ঢাকা ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে নাসীরুদ্দীনের ক্রমাগত মিথ্যাচার ভাইরাল হওয়ার কৌশল: মাহদী আমিন আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল, বের হয়েছি ইসলামের কল্যাণে: রেজাউল করীম ‘যারা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে, তারা বেঈমান’:আজহারুল ইসলাম ১২ ফেব্রুয়ারি রাজনীতির চেহারা পাল্টে দিতে পারে: রুমিন ফারহানা তারেক রহমানের ওপর বিশ্বাসে করে দেখেন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ ঠকবে না: পার্থ নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না: ইসি আনোয়ারুল রাষ্ট্র পরিচালানার জন্য অভিজ্ঞতার দরকার আছে: নজরুল ইসলাম একটি দল ‘স্বৈরাচারী ভাষায়’ বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে: তারেক রহমান নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখবে: আইজিপি

তুরস্ক এখনও কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা দিতে চায়

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

এখনও কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা দিতে চায় তুরস্ক। বুধবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান এই আগ্রহের কথা জানিয়েছেন।

গত রোববার তালেবান কাবুল দখলের আগেও তুরস্ক ‘হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর’ এর নিরাপত্তা দেওয়ার কথা জানিয়েছিল। তবে তালেবান বিমানবন্দরে নিরাপত্তা দিতে তুরস্কের প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়েছিল।

আফগানিস্তানে কর্মরত পশ্চিমা কূটনীতিক ও কর্মীদেরকে নিরাপদে দেশটি থেকে বের করে নেওয়ার প্রধান রুট হচ্ছে কাবুল বিমানবন্দর। কাবুলে কূটনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু রাখার জন্য এই বিমানবন্দরের সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি।

এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকার এরদোগান বলেন, বিমানবন্দরের নিরপত্তা দিতে আমরা এখনও প্রস্তুত। তিনি বলেন, আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ তালেবানের হাতে যাওয়ায় আমাদের সামনে নতুন ছবি ভেসে উঠছে। এই নতুন বাস্তবতার আলোকে তুরস্ক নতুন পরিকল্পনা করছে। এর জন্য তালেবান নেতৃত্বের সঙ্গে তিনি আলোচনায় বসতে প্রস্তুত বলেও মন্তব্য করেন।

এরদোগান বলেন, যেকোনো সহযোগিতার জন্য আমরা প্রস্তুত। তবে তারা (তালেবান নেতারা) তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে খুবই সংবেদনশীল।

সমগ্র আফগানিস্তান দখলের পর তালেবান বহিরাগত দেশের হাতে কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ছেড়ে দেবে কী না তা বলা যাচ্ছে না।

তালেবান কাবুল দখলের পর রাজধানী শহরের বিমানবন্দরটিতে বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। হাজার হাজার আফগান দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বিমানবন্দরে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। এখন পর্যন্ত বিমানবন্দরটির বিভিন্ন গেটে ভিড় করছে শত শত মানুষ। অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা এখন পর্যন্ত কাবুল বিমানবন্দর রক্ষণাবেক্ষণ করছেন। বৃহস্পতিবার বাইডেন বলেছেন, আমেরিকার সকল নাগরিক আফগানিস্তান থেকে বের না হওয়া পর্যন্ত তাদের সেনারা কাবুলে থাকবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না

তুরস্ক এখনও কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা দিতে চায়

আপডেট সময় ০৮:৫৯:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অগাস্ট ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

এখনও কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা দিতে চায় তুরস্ক। বুধবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান এই আগ্রহের কথা জানিয়েছেন।

গত রোববার তালেবান কাবুল দখলের আগেও তুরস্ক ‘হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর’ এর নিরাপত্তা দেওয়ার কথা জানিয়েছিল। তবে তালেবান বিমানবন্দরে নিরাপত্তা দিতে তুরস্কের প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়েছিল।

আফগানিস্তানে কর্মরত পশ্চিমা কূটনীতিক ও কর্মীদেরকে নিরাপদে দেশটি থেকে বের করে নেওয়ার প্রধান রুট হচ্ছে কাবুল বিমানবন্দর। কাবুলে কূটনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু রাখার জন্য এই বিমানবন্দরের সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি।

এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকার এরদোগান বলেন, বিমানবন্দরের নিরপত্তা দিতে আমরা এখনও প্রস্তুত। তিনি বলেন, আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ তালেবানের হাতে যাওয়ায় আমাদের সামনে নতুন ছবি ভেসে উঠছে। এই নতুন বাস্তবতার আলোকে তুরস্ক নতুন পরিকল্পনা করছে। এর জন্য তালেবান নেতৃত্বের সঙ্গে তিনি আলোচনায় বসতে প্রস্তুত বলেও মন্তব্য করেন।

এরদোগান বলেন, যেকোনো সহযোগিতার জন্য আমরা প্রস্তুত। তবে তারা (তালেবান নেতারা) তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে খুবই সংবেদনশীল।

সমগ্র আফগানিস্তান দখলের পর তালেবান বহিরাগত দেশের হাতে কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ছেড়ে দেবে কী না তা বলা যাচ্ছে না।

তালেবান কাবুল দখলের পর রাজধানী শহরের বিমানবন্দরটিতে বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। হাজার হাজার আফগান দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বিমানবন্দরে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। এখন পর্যন্ত বিমানবন্দরটির বিভিন্ন গেটে ভিড় করছে শত শত মানুষ। অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা এখন পর্যন্ত কাবুল বিমানবন্দর রক্ষণাবেক্ষণ করছেন। বৃহস্পতিবার বাইডেন বলেছেন, আমেরিকার সকল নাগরিক আফগানিস্তান থেকে বের না হওয়া পর্যন্ত তাদের সেনারা কাবুলে থাকবেন।