ঢাকা ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বিসিবিকে আদালতের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান সাবেরের

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

সাবেক বোর্ড পরিচালক স্থপতি মোবাশ্বের হোসেনের আইনজীবীর দেওয়া আইনি নোটিশ কাল বিসিবির কাছে পৌঁছেছে। তবে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বিষয়টিকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছে না তারা। যদি কোনো পদক্ষেপ নিতেও হয়, সেটি বোর্ড নেবে তাদের আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে। ওদিকে ২০১২ সালে সংশোধিত বিসিবির গঠনতন্ত্র এবং সে অনুযায়ী করা কাউন্সিলর তালিকাকে অবৈধ উল্লেখ করে বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসানকে চিঠি দিয়েছেন সাবেক সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী। আদালতের রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়ে এই কাউন্সিলর তালিকা অনুযায়ী বিসিবির বার্ষিক সাধারণ সভা ও বিশেষ সভা আয়োজন না করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

গত ২৬ জুলাই দেওয়া বিসিবির গঠনতন্ত্র-সংক্রান্ত এক মামলার রায়ের ওপর ভিত্তি করে গত ১৬ সেপ্টেম্বর সাত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়। ২০১৩-এর বোর্ড নির্বাচন এবং বর্তমান পরিচালনা পর্ষদকে অবৈধ দাবি করে বার্ষিক সাধারণ সভা ও বিশেষ সভা আয়োজনের প্রস্তুতিসহ বিসিবির সব কার্যক্রম বন্ধ করতে বলা হয় ওই নোটিশে।

কিন্তু কাল নোটিশ হাতে পাওয়ার পর বিসিবির পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়া বলেছেন, ‘পরিচালনা পর্ষদকে অবৈধ বলার আইনগত কোনো অধিকার কারও নেই বলে আমি মনে করি। এটা বলতে পারেন শুধু আদালত। আদালত বোর্ডকে অবৈধ বলেননি। তারপরও আমরা আমাদের আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে দেখব এর জবাব দেওয়ার দরকার আছে কি না।’ বিসিবির অবস্থান সম্ভবত আঁচ করতে পারছেন গঠনতন্ত্র-সংক্রান্ত মামলার বাদী মোবাশ্বের হোসেনও। আইনজীবীর মাধ্যমে তাই তিনি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
আয়োজন নিয়ে অন্য সমস্যায়ও পড়তে পারে বিসিবি। বর্তমান কমিটির সঙ্গে মতের অমিল আছে এমন অনেক কাউন্সিলরই সভায় যোগ না দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছেন বলে জানা গেছে। বোর্ড সভাপতিকে দেওয়া সাবের হোসেন চৌধুরীর চিঠিতেও আছে সে আভাস। নিজের ক্লাব বারিধারা ড্যাজলারসের প্যাডে ১৫ সেপ্টেম্বর দেওয়া চিঠিতে সাবের হোসেন চৌধুরী লিখেছেন, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায় অনুযায়ী তিনি কাউন্সিলর হওয়ার যোগ্যতা রাখেন না। সভায় যোগদানের যে চিঠি তাঁকে বা অন্যদের দেওয়া হয়েছে, তা-ও যথাযথ নয়। কারণ, যে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এসব কাউন্সিলর ঠিক করা হয়েছে এবং তার ওপর ভিত্তি করে ২০১৩ সালে বিসিবির নির্বাচন হয়েছে, সেটি অবৈধ। বোর্ড সভাপতির কাছে তাঁর অনুরোধ, বর্তমান কাউন্সিলরদের নিয়ে যেন বিসিবি বার্ষিক সভা ও বিশেষ সভা আয়োজন না করে। কারণ, সেটি হবে আদালতের রায়ের পরিষ্কার অবমাননা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বিসিবিকে আদালতের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান সাবেরের

আপডেট সময় ০৫:১২:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

সাবেক বোর্ড পরিচালক স্থপতি মোবাশ্বের হোসেনের আইনজীবীর দেওয়া আইনি নোটিশ কাল বিসিবির কাছে পৌঁছেছে। তবে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বিষয়টিকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছে না তারা। যদি কোনো পদক্ষেপ নিতেও হয়, সেটি বোর্ড নেবে তাদের আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে। ওদিকে ২০১২ সালে সংশোধিত বিসিবির গঠনতন্ত্র এবং সে অনুযায়ী করা কাউন্সিলর তালিকাকে অবৈধ উল্লেখ করে বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসানকে চিঠি দিয়েছেন সাবেক সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী। আদালতের রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়ে এই কাউন্সিলর তালিকা অনুযায়ী বিসিবির বার্ষিক সাধারণ সভা ও বিশেষ সভা আয়োজন না করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

গত ২৬ জুলাই দেওয়া বিসিবির গঠনতন্ত্র-সংক্রান্ত এক মামলার রায়ের ওপর ভিত্তি করে গত ১৬ সেপ্টেম্বর সাত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়। ২০১৩-এর বোর্ড নির্বাচন এবং বর্তমান পরিচালনা পর্ষদকে অবৈধ দাবি করে বার্ষিক সাধারণ সভা ও বিশেষ সভা আয়োজনের প্রস্তুতিসহ বিসিবির সব কার্যক্রম বন্ধ করতে বলা হয় ওই নোটিশে।

কিন্তু কাল নোটিশ হাতে পাওয়ার পর বিসিবির পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়া বলেছেন, ‘পরিচালনা পর্ষদকে অবৈধ বলার আইনগত কোনো অধিকার কারও নেই বলে আমি মনে করি। এটা বলতে পারেন শুধু আদালত। আদালত বোর্ডকে অবৈধ বলেননি। তারপরও আমরা আমাদের আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে দেখব এর জবাব দেওয়ার দরকার আছে কি না।’ বিসিবির অবস্থান সম্ভবত আঁচ করতে পারছেন গঠনতন্ত্র-সংক্রান্ত মামলার বাদী মোবাশ্বের হোসেনও। আইনজীবীর মাধ্যমে তাই তিনি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
আয়োজন নিয়ে অন্য সমস্যায়ও পড়তে পারে বিসিবি। বর্তমান কমিটির সঙ্গে মতের অমিল আছে এমন অনেক কাউন্সিলরই সভায় যোগ না দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছেন বলে জানা গেছে। বোর্ড সভাপতিকে দেওয়া সাবের হোসেন চৌধুরীর চিঠিতেও আছে সে আভাস। নিজের ক্লাব বারিধারা ড্যাজলারসের প্যাডে ১৫ সেপ্টেম্বর দেওয়া চিঠিতে সাবের হোসেন চৌধুরী লিখেছেন, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায় অনুযায়ী তিনি কাউন্সিলর হওয়ার যোগ্যতা রাখেন না। সভায় যোগদানের যে চিঠি তাঁকে বা অন্যদের দেওয়া হয়েছে, তা-ও যথাযথ নয়। কারণ, যে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এসব কাউন্সিলর ঠিক করা হয়েছে এবং তার ওপর ভিত্তি করে ২০১৩ সালে বিসিবির নির্বাচন হয়েছে, সেটি অবৈধ। বোর্ড সভাপতির কাছে তাঁর অনুরোধ, বর্তমান কাউন্সিলরদের নিয়ে যেন বিসিবি বার্ষিক সভা ও বিশেষ সভা আয়োজন না করে। কারণ, সেটি হবে আদালতের রায়ের পরিষ্কার অবমাননা।