ঢাকা ০৯:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার: রাহুল গান্ধী ক্রীড়াঙ্গনে রাজনীতি আসা উচিত না: মির্জা ফখরুল এনসিপির গাড়িবহরে ছাত্রদলের হামলার অভিযোগ, সারজিসসহ আহত অনেকে মৃত্যুর চার দিন পর ঘর থেকে অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার, স্ত্রী আইসিইউতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তি তৈরি করেছিল বিএনপি: পানিসম্পদ মন্ত্রী চুক্তি না হলে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় বড় হামলার হুমকি ট্রাম্পের মাত্র ১২৫ টাকায় তদবির ছাড়া চাকরি পাওয়া গত ২০ বছরের ইতিহাসে বিরল: মীর হেলাল গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস মালয়েশিয়ার আমরা সবই করতে চাই, তবে আমাদের হাত-পা বাঁধা: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ভারত-আমেরিকার আধিপত্য মেনে নেব না: নাহিদ ইসলাম

ঘামের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পেতে জেনে নিন

নিজেকে পরিষ্কার রাখুন

প্রতিদিন অন্তত একবার গোসল করার চেষ্টা করুন। এর ফলে ত্বকের ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা কমবে।

ঘাম মূলত দুর্গন্ধহীন, কিন্তু যখন এর সাথে ত্বকের উপরের ব্যাকটেরিয়া মিশ্রিত হয় তখন তারা খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং সামান্য গন্ধের সৃষ্টি করে। তাই শরীরের যেসব স্থানে ঘাম হতে পারে সে স্থানগুলো ধুয়ে ফেললে দুর্গন্ধ হয়না। যদি আপনার ঘাম স্বাভাবিক পর্যায়ে থাকে তাহলে আপনার শরীরে দুর্গন্ধ হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে, যাদের ঘাম বেশি হয় তাদের তুলনায়। এর কারণ হচ্ছে, যাদের অনেক বেশি ঘাম হয় তাদের এই অতিরিক্ত ঘামের সাথে গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াও ধুয়ে চলে যায়।

* আক্রমণাত্মক খাবার বা পানীয় বর্জন করুন
আপনি যা খান তা আপনার শরীরের গন্ধকে প্রভাবিত করে। মরিচ এবং অন্য মসলাযুক্ত খাবার অনেক বেশি ঘাম সৃষ্টি করে। সুগন্ধি খাবার যেমন- পেঁয়াজ ও রসুন ও ঘাম তৈরিতে ও দুর্গন্ধ সৃষ্টিতে সাহায্য করে। ক্যাফেইন বা অ্যালকোহল গ্রহণ করলেও ঘামের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

* অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যবহার করা
ব্যাকটেরিয়ানাশক সাবান দিয়ে গোসল করলে ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা কমে এবং দুর্গন্ধও কমে। সাবান কেনার সময় প্যাকেটে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল শব্দটি আছে কিনা দেখে নিন।

* দিনে দুবার গোসল করুন
বগলের দুর্গন্ধ দূর করতে দিনে অনন্ত দুইবার গোসল করুন। গোসল করলে শরীরসহ বগলের দুর্গন্ধ দূর হবে। এ ছাড়া বগলসহ সারা শরীরে পাউডার মাখিয়ে নিতে পারেন।

* লেবুর রস ও বেকিং সোডা
বগলের দুর্গন্ধ দূর করতে লেবুর রস ও বেকিং সোডা বেশ কার্যকর। লেবুর রস ও বেকিং সোডা একসঙ্গে মিশিয়ে আন্ডার আর্মসে লাগিয়ে রাখুন। মিশ্রণটি শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। বেকিং সোডা ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে ভালো কাজ দেয়।

* লেবু ও মধু
লেবু ও মধুর একটি ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। মিশ্রণ বগলে লাগাতে পারেন। কিছুক্ষণ পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ঘাম কম হয়। দুর্গন্ধ হওয়ারও ভয় থাকে না।

* টি-ট্রি অয়েল
বগলের দুর্গন্ধ দূর করতে ভালো কাজ দেয় টি-ট্রি অয়েল। একটি বোতলে জল ও টি-ট্রি অয়েল একসঙ্গে মিশিয়ে রাখুন। প্রয়োজনে স্প্রে করে নিন।

* সিডার ভিনিগার
ডিওডোরেন্টের বদলে লাগাতে পারেন অ্যাপেল সিডার ভিনিগার। এটির ব্যবহারে ত্বকের pH মাত্রা কম হয় ও দুর্গন্ধ দূর হয়।

* তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন
গোসলের পর তোয়ালে দিয়ে ভালোভাবে শরীর মুছে নিন। ঘাম বেশি হয় যে স্থানগুলোতে সেগুলো খুব ভালো করে শুকিয়ে নেয়া উচিৎ। কারণ ত্বক শুষ্ক থাকলে দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধি করা কঠিন হয়ে পড়বে।

* শক্তিশালী ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করুন
আপনার শরীর পরিষ্কার ও শুষ্ক করে নেয়ার পর শক্তিশালী ডিওডোরেন্ট বা অ্যান্টিপারস্পাইরেন্ট ব্যবহার করুন বগলে। যদিও ডিওডোরেন্ট ঘামকে প্রতিহত করতে পারে না, তারা ত্বকের ব্যাকটেরিয়া সৃষ্ট গন্ধে মাস্ক পরাতে পারে। বাজারে শক্তিশালী ডিওডোরেন্ট বা অ্যান্টিপারস্পাইরেন্ট পাওয়া যায়। আপনি চাইলে এক্ষেত্রে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কিনতে পারেন।

 

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হেপাটাইটিসে মৃত্যুর শীর্ষ ১০ দেশের একটি বাংলাদেশ

ঘামের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পেতে জেনে নিন

আপডেট সময় ১১:২৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭

নিজেকে পরিষ্কার রাখুন

প্রতিদিন অন্তত একবার গোসল করার চেষ্টা করুন। এর ফলে ত্বকের ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা কমবে।

ঘাম মূলত দুর্গন্ধহীন, কিন্তু যখন এর সাথে ত্বকের উপরের ব্যাকটেরিয়া মিশ্রিত হয় তখন তারা খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং সামান্য গন্ধের সৃষ্টি করে। তাই শরীরের যেসব স্থানে ঘাম হতে পারে সে স্থানগুলো ধুয়ে ফেললে দুর্গন্ধ হয়না। যদি আপনার ঘাম স্বাভাবিক পর্যায়ে থাকে তাহলে আপনার শরীরে দুর্গন্ধ হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে, যাদের ঘাম বেশি হয় তাদের তুলনায়। এর কারণ হচ্ছে, যাদের অনেক বেশি ঘাম হয় তাদের এই অতিরিক্ত ঘামের সাথে গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াও ধুয়ে চলে যায়।

* আক্রমণাত্মক খাবার বা পানীয় বর্জন করুন
আপনি যা খান তা আপনার শরীরের গন্ধকে প্রভাবিত করে। মরিচ এবং অন্য মসলাযুক্ত খাবার অনেক বেশি ঘাম সৃষ্টি করে। সুগন্ধি খাবার যেমন- পেঁয়াজ ও রসুন ও ঘাম তৈরিতে ও দুর্গন্ধ সৃষ্টিতে সাহায্য করে। ক্যাফেইন বা অ্যালকোহল গ্রহণ করলেও ঘামের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

* অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যবহার করা
ব্যাকটেরিয়ানাশক সাবান দিয়ে গোসল করলে ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা কমে এবং দুর্গন্ধও কমে। সাবান কেনার সময় প্যাকেটে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল শব্দটি আছে কিনা দেখে নিন।

* দিনে দুবার গোসল করুন
বগলের দুর্গন্ধ দূর করতে দিনে অনন্ত দুইবার গোসল করুন। গোসল করলে শরীরসহ বগলের দুর্গন্ধ দূর হবে। এ ছাড়া বগলসহ সারা শরীরে পাউডার মাখিয়ে নিতে পারেন।

* লেবুর রস ও বেকিং সোডা
বগলের দুর্গন্ধ দূর করতে লেবুর রস ও বেকিং সোডা বেশ কার্যকর। লেবুর রস ও বেকিং সোডা একসঙ্গে মিশিয়ে আন্ডার আর্মসে লাগিয়ে রাখুন। মিশ্রণটি শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। বেকিং সোডা ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে ভালো কাজ দেয়।

* লেবু ও মধু
লেবু ও মধুর একটি ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। মিশ্রণ বগলে লাগাতে পারেন। কিছুক্ষণ পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ঘাম কম হয়। দুর্গন্ধ হওয়ারও ভয় থাকে না।

* টি-ট্রি অয়েল
বগলের দুর্গন্ধ দূর করতে ভালো কাজ দেয় টি-ট্রি অয়েল। একটি বোতলে জল ও টি-ট্রি অয়েল একসঙ্গে মিশিয়ে রাখুন। প্রয়োজনে স্প্রে করে নিন।

* সিডার ভিনিগার
ডিওডোরেন্টের বদলে লাগাতে পারেন অ্যাপেল সিডার ভিনিগার। এটির ব্যবহারে ত্বকের pH মাত্রা কম হয় ও দুর্গন্ধ দূর হয়।

* তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন
গোসলের পর তোয়ালে দিয়ে ভালোভাবে শরীর মুছে নিন। ঘাম বেশি হয় যে স্থানগুলোতে সেগুলো খুব ভালো করে শুকিয়ে নেয়া উচিৎ। কারণ ত্বক শুষ্ক থাকলে দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধি করা কঠিন হয়ে পড়বে।

* শক্তিশালী ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করুন
আপনার শরীর পরিষ্কার ও শুষ্ক করে নেয়ার পর শক্তিশালী ডিওডোরেন্ট বা অ্যান্টিপারস্পাইরেন্ট ব্যবহার করুন বগলে। যদিও ডিওডোরেন্ট ঘামকে প্রতিহত করতে পারে না, তারা ত্বকের ব্যাকটেরিয়া সৃষ্ট গন্ধে মাস্ক পরাতে পারে। বাজারে শক্তিশালী ডিওডোরেন্ট বা অ্যান্টিপারস্পাইরেন্ট পাওয়া যায়। আপনি চাইলে এক্ষেত্রে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কিনতে পারেন।