ঢাকা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষাখাতকে জাতীয় বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করছে সরকার : ববি হাজ্জাজ চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, অংশীদার’ হওয়া উচিত : জিনপিং দীপু মনি-মোজাম্মেল বাবু-ফারজানা রুপাকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে প্রেরণ পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে গরুসহ সব ধরনের পশু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের সোনারগাঁয়ে দুর্বৃত্তদের হামলায় স্বামী নিহত, স্ত্রী আহত লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত শি’র সঙ্গে বৈঠক ‘দারুণ’ হয়েছে: ট্রাম্প ওমানে একসঙ্গে বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ উদ্ধার এসএসসি জানুয়ারিতে এইচএসসি এপ্রিলে করার পক্ষে মত

লিবিয়া উপকূলে নৌকা ডুবে ৫৭ অভিবাসীর মৃত্যু

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

লিবিয়ার বন্দর শহর খুমসের উপকূলে নৌকা ডুবে ৫৭ জন অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার ভূমধ্যসাগরের কেন্দ্রীয় অংশে এ মর্মান্তি ঘটনা ঘটে।

জাতিসংঘের সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আইওএমের মুখপাত্র সাফা এমসেহলি এক টুইটে বলেছেন, মৎসজীবী ও কোস্ট গার্ডের উদ্ধার করা জীবিতরা জানিয়েছেন, ডুবে যাওয়াদের মধ্যে অন্তত ২০ জন নারী ও দুটি শিশু ছিল।

তিনি জানান, দুর্ঘটনার সময় ওই নৌকাটিতে কমপক্ষে ৭৫ জন আরোহী ছিলেন। দুর্ঘটনার পর ওই নৌকা থেকে ১৮ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তাদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া শরণার্থীরা নাইজেরিয়া, ঘানা এবং গামবিয়ার নাগরিক।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি আবহাওয়া ভালো থাকায় লিবিয়া ও তিউনিসিয়া থেকে ইতালি ও ইউরোপের অপরাপর অংশের উদ্দেশে রওনা হওয়া অভিবাসন প্রত্যাশীদের নৌকার সংখ্যা বাড়ছে। গত বছর কয়েক লাখ অভিবাসন প্রত্যাশী বিপজ্জনক এই পানিপথ পাড়ি দিয়েছে।

তাদের অনেকেই যুদ্ধ ও দারিদ্রতার শিকার হয়ে আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের নিজ নিজ দেশ থেকে পালিয়ে ইউরোপে পাড়ি জমিয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষাখাতকে জাতীয় বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করছে সরকার : ববি হাজ্জাজ

লিবিয়া উপকূলে নৌকা ডুবে ৫৭ অভিবাসীর মৃত্যু

আপডেট সময় ০১:৩৩:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

লিবিয়ার বন্দর শহর খুমসের উপকূলে নৌকা ডুবে ৫৭ জন অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার ভূমধ্যসাগরের কেন্দ্রীয় অংশে এ মর্মান্তি ঘটনা ঘটে।

জাতিসংঘের সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আইওএমের মুখপাত্র সাফা এমসেহলি এক টুইটে বলেছেন, মৎসজীবী ও কোস্ট গার্ডের উদ্ধার করা জীবিতরা জানিয়েছেন, ডুবে যাওয়াদের মধ্যে অন্তত ২০ জন নারী ও দুটি শিশু ছিল।

তিনি জানান, দুর্ঘটনার সময় ওই নৌকাটিতে কমপক্ষে ৭৫ জন আরোহী ছিলেন। দুর্ঘটনার পর ওই নৌকা থেকে ১৮ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তাদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া শরণার্থীরা নাইজেরিয়া, ঘানা এবং গামবিয়ার নাগরিক।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি আবহাওয়া ভালো থাকায় লিবিয়া ও তিউনিসিয়া থেকে ইতালি ও ইউরোপের অপরাপর অংশের উদ্দেশে রওনা হওয়া অভিবাসন প্রত্যাশীদের নৌকার সংখ্যা বাড়ছে। গত বছর কয়েক লাখ অভিবাসন প্রত্যাশী বিপজ্জনক এই পানিপথ পাড়ি দিয়েছে।

তাদের অনেকেই যুদ্ধ ও দারিদ্রতার শিকার হয়ে আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের নিজ নিজ দেশ থেকে পালিয়ে ইউরোপে পাড়ি জমিয়েছেন।