ঢাকা ০৩:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

গত ৩ বছরে প্রায় ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে: বিজিএমইএ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গত তিন বছরে প্রায় ৪০০টি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। এ ছাড়া আরও বহু কারখানা আর্থিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। এমন অবস্থায় আগামী জাতীয় বাজেটে সরকারের কাছে নীতি সহায়তা চেয়েছে বিজিএমইএ।

রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকালে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভবনে প্রাক বাজেট আলোচনা সভায় বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন। এনবিআর চেয়ারম্যান ছাড়াও বিকেএমইএ, বিটিএমএ, বিজিএপিএমইএ, বিজিবিএ’র শীর্ষ নেতারা সভাউপস্থিত ছিলেন।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, তৈরি পোশাক খাত বর্তমানে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। বৈশ্বিক মন্দা, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শুল্কের প্রভাবে রপ্তানি নিম্নমুখী। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারিতে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় মোট পোশাক রপ্তানি আয় ৩.৭৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। বিশেষভাবে ২০২৫ সালের আগস্ট থেকে রপ্তানি নিম্নমুখী, অর্থাৎ কারখানাগুলো পরিমিত সভায় ক্ষমতায় চলতে পারছে না, ফলে ফিক্সড কস্ট আনুপাতিক হারে বেড়েছে এবং অন্যান্য ব্যয় বেড়ে গেছে।

বিজিএমইএ’র প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে—পোশাক শিল্পের সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে নগদ সহায়তার ওপর ১০ শতাংশ হারে আয়কর কর্তন অব্যাহতি, রপ্তানির বিপরীতে উৎসে কর ১.০০ থেকে হ্রাস করে ০.৬৫ শতাংশ করা ও তা ৫ বছরের জন্য নির্ধারণ করা, সোলার পিভি সিস্টেমের কাঁচামালে শুল্ক সুবিধা দেওয়া এবং ইটিপিসহ একাধিক কাঁচামালে শুল্ক সুবিধা দেওয়া ইত্যাদি।

বিজিএমইএ জানায়, বর্তমানে ঋণের সুদের হার ১২%-১৫% এ পৌঁছেছে। পাশাপাশি জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধি ও জ্বালানি নিরাপত্তা সংকট রয়েছে। ২০১৭-২০২৩ সময়কালে গ্যাসের দাম ২৮৬ শতাংশ বৃদ্ধি, গত ৫ বছরে বিদ্যুতের দাম ৩৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালে ন্যূনতম মজুরি ৫৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট ৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ৯ শতাংশ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্দরের ট্যারিফ ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে, ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ধাপে ধাপে রপ্তানি প্রণোদনা গড়ে প্রায় ৬০ শতাংশ হ্রাস করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

গত ৩ বছরে প্রায় ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে: বিজিএমইএ

আপডেট সময় ০৫:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গত তিন বছরে প্রায় ৪০০টি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। এ ছাড়া আরও বহু কারখানা আর্থিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। এমন অবস্থায় আগামী জাতীয় বাজেটে সরকারের কাছে নীতি সহায়তা চেয়েছে বিজিএমইএ।

রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকালে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভবনে প্রাক বাজেট আলোচনা সভায় বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন। এনবিআর চেয়ারম্যান ছাড়াও বিকেএমইএ, বিটিএমএ, বিজিএপিএমইএ, বিজিবিএ’র শীর্ষ নেতারা সভাউপস্থিত ছিলেন।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, তৈরি পোশাক খাত বর্তমানে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। বৈশ্বিক মন্দা, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শুল্কের প্রভাবে রপ্তানি নিম্নমুখী। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারিতে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় মোট পোশাক রপ্তানি আয় ৩.৭৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। বিশেষভাবে ২০২৫ সালের আগস্ট থেকে রপ্তানি নিম্নমুখী, অর্থাৎ কারখানাগুলো পরিমিত সভায় ক্ষমতায় চলতে পারছে না, ফলে ফিক্সড কস্ট আনুপাতিক হারে বেড়েছে এবং অন্যান্য ব্যয় বেড়ে গেছে।

বিজিএমইএ’র প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে—পোশাক শিল্পের সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে নগদ সহায়তার ওপর ১০ শতাংশ হারে আয়কর কর্তন অব্যাহতি, রপ্তানির বিপরীতে উৎসে কর ১.০০ থেকে হ্রাস করে ০.৬৫ শতাংশ করা ও তা ৫ বছরের জন্য নির্ধারণ করা, সোলার পিভি সিস্টেমের কাঁচামালে শুল্ক সুবিধা দেওয়া এবং ইটিপিসহ একাধিক কাঁচামালে শুল্ক সুবিধা দেওয়া ইত্যাদি।

বিজিএমইএ জানায়, বর্তমানে ঋণের সুদের হার ১২%-১৫% এ পৌঁছেছে। পাশাপাশি জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধি ও জ্বালানি নিরাপত্তা সংকট রয়েছে। ২০১৭-২০২৩ সময়কালে গ্যাসের দাম ২৮৬ শতাংশ বৃদ্ধি, গত ৫ বছরে বিদ্যুতের দাম ৩৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালে ন্যূনতম মজুরি ৫৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট ৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ৯ শতাংশ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্দরের ট্যারিফ ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে, ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ধাপে ধাপে রপ্তানি প্রণোদনা গড়ে প্রায় ৬০ শতাংশ হ্রাস করা হয়েছে।