ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ছাত্রকে বলাৎকার করে দোষ দিলেন শয়তানকে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে এক মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকার করে শয়তানের ওপর দোষ চাপালেন শিক্ষক। ছাত্রের অভিভাবকদের অভিযোগের ভিত্তিতে আটক হওয়া শিক্ষক শাহাদাত হোসেন পুলিশকে বলেন, ‘আমি বিবাহিত।

আমার একটি কন্যা সন্তানও আছে। শয়তানের ধোকায় পড়ে আমি ওই ছাত্রের সঙ্গে ভুল করেছি’।

শনিবার (১৯ জুন) দুপুরে পুলিশের কাছে দায় স্বীকার করেন তিনি।

শাহাদাত উপজেলার তাহযীবুল উম্মাহ ইসলামিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও রামগঞ্জ পৌরশহরের মৃত আবদুর রশিদের ছেলে।

ঘটনার সত্যত্য নিশ্চিত করেন রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল জলিল, তিনি জানান, শনিবার সকালে ছেলেকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এনে এক ছাত্রের বাবা শিক্ষক শাহাদাতের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে মাদরাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় পুলিশ হেফাজতে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। পরে তাকে লক্ষ্মীপুর আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

নির্যাতনের শিকার ছাত্রের মা জানায়, জানুয়ারি মাসে মাদরাসার হেফজ বিভাগে ভর্তি হয় ওই ছাত্র। গত এক মাস ধরে মধ্যরাতে মাঝে মাঝে ওই ছাত্রকে মাথা ও শরীর মালিশ করার কথা বলে শাহাদাত তার কক্ষে ডেকে নিয়ে যেতেন। এ সময় তাকে যৌন হয়রানি করতেন ওই শিক্ষক। এসব ঘটনা কাউকে না বলতে ছাত্রকে শপথও করান তিনি। গত মঙ্গলবার বিকেলে ওই ছাত্রকে মাদরাসার তিন তলার কক্ষে নিয়ে আবারও যৌন নিপীড়ন করে করেন। বৃহস্পতিবার ছুটিতে বাড়িতে গিয়ে সে তার মাকে সব জানায়।

এ ঘটনার বিচার দাবি করে শুক্রবার বিকেলে ওই ছাত্রের মা মাদরাসার পরিচালনা কমিটির কাছে অভিযোগ দেন। এতে তাৎক্ষণিক মাদরাসার অধ্যক্ষ আব্দুল বাতেন ওই শিক্ষককে বরখাস্ত করেন এবং ছাত্রের মায়ের কাছে ক্ষমা চাইতে বলেন।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল জলিল বলেন, ছাত্রের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় মামলা হয়েছে। মাদরাসা শিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ছাত্রকে বলাৎকার করে দোষ দিলেন শয়তানকে

আপডেট সময় ১০:২৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে এক মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকার করে শয়তানের ওপর দোষ চাপালেন শিক্ষক। ছাত্রের অভিভাবকদের অভিযোগের ভিত্তিতে আটক হওয়া শিক্ষক শাহাদাত হোসেন পুলিশকে বলেন, ‘আমি বিবাহিত।

আমার একটি কন্যা সন্তানও আছে। শয়তানের ধোকায় পড়ে আমি ওই ছাত্রের সঙ্গে ভুল করেছি’।

শনিবার (১৯ জুন) দুপুরে পুলিশের কাছে দায় স্বীকার করেন তিনি।

শাহাদাত উপজেলার তাহযীবুল উম্মাহ ইসলামিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও রামগঞ্জ পৌরশহরের মৃত আবদুর রশিদের ছেলে।

ঘটনার সত্যত্য নিশ্চিত করেন রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল জলিল, তিনি জানান, শনিবার সকালে ছেলেকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এনে এক ছাত্রের বাবা শিক্ষক শাহাদাতের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে মাদরাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় পুলিশ হেফাজতে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। পরে তাকে লক্ষ্মীপুর আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

নির্যাতনের শিকার ছাত্রের মা জানায়, জানুয়ারি মাসে মাদরাসার হেফজ বিভাগে ভর্তি হয় ওই ছাত্র। গত এক মাস ধরে মধ্যরাতে মাঝে মাঝে ওই ছাত্রকে মাথা ও শরীর মালিশ করার কথা বলে শাহাদাত তার কক্ষে ডেকে নিয়ে যেতেন। এ সময় তাকে যৌন হয়রানি করতেন ওই শিক্ষক। এসব ঘটনা কাউকে না বলতে ছাত্রকে শপথও করান তিনি। গত মঙ্গলবার বিকেলে ওই ছাত্রকে মাদরাসার তিন তলার কক্ষে নিয়ে আবারও যৌন নিপীড়ন করে করেন। বৃহস্পতিবার ছুটিতে বাড়িতে গিয়ে সে তার মাকে সব জানায়।

এ ঘটনার বিচার দাবি করে শুক্রবার বিকেলে ওই ছাত্রের মা মাদরাসার পরিচালনা কমিটির কাছে অভিযোগ দেন। এতে তাৎক্ষণিক মাদরাসার অধ্যক্ষ আব্দুল বাতেন ওই শিক্ষককে বরখাস্ত করেন এবং ছাত্রের মায়ের কাছে ক্ষমা চাইতে বলেন।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল জলিল বলেন, ছাত্রের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় মামলা হয়েছে। মাদরাসা শিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।