ঢাকা ০৬:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করল আর্মেনিয়া

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফের যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করল আর্মেনিয়া। দেশটির সেনাবাহিনী যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে প্রতিবেশি আজারবাইজান সীমান্তে গুলি চালিয়েছে।

বৃহস্পতিবার আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের বরাতে তুরস্কভিত্তিক আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, বুধবারের শেষ মুহূর্তে আর্মেনিয়ার সেনারা বাসরকেচর এলাকার যুখারি শরজা গ্রামে অবস্থান নিয়ে অ্যাসাল্ট রাইফেল এবং গ্রেনেড লঞ্চার ব্যবহার করে আজারবাইজানের জেইলিক গ্রামে হামলা করে।

আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, আজারবাইজানের গ্রাম লক্ষ্য করে ১০-১২টি এফ-১ হ্যান্ড গ্রেনেড ছোড়ে আর্মেনিয়া। এরপর আজারবাইজানের সেনাবাহিনী হামলার জবাব দেয়।

এর আগে বুধবার আজারবাইজানের হামলায় আর্মেনিয়ার তিন সেনা নিহত হয়। আর্মেনিয়ার দাবি, আজেরি বাহিনী আকস্মিক তাদের সেনাদের ওপর হামলা চালায়।

একই দিন আজারবাইজানও পাল্টা অভিযোগ তোলে আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে। বাকুর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, বুধবার কেলবাজার সীমান্তে সেনাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় আর্মেনীয় বাহিনী। এতে তাদের দুই সদস্য আহত হন।

নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে অনেক বছর ধরে বৈরী সম্পর্ক আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে। পার্বত্য নাগোর্নো-কারাবাখ ১৯৯০ এর দশকে আজারবাইজানের অংশ ছিল। তবে অঞ্চলটিতে আর্মেনিয়ার নৃগোষ্ঠীরা বসবাস করে। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে এক যুদ্ধে আর্মেনিয়ার সহায়তায় বিচ্ছিন্নতাবাদীরা অঞ্চলটি দখল করে নেয়।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। এই তুরস্ক সরাসরি আজারবাইজানকে সমর্থন দেয়। ন্যাটো সদস্য তুরস্কের সমর্থন এবং অত্যাধুনিক তুর্কি ড্রোন ব্যবহার করে আজেরি সেনারা যুদ্ধে ব্যাপক সফলতা পায়। ৪৪ দিন যুদ্ধের পর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় উভয় দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করল আর্মেনিয়া

আপডেট সময় ০৬:২৬:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফের যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করল আর্মেনিয়া। দেশটির সেনাবাহিনী যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে প্রতিবেশি আজারবাইজান সীমান্তে গুলি চালিয়েছে।

বৃহস্পতিবার আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের বরাতে তুরস্কভিত্তিক আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, বুধবারের শেষ মুহূর্তে আর্মেনিয়ার সেনারা বাসরকেচর এলাকার যুখারি শরজা গ্রামে অবস্থান নিয়ে অ্যাসাল্ট রাইফেল এবং গ্রেনেড লঞ্চার ব্যবহার করে আজারবাইজানের জেইলিক গ্রামে হামলা করে।

আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, আজারবাইজানের গ্রাম লক্ষ্য করে ১০-১২টি এফ-১ হ্যান্ড গ্রেনেড ছোড়ে আর্মেনিয়া। এরপর আজারবাইজানের সেনাবাহিনী হামলার জবাব দেয়।

এর আগে বুধবার আজারবাইজানের হামলায় আর্মেনিয়ার তিন সেনা নিহত হয়। আর্মেনিয়ার দাবি, আজেরি বাহিনী আকস্মিক তাদের সেনাদের ওপর হামলা চালায়।

একই দিন আজারবাইজানও পাল্টা অভিযোগ তোলে আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে। বাকুর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, বুধবার কেলবাজার সীমান্তে সেনাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় আর্মেনীয় বাহিনী। এতে তাদের দুই সদস্য আহত হন।

নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে অনেক বছর ধরে বৈরী সম্পর্ক আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে। পার্বত্য নাগোর্নো-কারাবাখ ১৯৯০ এর দশকে আজারবাইজানের অংশ ছিল। তবে অঞ্চলটিতে আর্মেনিয়ার নৃগোষ্ঠীরা বসবাস করে। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে এক যুদ্ধে আর্মেনিয়ার সহায়তায় বিচ্ছিন্নতাবাদীরা অঞ্চলটি দখল করে নেয়।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। এই তুরস্ক সরাসরি আজারবাইজানকে সমর্থন দেয়। ন্যাটো সদস্য তুরস্কের সমর্থন এবং অত্যাধুনিক তুর্কি ড্রোন ব্যবহার করে আজেরি সেনারা যুদ্ধে ব্যাপক সফলতা পায়। ৪৪ দিন যুদ্ধের পর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় উভয় দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।