ঢাকা ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট পরীক্ষা স্থগিত পরিকল্পিতভাবে উত্তরাঞ্চলে বড় উন্নয়ন বাজেট কমানো হয়েছে: নাহিদ ইসলাম আবু সাঈদের স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করুন,সরকারকে গোলাম পরওয়ার হাসিনার আত্মসমর্পণের সুযোগ নেই, আসলেই গ্রেফতার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হঠাৎ অসুস্থ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকার দলীয় এমপিরা ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন আদেশ লঙ্ঘন করেছেন: আইনজীবী শিশির জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ বাঁচার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী

নির্বাচন অবশ্যই অবাধ নিরপেক্ষ হবে: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতার হত্যার পর নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়েছে। যারা অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসেছেন, তারাই নির্বাচন প্রক্রিয়াটাকে ধ্বংস করেন। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন এখন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। নির্বাচন অবশ্যই অবাধ নিরপেক্ষ হবে। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকবে নির্বাচন কমিশন। তারাই সব করবে। ভয়েস অব আমেরিকাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আমরা দিনের পর দিন আন্দোলন-সংগ্রাম করে গণতান্ত্রিক ধারাটা আবার ফিরিয়ে এনেছি। আজ নির্বাচন যত সুষ্ঠু হচ্ছে, মানুষ ভোট দিতে পারছে- এটা আমাদের অবদান। মানুষ তার পছন্দমতো লোককেই নির্বাচন করবে। আমরা সেটাই চাই। নির্বাচন প্রক্রিয়া আমরাই উন্নতি করেছি।

আগামী নির্বাচন সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা যে কাজ করেছি, তাতে যদি জনগণ খুশি হয় ভোট দেবে, না হলে দেবে না। যা দেবে তাই আমরা মেনে নেব। নির্বাচন কমিশন এখন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। নির্বাচন অবশ্যই অবাধ নিরপেক্ষ হবে। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকবে নির্বাচন কমিশন। তারাই সব করবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সরকারের আমলে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে, প্রত্যেকটি অবাধ, নিরপেক্ষ এবং সুষ্ঠু হয়েছে। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেতো বিএনপির প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন যদি আমাদের আমলে নাই হতো, তাহলে কি বিএনপি জিততে পারত? বিএনপির আমলে কি কেউ জিতেছে?

সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের যেন মিয়ানমার সরকার ফিরিয়ে নিয়ে যথাযথ নিরাপত্তা দিয়ে রাখে সেই বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে তাদের পরামর্শ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমার কথাটা স্পষ্ট, যারা মিয়ানমার থেকে এসেছে তাদেরকে সসম্মানে ফিরিয়ে নিতে হবে। তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং তারা যেন ভালোভাবে ফিরে যেতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে।

আন্তর্জাতিকভাবে মিয়ানমার সরকারের ওপর যেন সেই চাপটা দেয়া হয়, যেন তারা তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিয়ে যায়। এটাই হচ্ছে মূলত আমার কথা।

জাতিসংঘে গিয়ে অনেকের সঙ্গে কথা বলেছেন, দেখা হয়েছে- কাদের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বেশি সমর্থন পাচ্ছেন এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি প্রত্যেকের কাছ থেকেই ভালো সমর্থন পেয়েছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট পরীক্ষা স্থগিত

নির্বাচন অবশ্যই অবাধ নিরপেক্ষ হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:৪১:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতার হত্যার পর নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়েছে। যারা অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসেছেন, তারাই নির্বাচন প্রক্রিয়াটাকে ধ্বংস করেন। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন এখন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। নির্বাচন অবশ্যই অবাধ নিরপেক্ষ হবে। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকবে নির্বাচন কমিশন। তারাই সব করবে। ভয়েস অব আমেরিকাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আমরা দিনের পর দিন আন্দোলন-সংগ্রাম করে গণতান্ত্রিক ধারাটা আবার ফিরিয়ে এনেছি। আজ নির্বাচন যত সুষ্ঠু হচ্ছে, মানুষ ভোট দিতে পারছে- এটা আমাদের অবদান। মানুষ তার পছন্দমতো লোককেই নির্বাচন করবে। আমরা সেটাই চাই। নির্বাচন প্রক্রিয়া আমরাই উন্নতি করেছি।

আগামী নির্বাচন সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা যে কাজ করেছি, তাতে যদি জনগণ খুশি হয় ভোট দেবে, না হলে দেবে না। যা দেবে তাই আমরা মেনে নেব। নির্বাচন কমিশন এখন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। নির্বাচন অবশ্যই অবাধ নিরপেক্ষ হবে। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকবে নির্বাচন কমিশন। তারাই সব করবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সরকারের আমলে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে, প্রত্যেকটি অবাধ, নিরপেক্ষ এবং সুষ্ঠু হয়েছে। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেতো বিএনপির প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন যদি আমাদের আমলে নাই হতো, তাহলে কি বিএনপি জিততে পারত? বিএনপির আমলে কি কেউ জিতেছে?

সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের যেন মিয়ানমার সরকার ফিরিয়ে নিয়ে যথাযথ নিরাপত্তা দিয়ে রাখে সেই বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে তাদের পরামর্শ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমার কথাটা স্পষ্ট, যারা মিয়ানমার থেকে এসেছে তাদেরকে সসম্মানে ফিরিয়ে নিতে হবে। তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং তারা যেন ভালোভাবে ফিরে যেতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে।

আন্তর্জাতিকভাবে মিয়ানমার সরকারের ওপর যেন সেই চাপটা দেয়া হয়, যেন তারা তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিয়ে যায়। এটাই হচ্ছে মূলত আমার কথা।

জাতিসংঘে গিয়ে অনেকের সঙ্গে কথা বলেছেন, দেখা হয়েছে- কাদের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বেশি সমর্থন পাচ্ছেন এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি প্রত্যেকের কাছ থেকেই ভালো সমর্থন পেয়েছি।