়োগ করেছে।

সাদা করা মোট অর্থের মধ্যে নগদ, ব্যাংক আমানত এবং অন্যান্য সিকিউরিটিতে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয়েছে। পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে ফ্ল্যাট, বাড়ি ও জমিতে বিনিয়োগ।