ঢাকা ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর লিখিত প্রস্তাব বিনিময় করেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় টাউন হল সভা চালু থাকবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট সরকার দেশে ভঙ্গুর অর্থনীতি রেখে গেছে: প্রতিমন্ত্রী ‘এক-এগারোর’ মাসুদ উদ্দিন ফের ৪ দিনের রিমান্ডে কাল থেকে ৪ সিটিতে হামের টিকা শুরু, যাদের না দেয়ার পরামর্শ জনগণের অধিকার আদায়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: জামায়াত আমির ‘নগরবাসীর সক্রিয় সহযোগিতা ছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব নয়’ কক্সবাজারের পর্যটন স্পটে মিলবে ফ্রি ইন্টারনেট: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী তেল আছে শুধু সংসদে: জামায়াত আমির

চলচ্চিত্র পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত আর নেই

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক এবং কবি ও সাহিত্যিক বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত আর নেই।

বৃহস্পতিবার (১০ জুন) ভারতীয় সময় ভোর ৬টায় দক্ষিণ কলকাতায় নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। তিনি কেবল পরিচালনা নয়, সাহিত্য জগতেও সমানভাবে প্রসিদ্ধ ছিলেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। তার ডায়ালাইসিস চলছিল বহুদিন ধরে। এদিনও তার ডায়ালাইসিস হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভোরবেলা তার স্ত্রী সোহিনী দাশগুপ্ত দেখেন, বুদ্ধদেবের শরীর ঠান্ডা হয়ে গেছে। ঘুমের মধ্যেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তার দুই মেয়েই মুম্বাইয়ে থাকেন। লকডাউন চলার কারণে তারা কলকাতায় আসতে পারছেন না। ফলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে।

১৯৬৮ সালে ১০ মিনিটের একটি তথ্যচিত্র ‘দা কন্টিনেন্ট অব লাভ’ দিয়ে নিজের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার শুরু করেন বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত। তার পরিচালিত সবচেয়ে জনপ্রিয় ৫টি সিনেমা হলো— বাঘ বাহাদুর, চরাচর, লাল দরজা, মন্দ মেয়ের উপাখ্যান। এরমধ্যে ‘কালপুরুষ’ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পায়। পরিচালক হিসেবে তিনি নিজেও দুই দুইবার জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন। দেশের বাইরে বিদেশেও একাধিক সম্মান পেয়েছেন বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত।

ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব, বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবেও প্রশংসা পেয়েছে তার সিনেমা। পরিচালকের পাশাপাশি একাধারে কবিও ছিলেন বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত। কফিন কিংবা সুটকেস, হিমযোগ, রোবটের গান, শ্রেষ্ঠ কবিতা ইত্যাদি বহু কবিতা লিখেছেন তিনি।

বিশিষ্ট পরিচালক ও কবির প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি তার প্রয়াণে চলচ্চিত্র থেকে সাহিত্য জগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পরিচালক গৌতম ঘোষ বলেন, আমরা একসঙ্গে কাজ শুরু করেছিলাম। আমাকে জোর করে অভিনয় করিয়েছিলেন। অনেক স্মৃতি মনে পড়ছে আজকে। ওনার আত্মার শান্তি কামনা করি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর

চলচ্চিত্র পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত আর নেই

আপডেট সময় ১২:২৮:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুন ২০২১

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক এবং কবি ও সাহিত্যিক বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত আর নেই।

বৃহস্পতিবার (১০ জুন) ভারতীয় সময় ভোর ৬টায় দক্ষিণ কলকাতায় নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। তিনি কেবল পরিচালনা নয়, সাহিত্য জগতেও সমানভাবে প্রসিদ্ধ ছিলেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। তার ডায়ালাইসিস চলছিল বহুদিন ধরে। এদিনও তার ডায়ালাইসিস হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভোরবেলা তার স্ত্রী সোহিনী দাশগুপ্ত দেখেন, বুদ্ধদেবের শরীর ঠান্ডা হয়ে গেছে। ঘুমের মধ্যেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তার দুই মেয়েই মুম্বাইয়ে থাকেন। লকডাউন চলার কারণে তারা কলকাতায় আসতে পারছেন না। ফলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে।

১৯৬৮ সালে ১০ মিনিটের একটি তথ্যচিত্র ‘দা কন্টিনেন্ট অব লাভ’ দিয়ে নিজের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার শুরু করেন বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত। তার পরিচালিত সবচেয়ে জনপ্রিয় ৫টি সিনেমা হলো— বাঘ বাহাদুর, চরাচর, লাল দরজা, মন্দ মেয়ের উপাখ্যান। এরমধ্যে ‘কালপুরুষ’ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পায়। পরিচালক হিসেবে তিনি নিজেও দুই দুইবার জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন। দেশের বাইরে বিদেশেও একাধিক সম্মান পেয়েছেন বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত।

ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব, বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবেও প্রশংসা পেয়েছে তার সিনেমা। পরিচালকের পাশাপাশি একাধারে কবিও ছিলেন বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত। কফিন কিংবা সুটকেস, হিমযোগ, রোবটের গান, শ্রেষ্ঠ কবিতা ইত্যাদি বহু কবিতা লিখেছেন তিনি।

বিশিষ্ট পরিচালক ও কবির প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি তার প্রয়াণে চলচ্চিত্র থেকে সাহিত্য জগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পরিচালক গৌতম ঘোষ বলেন, আমরা একসঙ্গে কাজ শুরু করেছিলাম। আমাকে জোর করে অভিনয় করিয়েছিলেন। অনেক স্মৃতি মনে পড়ছে আজকে। ওনার আত্মার শান্তি কামনা করি।