ঢাকা ০৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেল শিশু, চলছে উদ্ধার চেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে বাবা বানিয়ে বিসিএস ক্যাডার, সিনিয়র সহকারী সচিব কারাগারে সব মাদ্রাসা শিক্ষকদের জন্য অধিদপ্তরের জরুরি নির্দেশনা কূটনীতিকদের পরিবারের নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা জানায়নি ভারত: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বিজয়ী হলে ঢাকা-১৩ আসনে কোনো ‘ক্রাইম জোন’ থাকবে না: মামুনুল হক উত্তরায় কাঁচাবাজারে অগ্নিকাণ্ড ‘আওয়ামী লীগের নিরপরাধ সমর্থনকারীদের পাশে থাকবে বিএনপি’: মির্জা ফখরুল ঢাকাসহ তিন জেলায় নামছে ৩৮ প্লাটুন বিজিবি নির্বাচিত হলে নাগরিক সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি ইশরাকের নির্বাচিত হলে এক মাসের মধ্যে কুমিল্লাকে বিভাগ করা হবে প্রতিশ্রুতি আসিফ মাহমুদের

তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি পূর্ণাঙ্গ সমাধান নয়: জিএম কাদের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের এমপি বলেছেন, অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি কোনো পূর্ণাঙ্গ সমাধান নয়। এই পদ্ধতি দীর্ঘমেয়াদি কোনো সমাধানও নয়। তাই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সংবিধানের আলোকে নির্বাচন কমিশন গঠন আইন করতে হবে। সংবিধান অনুযায়ী দেশের সব বিভাগ নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকবে। আইন অনুযায়ী নিরপেক্ষ মানুষদের নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন হলে দেশের মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত হবে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের কার্যালয় মিলনায়তনে জাতীয় প্রাক্তন সৈনিক পার্টির পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

জিএম কাদের বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন করলে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন দলীয় সরকারের অধীনেই হবে। তাই আইন করে নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী করতে পারলে সব নির্বাচনব্যবস্থার স্থায়ী সমাধান হবে।

তিনি বলেন, দেশের রাজনীতিতে বিরাজনীতিকরণ চলছে। এভাবে চলতে থাকলে রাজনৈতিক দলগুলো হবে নাম ও সাইনবোর্ডসর্বস্ব শক্তি। নির্বাচনে বিরোধী শিবিরের প্রার্থীরা টিকতে না পারলে রাজনৈতিক দলগুলো অস্তিত্বশূন্য হয়ে পড়বে।

জিএম কাদের বলেন, সংবিধান ও গণতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচনের মাধ্যমেই জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবে। নির্বাচনের মাধ্যমেই সরকার পরিবর্তন হবে। কিন্তু সরকার ও প্রশাসনের চাপে নির্বাচনে টিকতে না পেরে দলগুলো সমর্থকহীন হয়ে পড়ছে। দেশের মানুষও ভোটের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। এতে বহুদলীয় গণতন্ত্র বিকশিত হতে পারে না। বিরাজনীতিকরণ দেশ ও মানুষের জন্য কখনোই কল্যাণকর হতে পারে না। নির্বাচন কমিশনের প্যারালালভাবে সরকার ক্ষমতা প্রয়োগ করলে নির্বাচন কমিশন কখনো সঠিকভাবে কাজ করতে পারবে না। তাই নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়নের বিকল্প নেই।

সভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. জে. (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এমপি, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া প্রমুখ। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রাক্তন সৈনিক পার্টির সভাপতি জয়নাল আবেদীন। সঞ্চালনায় ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন সরকার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেল শিশু, চলছে উদ্ধার চেষ্টা

তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি পূর্ণাঙ্গ সমাধান নয়: জিএম কাদের

আপডেট সময় ১০:৫২:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের এমপি বলেছেন, অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি কোনো পূর্ণাঙ্গ সমাধান নয়। এই পদ্ধতি দীর্ঘমেয়াদি কোনো সমাধানও নয়। তাই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সংবিধানের আলোকে নির্বাচন কমিশন গঠন আইন করতে হবে। সংবিধান অনুযায়ী দেশের সব বিভাগ নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকবে। আইন অনুযায়ী নিরপেক্ষ মানুষদের নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন হলে দেশের মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত হবে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের কার্যালয় মিলনায়তনে জাতীয় প্রাক্তন সৈনিক পার্টির পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

জিএম কাদের বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন করলে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন দলীয় সরকারের অধীনেই হবে। তাই আইন করে নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী করতে পারলে সব নির্বাচনব্যবস্থার স্থায়ী সমাধান হবে।

তিনি বলেন, দেশের রাজনীতিতে বিরাজনীতিকরণ চলছে। এভাবে চলতে থাকলে রাজনৈতিক দলগুলো হবে নাম ও সাইনবোর্ডসর্বস্ব শক্তি। নির্বাচনে বিরোধী শিবিরের প্রার্থীরা টিকতে না পারলে রাজনৈতিক দলগুলো অস্তিত্বশূন্য হয়ে পড়বে।

জিএম কাদের বলেন, সংবিধান ও গণতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচনের মাধ্যমেই জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবে। নির্বাচনের মাধ্যমেই সরকার পরিবর্তন হবে। কিন্তু সরকার ও প্রশাসনের চাপে নির্বাচনে টিকতে না পেরে দলগুলো সমর্থকহীন হয়ে পড়ছে। দেশের মানুষও ভোটের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। এতে বহুদলীয় গণতন্ত্র বিকশিত হতে পারে না। বিরাজনীতিকরণ দেশ ও মানুষের জন্য কখনোই কল্যাণকর হতে পারে না। নির্বাচন কমিশনের প্যারালালভাবে সরকার ক্ষমতা প্রয়োগ করলে নির্বাচন কমিশন কখনো সঠিকভাবে কাজ করতে পারবে না। তাই নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়নের বিকল্প নেই।

সভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. জে. (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এমপি, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া প্রমুখ। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রাক্তন সৈনিক পার্টির সভাপতি জয়নাল আবেদীন। সঞ্চালনায় ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন সরকার।