ঢাকা ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

এবার রাম রহিমের ডেরায় মিলল ৬০০ কঙ্কাল

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দুই অনুসারীকে ধর্ষণের দায়ে গতমাসে ২০ বছরের জেল হয় ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের বিতর্কিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের। ভণ্ড বাবার জেলে যাওয়ার দিন থেকে পলাতক ‘পালিত কন্যা’ হানিপ্রীতও। কিন্তু রাম রহিমের ডেরা সাচ্চা সওদা থেকে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এবার সিরসায় ডেরার সদর দপ্তরে মাটির নিচে মিলল প্রায় ৬০০ কঙ্কাল। কঙ্কালগুলো ডেরার বিভিন্ন স্থানে পোঁতা হয়েছিল। ভারতের বিশেষ তদন্তকারী দল সিট-এর জিজ্ঞাসাবাদে রাম রহিম নিজেই এ তথ্য দিয়েছেন বলে জানা গেছে। কঙ্কালগুলো কোথায় কোথায় পোঁতা আছে, জেরার মুখে তাও বলে দিয়েছেন ধর্ষক বাবা।

ডেরার সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট পি আর নইনের কাছ থেকেও বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি আদায় করেছে সিট। নথিতে ডেরার গণকবরের উল্লেখ ছিল। ডেরায় কর্মরত এক জার্মান বিজ্ঞানীর পরামর্শে ওই গণকবরের ওপরে গাছের চারা রোপন করান রাম রহিম।

সিটের তদন্ত কর্মকর্তাদের জেরায় রাম রহিমের এক সাধ্বী জানান, বহু বছর ধরে নিখোঁজ তার সন্তান। নিখোঁজ হওয়ার আগে শিশুটি ডেরাতে থাকত। ধর্ষক বাবার কথা মতো ওই নারী তার সন্তানকে ডেরায় উৎসর্গ করেছিলেন।

সিরসায় ডেরার সদর দপ্তরে ‘সেবা’র কাজে শিশুদের ব্যবহার করা হতো। শিশু জোগাড়ের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপনও দিতেন রাম রহিম। সেই বিজ্ঞাপন দেখেই পানিপথের ওই নারী নিজের সন্তানকে ডেরায় নিয়ে এসেছিলেন।

ডেরা এক মুখপাত্র স্বীকার করেছেন, আশ্রমের আবাসিকদের মৃত্যুর পর ডেরার অভ্যন্তরেই সমাধিস্থ করা হতো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

এবার রাম রহিমের ডেরায় মিলল ৬০০ কঙ্কাল

আপডেট সময় ০৫:০৬:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দুই অনুসারীকে ধর্ষণের দায়ে গতমাসে ২০ বছরের জেল হয় ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের বিতর্কিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের। ভণ্ড বাবার জেলে যাওয়ার দিন থেকে পলাতক ‘পালিত কন্যা’ হানিপ্রীতও। কিন্তু রাম রহিমের ডেরা সাচ্চা সওদা থেকে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এবার সিরসায় ডেরার সদর দপ্তরে মাটির নিচে মিলল প্রায় ৬০০ কঙ্কাল। কঙ্কালগুলো ডেরার বিভিন্ন স্থানে পোঁতা হয়েছিল। ভারতের বিশেষ তদন্তকারী দল সিট-এর জিজ্ঞাসাবাদে রাম রহিম নিজেই এ তথ্য দিয়েছেন বলে জানা গেছে। কঙ্কালগুলো কোথায় কোথায় পোঁতা আছে, জেরার মুখে তাও বলে দিয়েছেন ধর্ষক বাবা।

ডেরার সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট পি আর নইনের কাছ থেকেও বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি আদায় করেছে সিট। নথিতে ডেরার গণকবরের উল্লেখ ছিল। ডেরায় কর্মরত এক জার্মান বিজ্ঞানীর পরামর্শে ওই গণকবরের ওপরে গাছের চারা রোপন করান রাম রহিম।

সিটের তদন্ত কর্মকর্তাদের জেরায় রাম রহিমের এক সাধ্বী জানান, বহু বছর ধরে নিখোঁজ তার সন্তান। নিখোঁজ হওয়ার আগে শিশুটি ডেরাতে থাকত। ধর্ষক বাবার কথা মতো ওই নারী তার সন্তানকে ডেরায় উৎসর্গ করেছিলেন।

সিরসায় ডেরার সদর দপ্তরে ‘সেবা’র কাজে শিশুদের ব্যবহার করা হতো। শিশু জোগাড়ের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপনও দিতেন রাম রহিম। সেই বিজ্ঞাপন দেখেই পানিপথের ওই নারী নিজের সন্তানকে ডেরায় নিয়ে এসেছিলেন।

ডেরা এক মুখপাত্র স্বীকার করেছেন, আশ্রমের আবাসিকদের মৃত্যুর পর ডেরার অভ্যন্তরেই সমাধিস্থ করা হতো।