ঢাকা ০৯:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করল আর্মেনিয়া

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফের যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করল আর্মেনিয়া। দেশটির সেনাবাহিনী যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে প্রতিবেশি আজারবাইজান সীমান্তে গুলি চালিয়েছে।

বৃহস্পতিবার আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের বরাতে তুরস্কভিত্তিক আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, বুধবারের শেষ মুহূর্তে আর্মেনিয়ার সেনারা বাসরকেচর এলাকার যুখারি শরজা গ্রামে অবস্থান নিয়ে অ্যাসাল্ট রাইফেল এবং গ্রেনেড লঞ্চার ব্যবহার করে আজারবাইজানের জেইলিক গ্রামে হামলা করে।

আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, আজারবাইজানের গ্রাম লক্ষ্য করে ১০-১২টি এফ-১ হ্যান্ড গ্রেনেড ছোড়ে আর্মেনিয়া। এরপর আজারবাইজানের সেনাবাহিনী হামলার জবাব দেয়।

এর আগে বুধবার আজারবাইজানের হামলায় আর্মেনিয়ার তিন সেনা নিহত হয়। আর্মেনিয়ার দাবি, আজেরি বাহিনী আকস্মিক তাদের সেনাদের ওপর হামলা চালায়।

একই দিন আজারবাইজানও পাল্টা অভিযোগ তোলে আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে। বাকুর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, বুধবার কেলবাজার সীমান্তে সেনাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় আর্মেনীয় বাহিনী। এতে তাদের দুই সদস্য আহত হন।

নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে অনেক বছর ধরে বৈরী সম্পর্ক আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে। পার্বত্য নাগোর্নো-কারাবাখ ১৯৯০ এর দশকে আজারবাইজানের অংশ ছিল। তবে অঞ্চলটিতে আর্মেনিয়ার নৃগোষ্ঠীরা বসবাস করে। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে এক যুদ্ধে আর্মেনিয়ার সহায়তায় বিচ্ছিন্নতাবাদীরা অঞ্চলটি দখল করে নেয়।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। এই তুরস্ক সরাসরি আজারবাইজানকে সমর্থন দেয়। ন্যাটো সদস্য তুরস্কের সমর্থন এবং অত্যাধুনিক তুর্কি ড্রোন ব্যবহার করে আজেরি সেনারা যুদ্ধে ব্যাপক সফলতা পায়। ৪৪ দিন যুদ্ধের পর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় উভয় দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করল আর্মেনিয়া

আপডেট সময় ০৬:২৬:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফের যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করল আর্মেনিয়া। দেশটির সেনাবাহিনী যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে প্রতিবেশি আজারবাইজান সীমান্তে গুলি চালিয়েছে।

বৃহস্পতিবার আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের বরাতে তুরস্কভিত্তিক আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, বুধবারের শেষ মুহূর্তে আর্মেনিয়ার সেনারা বাসরকেচর এলাকার যুখারি শরজা গ্রামে অবস্থান নিয়ে অ্যাসাল্ট রাইফেল এবং গ্রেনেড লঞ্চার ব্যবহার করে আজারবাইজানের জেইলিক গ্রামে হামলা করে।

আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, আজারবাইজানের গ্রাম লক্ষ্য করে ১০-১২টি এফ-১ হ্যান্ড গ্রেনেড ছোড়ে আর্মেনিয়া। এরপর আজারবাইজানের সেনাবাহিনী হামলার জবাব দেয়।

এর আগে বুধবার আজারবাইজানের হামলায় আর্মেনিয়ার তিন সেনা নিহত হয়। আর্মেনিয়ার দাবি, আজেরি বাহিনী আকস্মিক তাদের সেনাদের ওপর হামলা চালায়।

একই দিন আজারবাইজানও পাল্টা অভিযোগ তোলে আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে। বাকুর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, বুধবার কেলবাজার সীমান্তে সেনাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় আর্মেনীয় বাহিনী। এতে তাদের দুই সদস্য আহত হন।

নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে অনেক বছর ধরে বৈরী সম্পর্ক আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে। পার্বত্য নাগোর্নো-কারাবাখ ১৯৯০ এর দশকে আজারবাইজানের অংশ ছিল। তবে অঞ্চলটিতে আর্মেনিয়ার নৃগোষ্ঠীরা বসবাস করে। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে এক যুদ্ধে আর্মেনিয়ার সহায়তায় বিচ্ছিন্নতাবাদীরা অঞ্চলটি দখল করে নেয়।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। এই তুরস্ক সরাসরি আজারবাইজানকে সমর্থন দেয়। ন্যাটো সদস্য তুরস্কের সমর্থন এবং অত্যাধুনিক তুর্কি ড্রোন ব্যবহার করে আজেরি সেনারা যুদ্ধে ব্যাপক সফলতা পায়। ৪৪ দিন যুদ্ধের পর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় উভয় দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।