আকাশ বিনোদন ডেস্ক :
ওপার বাংলার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি টলিউডে কিছুদিন ধরে রাজনৈতিক দলবদলের হাওয়া। গত মার্চ-এপ্রিলে অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচন শেষ হওয়ার পর থেকেই এমনটা হয়ে আসছে। কেউ সরে যাচ্ছেন রাজনীতির ময়দান থেকে, কেউ দলবদলের পথে হাঁটছেন, কেউ কেউ আবার রয়েছেন দোলাচলে। এই তালিকায় অন্যতম নাম অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়।
গত ১৩ আগস্ট ছিল এই নায়িকার জন্মদিন। বিশেষ এ দিনে তাকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই শুভেচ্ছা পত্র ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করে শ্রাবন্তী লেখেন, এটাই তার জন্মদিনের সেরা উপহার। সেখান থেকেই জল্পনা শুরু, তবে কি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন অভিনেত্রী?
বিষয়টি নিয়ে শ্রাবন্তী গণমাধ্যমকে জানান, ‘ভবিষ্যতে কী হবে তা কেউ বলতে পারে না। ভবিষ্যৎ আমি জানি না। মুখ্যমন্ত্রী আমাকে প্রতি বছরই জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান। দিদির শুভেচ্ছা আর আশীর্বাদ আমার চলার পথের পাথেয়।’ অর্থাৎ, সরাসরি দলবদলের কথা না বললেও ভবিষ্যতে দলবদল করতে পারেন, সে কথাও অস্বীকার করেননি অভিনেত্রী।
গত মার্চে বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে বিজেপিতে যোগ দেন শ্রাবন্তী। তার আগে তৃণমূলের বিভিন্ন মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দেখা গেছে তাকে। তাই শ্রাবন্তীর হঠাৎ বিজেপিতে যোগদান কিছুটা অবাকই করেছিল সবাইকে। এরপর বেহালা পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী হিসাবে ভোটে দাঁড়ান অভিনেত্রী। তবে তৃণমূল প্রার্থী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে বিপুল ভোটে হেরে যান।
কিন্তু পরাজিত হওয়ার পরও বেহালাবাসীর পাশেই থাকতে চান বলে জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী। এরই মাঝে মুখ্যমন্ত্রী মমতার শুভেচ্ছাবার্তাকে জন্মদিনের সেরা উপহার আখ্যা দিয়ে এবং তার অনিশ্চিত রাজনৈতিক ভবিষ্যতের কথা বলে, তৃণমূলে যোগদানের বিতর্ক নিজেই উসকে দিয়েছেন শ্রাবন্তী। এখন ভবিষ্যতে কী হয়, সেটাই দেখার।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























