ঢাকা ০৫:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে,সতর্ক থাকার আহ্বান : মির্জা আব্বাস আবারও ঢাকায় শিক্ষার্থীদের অবরোধ, মানুষের ভোগান্তি ‘আগামীতে যারা ক্ষমতায় যাবেন তারা যেন প্রবাসীদের নিয়ে কাজ করেন’:নজরুল ইসলাম নির্বাচনে কোনও ব্যাঘাত ঘটলে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বিঘ্নিত হবে: শামসুজ্জামান দুদু নাজমুলের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ক্রিকেটাররা, মাঠে যাননি কেউ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে হামলা হতে পারে: রয়টার্স আওয়ামী লীগ ভুল স্বীকার করলে রিকনসিলিয়েশন সম্ভব: প্রধান উপদেষ্টা নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত

কার্ডে লেনদেনের চার্জ নির্ধারণ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচের (এনপিএসবি) আওতায় এক ব্যাংকের গ্রাহক অন্য ব্যাংকের অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম) ব্যবহার করে টাকা উত্তোলন করলে দিতে হবে ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ। এই ২০ টাকার ১৫ টাকা চার্জ করা হবে গ্রাহকের কাছ থেকে, বাকি ৫ টাকা কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংক দেবে।

তবে এক ব্যাংকের গ্রাহকরা অন্য ব্যাংকের এটিএম বুথ ব্যবহার করে টাকা জমা দিলে ২০ টাকা খরচ হবে, যার পুরোটাই কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংককে দিতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, এটিএম বুথে গিয়ে কার্ডের স্থিতি জানা, ক্ষুদে বিবরণীর জন্য বর্তমানের মতোই গ্রাহকের কাছ থেকে ৫ টাকা ফি নেওয়া যাবে। পাশাপাশি এটিএম থেকে তহবিল স্থানান্তরে কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংক থেকে সর্বোচ্চ ১০ টাকা সার্ভিস চার্জ আদায় করতে পারবে এটিএম সরবরাহকারী ব্যাংক। দেশের ভেতরে পয়েন্ট অব সেলস (পস) মেশিন ব্যবহার করে নগদ টাকা তুললে প্রতি লেনদেনে গ্রাহকের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ২০ টাকা চার্জ নেওয়া যাবে।

এক ব্যাংকের গ্রাহক অন্য ব্যাংকের পয়েন্ট অব সেল ব্যবহার করে মার্চেন্ট পেমেন্টের ক্ষেত্রে মার্চেন্ট থেকে মোট লেনদেনের ন্যূনতম ১.৬০ শতাংশ ডিসকাউন্ট বাবদ আদায় করবে। এর ১.১০ শতাংশ বিনিময় ফি হিসেবে কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংক দেবে।

এক ব্যাংক থেকে আরেক ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং তহবিল স্থানান্তরে লেনদেন প্রতি গ্রাহকের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ১০ টাকা এবং বাংলা কিউআরে মার্চেন্ট থেকে মোট লেনদেনের শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ চার্জ কাটা যাবে। এর মধ্যে শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ বিনিময় চার্জ বাবদ কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংককে দিতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে,সতর্ক থাকার আহ্বান : মির্জা আব্বাস

কার্ডে লেনদেনের চার্জ নির্ধারণ

আপডেট সময় ০৫:২২:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচের (এনপিএসবি) আওতায় এক ব্যাংকের গ্রাহক অন্য ব্যাংকের অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম) ব্যবহার করে টাকা উত্তোলন করলে দিতে হবে ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ। এই ২০ টাকার ১৫ টাকা চার্জ করা হবে গ্রাহকের কাছ থেকে, বাকি ৫ টাকা কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংক দেবে।

তবে এক ব্যাংকের গ্রাহকরা অন্য ব্যাংকের এটিএম বুথ ব্যবহার করে টাকা জমা দিলে ২০ টাকা খরচ হবে, যার পুরোটাই কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংককে দিতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, এটিএম বুথে গিয়ে কার্ডের স্থিতি জানা, ক্ষুদে বিবরণীর জন্য বর্তমানের মতোই গ্রাহকের কাছ থেকে ৫ টাকা ফি নেওয়া যাবে। পাশাপাশি এটিএম থেকে তহবিল স্থানান্তরে কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংক থেকে সর্বোচ্চ ১০ টাকা সার্ভিস চার্জ আদায় করতে পারবে এটিএম সরবরাহকারী ব্যাংক। দেশের ভেতরে পয়েন্ট অব সেলস (পস) মেশিন ব্যবহার করে নগদ টাকা তুললে প্রতি লেনদেনে গ্রাহকের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ২০ টাকা চার্জ নেওয়া যাবে।

এক ব্যাংকের গ্রাহক অন্য ব্যাংকের পয়েন্ট অব সেল ব্যবহার করে মার্চেন্ট পেমেন্টের ক্ষেত্রে মার্চেন্ট থেকে মোট লেনদেনের ন্যূনতম ১.৬০ শতাংশ ডিসকাউন্ট বাবদ আদায় করবে। এর ১.১০ শতাংশ বিনিময় ফি হিসেবে কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংক দেবে।

এক ব্যাংক থেকে আরেক ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং তহবিল স্থানান্তরে লেনদেন প্রতি গ্রাহকের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ১০ টাকা এবং বাংলা কিউআরে মার্চেন্ট থেকে মোট লেনদেনের শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ চার্জ কাটা যাবে। এর মধ্যে শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ বিনিময় চার্জ বাবদ কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংককে দিতে হবে।