ঢাকা ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা

নুরুল হুদার মতো আরেকজনকে খুঁজছে সরকার: রিজভী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে কে এম নুরুল হুদার মতো আরেকজনকে সরকার খুঁজতে শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে গণতন্ত্র ফোরামের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

নির্বাচন কমিশন গঠন প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ‘আইনই তো নাই। যারা নির্বাচন নিয়ে লেখালেখি করছেন, যারা গবেষণা করছেন, তাদের গবেষণা থেকে আমরা দেখছি, ৫০ বছরে এই আইন তৈরিই হয়নি। রাষ্ট্রপতিই রাষ্ট্রের অভিভাবক, তিনি নিরপেক্ষ থাকবেন। কিন্তু তিনি কি তা পারছেন?’

রিজভী বলেন, ‘আমরা কদিন আগে দেখলাম, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সারসংক্ষেপ পাঠিয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর কাছে। আর সংবিধান বলছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দেবেন। তাহলে সারসংক্ষেপ তো রাষ্ট্রপতির কাছে দেওয়ার কথা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী এতই ক্ষমতাশালী যে, রাষ্ট্রের সব ক্ষমতার ওপরেই তার হস্তক্ষেপ। বাংলাদেশের আমলাতন্ত্র ও প্রশাসন প্রধানমন্ত্রীকে বাদ দিয়ে কোনো কাজ করতে পারে? করতে পারেই না। অথচ ওবায়দুল কাদের ও হাছান মাহমুদ সাহেবরা বলেন, নির্বাচন কমিশনার আইন অনুযায়ী নিয়োগ হবে। আইনই যেখানে নেই, সেখানে আইন অনুযায়ী হবে কীভাবে? এ থেকেই সরকারের উদ্দেশ্যটা বোঝা যায়।’

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ও নিজেই একটি স্বাধীন সত্তা। সেই স্বাধীন সত্তার যে ক্ষমতা, অথচ প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা নিজেই আত্মসমর্পণ করতে চান। এ ধরনের নুরুল হুদাদেরই খুঁজে আনতে চান আপনারা। এজন্য নানা ধরনের কথাবার্তা বলছেন। কারণ, নিশিরাতে প্রতিদ্বন্দ্বিহীন নির্বাচন জায়েজ করবে কে? এজন্য নুরুল হুদাকে আপনাদের খুব বেশি প্রয়োজন।’

বাংলাদেশ ব্যাংককে সরকার সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে অভিযোগ করে রিজভী বলেন, ‘সাংবাদিকরা কয় টাকা বেতন পান? বাংলাদেশ ব্যাংককে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে। অনেকের মাস গেলে খাওয়ার পয়সা থাকে না, অথচ তাদের চেক করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। সামনে নির্বাচন আসছে। এই নির্বাচন নিয়ে সরকার নানা ধরনের অরাজকতা করবে। অপতৎপরতা চালাবে। এসব নিয়ে যেন সাংবাদিকরা না লেখেন, যেন সংবাদ প্রচার না করেন। এজন্যই বাংলাদেশ ব্যাংককে রাষ্ট্রীয় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। অর্থাৎ- অবরুদ্ধ থাক, কথা বলো না, কণ্ঠস্বর নিচু রাখো।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাসদ কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার ২৭ জনের জামিন আবেদন নাকচ

নুরুল হুদার মতো আরেকজনকে খুঁজছে সরকার: রিজভী

আপডেট সময় ১১:৩৬:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে কে এম নুরুল হুদার মতো আরেকজনকে সরকার খুঁজতে শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে গণতন্ত্র ফোরামের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

নির্বাচন কমিশন গঠন প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ‘আইনই তো নাই। যারা নির্বাচন নিয়ে লেখালেখি করছেন, যারা গবেষণা করছেন, তাদের গবেষণা থেকে আমরা দেখছি, ৫০ বছরে এই আইন তৈরিই হয়নি। রাষ্ট্রপতিই রাষ্ট্রের অভিভাবক, তিনি নিরপেক্ষ থাকবেন। কিন্তু তিনি কি তা পারছেন?’

রিজভী বলেন, ‘আমরা কদিন আগে দেখলাম, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সারসংক্ষেপ পাঠিয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর কাছে। আর সংবিধান বলছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দেবেন। তাহলে সারসংক্ষেপ তো রাষ্ট্রপতির কাছে দেওয়ার কথা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী এতই ক্ষমতাশালী যে, রাষ্ট্রের সব ক্ষমতার ওপরেই তার হস্তক্ষেপ। বাংলাদেশের আমলাতন্ত্র ও প্রশাসন প্রধানমন্ত্রীকে বাদ দিয়ে কোনো কাজ করতে পারে? করতে পারেই না। অথচ ওবায়দুল কাদের ও হাছান মাহমুদ সাহেবরা বলেন, নির্বাচন কমিশনার আইন অনুযায়ী নিয়োগ হবে। আইনই যেখানে নেই, সেখানে আইন অনুযায়ী হবে কীভাবে? এ থেকেই সরকারের উদ্দেশ্যটা বোঝা যায়।’

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ও নিজেই একটি স্বাধীন সত্তা। সেই স্বাধীন সত্তার যে ক্ষমতা, অথচ প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা নিজেই আত্মসমর্পণ করতে চান। এ ধরনের নুরুল হুদাদেরই খুঁজে আনতে চান আপনারা। এজন্য নানা ধরনের কথাবার্তা বলছেন। কারণ, নিশিরাতে প্রতিদ্বন্দ্বিহীন নির্বাচন জায়েজ করবে কে? এজন্য নুরুল হুদাকে আপনাদের খুব বেশি প্রয়োজন।’

বাংলাদেশ ব্যাংককে সরকার সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে অভিযোগ করে রিজভী বলেন, ‘সাংবাদিকরা কয় টাকা বেতন পান? বাংলাদেশ ব্যাংককে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে। অনেকের মাস গেলে খাওয়ার পয়সা থাকে না, অথচ তাদের চেক করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। সামনে নির্বাচন আসছে। এই নির্বাচন নিয়ে সরকার নানা ধরনের অরাজকতা করবে। অপতৎপরতা চালাবে। এসব নিয়ে যেন সাংবাদিকরা না লেখেন, যেন সংবাদ প্রচার না করেন। এজন্যই বাংলাদেশ ব্যাংককে রাষ্ট্রীয় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। অর্থাৎ- অবরুদ্ধ থাক, কথা বলো না, কণ্ঠস্বর নিচু রাখো।’