আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
সেরা তারকা হলেই যে সবসময় সাফল্য এসে ধরা দেবে তা কখনই নয়। সবসময় যে দলের ত্রাতা হবেন তাও নয়।
ইউরো মঞ্চে সোমবার রাতে বিষয়টি হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন ফ্রান্সের হয়ে বিশ্বকাপজয়ী তরুণ ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে।
এদিন শ্বাসরুদ্ধকর টাইব্রেকারে সুইজারল্যান্ডের জয়ে ‘খলনায়কে’ পরিণত হয়েছেন এমবাপ্পে।
টাইব্রেকারে তার শট ঠেকিয়েই প্রথমবারের মতো ইউরোর কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার আনন্দে মাতেন সুইস গোলরক্ষক ইয়ান সমের।
সুইজারল্যান্ড তাদের প্রথম পাঁচ শটের সবকটিতেই সফল, ফ্রান্স সফল প্রথম চারটিতে। তাদের শেষ শট নিতে আসেন বিশ্বকাপজয়ী এমবাপ্পে। তার শটটিই ঠেকিয়ে দেন সমের।
ম্যাচ অবশ্য টাইব্রেকারেই গড়াত না, যদি না ১১০তম মিনিটে সুযোগ হাতছাড়া করতেন এমবাপ্পে। ডি-বক্সে দারুণ পজিশনে বল পেয়েও পাশের জালে মারেন পিএসজি ফরোয়ার্ড।
এমবাপ্পের এমন সব হতাশাজনক পারফরম্যান্সে ইউরো-২০ থেকে ছিটকে গেলেন ফরাসি জায়ান্টরা। তিনি হতাশায় ডুবিয়েছেন গোটা ফ্রান্সকে।
এতে দেশজুড়ে সমালোচনায় বিদ্ধ হচ্ছেন এমবাপ্পে। ম্যাচশেষে সংবাদ সম্মেলনে কোচ দিদিয়ের দেশম জানান, শেষ শটটি নিজে থেকেই নিতে চেয়েছিলেন এমবাপ্পে।
বিষয়টি নিয়ে হতাশায় মুষড়ে পড়েছেন এমবাপ্পে নিজেও। দেশবাসীর কাছে দুঃখপ্রকাশ করে এমবাপ্পে নিজের ইনস্টাগ্রামে বক্তব্য দিয়েছেন।
সোমবার ইনস্টাগ্রামে এমবাপ্পে লেখেন— ‘চিত্র বদলে দেওয়া এখন কঠিন। বাদ পড়ার কষ্ট প্রবল, আমরা লক্ষ্য অর্জন করতে পারিনি। এই পেনাল্টির জন্য আমি দুঃখিত। আমি আসলে দলকে সহায়তা করতেই চেয়েছিলাম, কিন্তু ব্যর্থ হয়েছি। এখন ঘুমানো কঠিন হবে আমার জন্য। তবে এটা বুঝতে পারছি যে, ফুটবলকে ভালোবাসি; কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এ খেলায় এমন উত্থান-পতন থাকেই।’
ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় জানিয়ে সমর্থকদের উদ্দেশে এ ফরাসি ফরোয়ার্ড বলেন, ‘আমি জানি, সমর্থকরা হতাশ। তার পরও তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। এখন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো— পরের লড়াইয়ের জন্য আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসব। সমর্থনের জন্য ও সবসময় বিশ্বাস রাখার জন্য সমর্থকদের ধন্যবাদ। আর সুইজারল্যান্ডের জন্য অভিনন্দন ও শুভ কামনা।’
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























