ঢাকা ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ভারতে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাঁধ উদ্বোধন

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতের গুজরাটে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাঁধ সর্দার সারোবর ড্যামের উদ্বোধন করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রোববার নিজের ৬৭তম জন্মদিনে মোদি বাঁধটি উদ্বোধন করেন। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের প্রায় ছয় দশক পর বাঁধটি উদ্বোধন করা হলো। রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের কয়েক মাস বাকি থাকতে বাঁধের কাজ শেষ হওয়ায় বিজেপি গুজরাট রাজ্য শাখা বিশাল অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানস্থল আহমেদাবাদ থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।

বাঁধের উচ্চতা ১২১ দশমিক ৯২ মিটার থেকে বাড়িয়ে ১৩৮ মিটার করার পর জুনের ১৬ তারিখ নর্মদা কন্ট্রোল অথরিটি সর্দার সারোবর প্রজেক্টের ফটক বন্ধ করে দেয়। উচ্চতা বাড়ায় বাঁধের ধারণক্ষমতাও ১২ লাখ ৭০ হাজার কিউবিক মিটার থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৭ লাখ ৩০ হাজার কিউবিক মিটার। ১৯৬১ সালে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু বাঁধটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন; দুই যুগ পর ১৯৮৭ সালে এর নির্মাণকাজ শুরু হয়।

বাঁধের উপকার সম্বন্ধে বলতে গিয়ে সর্দার সারোবর নিগাম লিমিটেডের (এসএসএনএল) কর্মকর্তারা জানান, প্রকল্পটির ফলে নর্মদা নদীর পানি গুজরাটের নয় হাজারেরও বেশি গ্রামে খালের সাহায্যে সরবরাহ করা যাবে, সেচ সুবিধা পাবে ১৮ লাখ হেক্টরের বেশি জমি। প্রকল্পের আওতায় মূল এবং উপ-খালগুলোর কাজ শেষ হলেও ছোট ছোট কিছু খালের ৩০ শতাংশের মত কাজ এখনো শেষ হয়নি বলেও জানান তারা।

এনডিটিভি বলছে, কংক্রিট ব্যবহারের দিক দিয়ে সর্দার সারোবর বাঁধটিই বিশ্বের বৃহত্তম; দৈর্ঘ্য বিবেচনায় এর আগে আছে কেবল যুক্তরাষ্ট্রের গ্র্যান্ড কোলি ড্যাম। এক দশমিক দুই কিলোমিটার দীর্ঘ ও ১৬৩ মিটার গভীর সর্দার সারোভার বাঁধ এখন পর্যন্ত দিনে দুটি পাওয়ার হাউজ থেকে ৪ হাজার ১৪১ কোটি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম।

রিভার বেড পাওয়ার হাউজ ও ক্যানেল হেড পাওয়ার হাউজ দুটির ক্ষমতা যথাক্রমে ১২০০ ও ২৫০ মেগাওয়াট।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ভারতে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাঁধ উদ্বোধন

আপডেট সময় ০৯:৫৮:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতের গুজরাটে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাঁধ সর্দার সারোবর ড্যামের উদ্বোধন করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রোববার নিজের ৬৭তম জন্মদিনে মোদি বাঁধটি উদ্বোধন করেন। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের প্রায় ছয় দশক পর বাঁধটি উদ্বোধন করা হলো। রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের কয়েক মাস বাকি থাকতে বাঁধের কাজ শেষ হওয়ায় বিজেপি গুজরাট রাজ্য শাখা বিশাল অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানস্থল আহমেদাবাদ থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।

বাঁধের উচ্চতা ১২১ দশমিক ৯২ মিটার থেকে বাড়িয়ে ১৩৮ মিটার করার পর জুনের ১৬ তারিখ নর্মদা কন্ট্রোল অথরিটি সর্দার সারোবর প্রজেক্টের ফটক বন্ধ করে দেয়। উচ্চতা বাড়ায় বাঁধের ধারণক্ষমতাও ১২ লাখ ৭০ হাজার কিউবিক মিটার থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৭ লাখ ৩০ হাজার কিউবিক মিটার। ১৯৬১ সালে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু বাঁধটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন; দুই যুগ পর ১৯৮৭ সালে এর নির্মাণকাজ শুরু হয়।

বাঁধের উপকার সম্বন্ধে বলতে গিয়ে সর্দার সারোবর নিগাম লিমিটেডের (এসএসএনএল) কর্মকর্তারা জানান, প্রকল্পটির ফলে নর্মদা নদীর পানি গুজরাটের নয় হাজারেরও বেশি গ্রামে খালের সাহায্যে সরবরাহ করা যাবে, সেচ সুবিধা পাবে ১৮ লাখ হেক্টরের বেশি জমি। প্রকল্পের আওতায় মূল এবং উপ-খালগুলোর কাজ শেষ হলেও ছোট ছোট কিছু খালের ৩০ শতাংশের মত কাজ এখনো শেষ হয়নি বলেও জানান তারা।

এনডিটিভি বলছে, কংক্রিট ব্যবহারের দিক দিয়ে সর্দার সারোবর বাঁধটিই বিশ্বের বৃহত্তম; দৈর্ঘ্য বিবেচনায় এর আগে আছে কেবল যুক্তরাষ্ট্রের গ্র্যান্ড কোলি ড্যাম। এক দশমিক দুই কিলোমিটার দীর্ঘ ও ১৬৩ মিটার গভীর সর্দার সারোভার বাঁধ এখন পর্যন্ত দিনে দুটি পাওয়ার হাউজ থেকে ৪ হাজার ১৪১ কোটি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম।

রিভার বেড পাওয়ার হাউজ ও ক্যানেল হেড পাওয়ার হাউজ দুটির ক্ষমতা যথাক্রমে ১২০০ ও ২৫০ মেগাওয়াট।