ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়ে ২১ তলা ভবন নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দেয়নি একনেক শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল করে সংসদে বিল পাস বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, চিরকুটে পাওয়া গেল শিক্ষকের নাম গত ৩ বছরে প্রায় ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে: বিজিএমইএ পুলিশসহ জরুরি সেবায় জ্বালানি রেশনিং তুলে নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ পর্যালোচনার আড়ালে ঢাকাকে কী বার্তা দিল দিল্লি বিএনপির সাংবাদিক হইয়েন না, সাংবাদিক হোন একটু : অর্থমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে ব্যবহার করা যুক্তরাজ্যের বিমানঘাঁটিতে আগুন কামরাঙ্গীচরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যা, ১৪ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড মুক্তিযুদ্ধকে কৌশলে ভুলিয়ে দেয়ার চেষ্টা সফল হবে না: রিজভী

ধর্ষণের এক মামলা থেকে নুরসহ পাঁচজনকে অব্যাহতি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

লালবাগ থানায় হওয়া ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহযোগিতার মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদ্য সাবেক সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুরসহ পাঁচজনকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (০৩ নভেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী এই আদেশ দেন।

একইদিনে অভিযুক্ত একমাত্র আসামি ছাত্র অধিকার পরিষদের সাবেক সভাপতি হাসান আল মামুনের জামিন নামঞ্জুর করে আদেশ দেন আদালত।

এই মামলায় ধর্ষণের অভিযুক্ত একমাত্র আসামি হাসান আল মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের জন্য আগামী ৩০ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। অব্যাহতিপ্রাপ্ত দুই আসামি নাজমুল হুদা ও সাইফুল ইসলামের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম ও সিরাজুল ইসলাম।

হাসান আল মামুনের পক্ষে যোবায়ের আহমেদ জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন। সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর আলী আকবর জামিনের বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আদেশ দেন।

গত ১৭ জুন ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক (সাময়িক অব্যাহতিপ্রাপ্ত) হাসান আল মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন কর্মকর্তা লালবাগ থানার পরিদর্শক আসলাম উদ্দিন মোল্লা।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলা থেকে নুর ছাড়াও নাজমুল হাসান সোহাগ, সাইফুল ইসলাম, নাজমুল হুদা এবং আবদুল্লাহ হিল বাকীকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

সেই প্রতিবেদন গ্রহণ করে বুধবার নুরসহ পাঁচজনকে অব্যাহতি দিয়ে হাসান আল মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের জন্য ৩০ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।

২০২০ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাবির এক শিক্ষার্থী বাদী হয়ে লালবাগ থানায় ভিপি নুরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে এ মামলাটি করেন। এই মামলায় হাসান আল মামুনের ধর্ষণ ও অন্যদের বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহায়তা ও মেসেঞ্জারে কুৎসা রটানোর অভিযোগ আনা হয়।

একই বাদী ২০২০ সালের ২২ সেপ্টেম্বর কোতয়ালী থানায় আরেকটি ধর্ষণ মামলা করেন। যেখানে নাজমুল হাসান সোহাগ ও ডিজিটাল অপরাধের অভিযোগে হাসান আল মামুনকে অভিযুক্ত করে গত ১০ জুন অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। সেই মামলাতেও নুরসহ চারজনেক অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সচিবালয়ে ২১ তলা ভবন নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দেয়নি একনেক

ধর্ষণের এক মামলা থেকে নুরসহ পাঁচজনকে অব্যাহতি

আপডেট সময় ০১:৪৮:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

লালবাগ থানায় হওয়া ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহযোগিতার মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদ্য সাবেক সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুরসহ পাঁচজনকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (০৩ নভেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী এই আদেশ দেন।

একইদিনে অভিযুক্ত একমাত্র আসামি ছাত্র অধিকার পরিষদের সাবেক সভাপতি হাসান আল মামুনের জামিন নামঞ্জুর করে আদেশ দেন আদালত।

এই মামলায় ধর্ষণের অভিযুক্ত একমাত্র আসামি হাসান আল মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের জন্য আগামী ৩০ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। অব্যাহতিপ্রাপ্ত দুই আসামি নাজমুল হুদা ও সাইফুল ইসলামের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম ও সিরাজুল ইসলাম।

হাসান আল মামুনের পক্ষে যোবায়ের আহমেদ জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন। সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর আলী আকবর জামিনের বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আদেশ দেন।

গত ১৭ জুন ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক (সাময়িক অব্যাহতিপ্রাপ্ত) হাসান আল মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন কর্মকর্তা লালবাগ থানার পরিদর্শক আসলাম উদ্দিন মোল্লা।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলা থেকে নুর ছাড়াও নাজমুল হাসান সোহাগ, সাইফুল ইসলাম, নাজমুল হুদা এবং আবদুল্লাহ হিল বাকীকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

সেই প্রতিবেদন গ্রহণ করে বুধবার নুরসহ পাঁচজনকে অব্যাহতি দিয়ে হাসান আল মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের জন্য ৩০ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।

২০২০ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাবির এক শিক্ষার্থী বাদী হয়ে লালবাগ থানায় ভিপি নুরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে এ মামলাটি করেন। এই মামলায় হাসান আল মামুনের ধর্ষণ ও অন্যদের বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহায়তা ও মেসেঞ্জারে কুৎসা রটানোর অভিযোগ আনা হয়।

একই বাদী ২০২০ সালের ২২ সেপ্টেম্বর কোতয়ালী থানায় আরেকটি ধর্ষণ মামলা করেন। যেখানে নাজমুল হাসান সোহাগ ও ডিজিটাল অপরাধের অভিযোগে হাসান আল মামুনকে অভিযুক্ত করে গত ১০ জুন অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। সেই মামলাতেও নুরসহ চারজনেক অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।