ঢাকা ০৯:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায় পটুয়াখালীতে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ধর্ষকের মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, কল যাবে ফোনে,দাবি ভোলার তরুণ উদ্ভাবকএর আমেরিকার উস্কানিতে ইরানে বিক্ষোভ : মাসুদ পেজেশকিয়ান আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না ব্রিটিশ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন ইলন মাস্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : শেখ বশিরউদ্দীন

সিসি টিভির ফুটেজ দেখে অপহৃত শিশু উদ্ধার, তৃতীয় লিঙ্গের তানিয়া গ্রেফতার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শরীয়তপুর সদর উপজেলায় ছয় মাসের এক শিশু অপহরণের ৫ ঘণ্টার মাথায় নড়িয়া উপজেলা সিরঙ্গল এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় অপহরণকারী চক্রের সদস্য তৃতীয় লিঙ্গের একজনকে গ্রেফতার করা হয়।

শুক্রবার রাতে পৌরসভা এলাকার ধানুকার কলেজরোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

রাতেই নড়িয়া থানার পুলিশ উদ্ধারকৃত শিশু ও অপহরণকারীকে পালং মডেল থানায় সোপর্দ করেছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আটক অপহরণকারী হলো- তৃতীয় লিঙ্গের তানিয়া সিকদার (২২)। তার বাড়ি শরীয়তপুর পৌরসভার স্বর্ণঘোষ এলাকায়। তিনি শরীয়তপুর শহরের ধানুকা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিল্লাল বেপারীর বাসার পাশে ভাড়া থাকে।

পালং মডেল থানার এসআই নোমান মিয়া জানান, তৃতীয় লিঙ্গের তানিয়া সিকদার বিল্লাল বেপারীর পরিবারের লোকজনের সঙ্গে তার সখ্যতা গড়ে তোলে। তারা একে অপরের বাসায় যাতায়াত করতেন।

শুক্রবার রাত ৮টার দিকে বিল্লাল বেপারী স্ত্রী নাছিমা বেগম ছয় মাসের শিশু মাহমুদ হাসানকে ঘরে একা রেখে রান্না করছিলেন। এসময় তানিয়া ওই শিশুকে চুরি করে পালিয়ে যায়।

রান্না শেষ করে ঘরে এসে দেখেন শিশু মাহমুদা নেই। পাশে থাকা এসময় তানিয়াকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

তাৎক্ষণিকভাবে তারা শিশুর পরিবার পালং মডেল থানা পুলিশকে খবর দেয়। পরে সিসি টিভির ফুটেজ দেখে হিজলা তানিয়া শিশুটি নিয়ে গেছে। পুলিশ শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাত ১টায় নড়িয়া উপজেলার সিরঙ্গল এলাকা থেকে শিশুসহ অপহরণকারী তানিয়াকে গ্রেফতার করে।

ওই রাতেই নড়িয়া থানা পুলিশ পালং মডেল থানার পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করে। পালং মডেল থানার পুলিশ শনিবার সকালে শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়। পাশাপাশি তৃতীয় লিঙ্গের অপহরণকারী তানিয়া শিকদারকে জেলাহাজতে পাঠায়।

এ ঘটনায় ওই শিশুর বাবা বিল্লাল বেপারী বাদী হয়ে পালং মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

এ ব্যাপারে শিশুর বাবা বিল্লাল বেপারী বলেন, আমার ৬ মাসের শিশুটিকে তানিয়া অপহরণ করে নিয়ে যায়। ফুটেজ দেখে আমরা নিশ্চিত হয়। পরে পুলিশ নড়িয়া থানা এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করেছে। আমি মামলা করেছি। এ ঘটনার উপযুক্ত শাস্তি চাই।

পালং মডেল থানার ওসি মো. আক্তার হোসেন বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। শিশুটিকে পরিবারের হেফাজতে রাখা হয়েছে। আসামিকে অধিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবেদন জানিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শার্টের বুকে ‘কাপুর’ লিখে আলোচনায় আলিয়া ভাট

সিসি টিভির ফুটেজ দেখে অপহৃত শিশু উদ্ধার, তৃতীয় লিঙ্গের তানিয়া গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৬:৪৫:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মে ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শরীয়তপুর সদর উপজেলায় ছয় মাসের এক শিশু অপহরণের ৫ ঘণ্টার মাথায় নড়িয়া উপজেলা সিরঙ্গল এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় অপহরণকারী চক্রের সদস্য তৃতীয় লিঙ্গের একজনকে গ্রেফতার করা হয়।

শুক্রবার রাতে পৌরসভা এলাকার ধানুকার কলেজরোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

রাতেই নড়িয়া থানার পুলিশ উদ্ধারকৃত শিশু ও অপহরণকারীকে পালং মডেল থানায় সোপর্দ করেছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আটক অপহরণকারী হলো- তৃতীয় লিঙ্গের তানিয়া সিকদার (২২)। তার বাড়ি শরীয়তপুর পৌরসভার স্বর্ণঘোষ এলাকায়। তিনি শরীয়তপুর শহরের ধানুকা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিল্লাল বেপারীর বাসার পাশে ভাড়া থাকে।

পালং মডেল থানার এসআই নোমান মিয়া জানান, তৃতীয় লিঙ্গের তানিয়া সিকদার বিল্লাল বেপারীর পরিবারের লোকজনের সঙ্গে তার সখ্যতা গড়ে তোলে। তারা একে অপরের বাসায় যাতায়াত করতেন।

শুক্রবার রাত ৮টার দিকে বিল্লাল বেপারী স্ত্রী নাছিমা বেগম ছয় মাসের শিশু মাহমুদ হাসানকে ঘরে একা রেখে রান্না করছিলেন। এসময় তানিয়া ওই শিশুকে চুরি করে পালিয়ে যায়।

রান্না শেষ করে ঘরে এসে দেখেন শিশু মাহমুদা নেই। পাশে থাকা এসময় তানিয়াকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

তাৎক্ষণিকভাবে তারা শিশুর পরিবার পালং মডেল থানা পুলিশকে খবর দেয়। পরে সিসি টিভির ফুটেজ দেখে হিজলা তানিয়া শিশুটি নিয়ে গেছে। পুলিশ শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাত ১টায় নড়িয়া উপজেলার সিরঙ্গল এলাকা থেকে শিশুসহ অপহরণকারী তানিয়াকে গ্রেফতার করে।

ওই রাতেই নড়িয়া থানা পুলিশ পালং মডেল থানার পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করে। পালং মডেল থানার পুলিশ শনিবার সকালে শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়। পাশাপাশি তৃতীয় লিঙ্গের অপহরণকারী তানিয়া শিকদারকে জেলাহাজতে পাঠায়।

এ ঘটনায় ওই শিশুর বাবা বিল্লাল বেপারী বাদী হয়ে পালং মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

এ ব্যাপারে শিশুর বাবা বিল্লাল বেপারী বলেন, আমার ৬ মাসের শিশুটিকে তানিয়া অপহরণ করে নিয়ে যায়। ফুটেজ দেখে আমরা নিশ্চিত হয়। পরে পুলিশ নড়িয়া থানা এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করেছে। আমি মামলা করেছি। এ ঘটনার উপযুক্ত শাস্তি চাই।

পালং মডেল থানার ওসি মো. আক্তার হোসেন বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। শিশুটিকে পরিবারের হেফাজতে রাখা হয়েছে। আসামিকে অধিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবেদন জানিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হবে।