ঢাকা ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

সিসি টিভির ফুটেজ দেখে অপহৃত শিশু উদ্ধার, তৃতীয় লিঙ্গের তানিয়া গ্রেফতার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শরীয়তপুর সদর উপজেলায় ছয় মাসের এক শিশু অপহরণের ৫ ঘণ্টার মাথায় নড়িয়া উপজেলা সিরঙ্গল এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় অপহরণকারী চক্রের সদস্য তৃতীয় লিঙ্গের একজনকে গ্রেফতার করা হয়।

শুক্রবার রাতে পৌরসভা এলাকার ধানুকার কলেজরোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

রাতেই নড়িয়া থানার পুলিশ উদ্ধারকৃত শিশু ও অপহরণকারীকে পালং মডেল থানায় সোপর্দ করেছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আটক অপহরণকারী হলো- তৃতীয় লিঙ্গের তানিয়া সিকদার (২২)। তার বাড়ি শরীয়তপুর পৌরসভার স্বর্ণঘোষ এলাকায়। তিনি শরীয়তপুর শহরের ধানুকা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিল্লাল বেপারীর বাসার পাশে ভাড়া থাকে।

পালং মডেল থানার এসআই নোমান মিয়া জানান, তৃতীয় লিঙ্গের তানিয়া সিকদার বিল্লাল বেপারীর পরিবারের লোকজনের সঙ্গে তার সখ্যতা গড়ে তোলে। তারা একে অপরের বাসায় যাতায়াত করতেন।

শুক্রবার রাত ৮টার দিকে বিল্লাল বেপারী স্ত্রী নাছিমা বেগম ছয় মাসের শিশু মাহমুদ হাসানকে ঘরে একা রেখে রান্না করছিলেন। এসময় তানিয়া ওই শিশুকে চুরি করে পালিয়ে যায়।

রান্না শেষ করে ঘরে এসে দেখেন শিশু মাহমুদা নেই। পাশে থাকা এসময় তানিয়াকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

তাৎক্ষণিকভাবে তারা শিশুর পরিবার পালং মডেল থানা পুলিশকে খবর দেয়। পরে সিসি টিভির ফুটেজ দেখে হিজলা তানিয়া শিশুটি নিয়ে গেছে। পুলিশ শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাত ১টায় নড়িয়া উপজেলার সিরঙ্গল এলাকা থেকে শিশুসহ অপহরণকারী তানিয়াকে গ্রেফতার করে।

ওই রাতেই নড়িয়া থানা পুলিশ পালং মডেল থানার পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করে। পালং মডেল থানার পুলিশ শনিবার সকালে শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়। পাশাপাশি তৃতীয় লিঙ্গের অপহরণকারী তানিয়া শিকদারকে জেলাহাজতে পাঠায়।

এ ঘটনায় ওই শিশুর বাবা বিল্লাল বেপারী বাদী হয়ে পালং মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

এ ব্যাপারে শিশুর বাবা বিল্লাল বেপারী বলেন, আমার ৬ মাসের শিশুটিকে তানিয়া অপহরণ করে নিয়ে যায়। ফুটেজ দেখে আমরা নিশ্চিত হয়। পরে পুলিশ নড়িয়া থানা এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করেছে। আমি মামলা করেছি। এ ঘটনার উপযুক্ত শাস্তি চাই।

পালং মডেল থানার ওসি মো. আক্তার হোসেন বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। শিশুটিকে পরিবারের হেফাজতে রাখা হয়েছে। আসামিকে অধিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবেদন জানিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সিসি টিভির ফুটেজ দেখে অপহৃত শিশু উদ্ধার, তৃতীয় লিঙ্গের তানিয়া গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৬:৪৫:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মে ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শরীয়তপুর সদর উপজেলায় ছয় মাসের এক শিশু অপহরণের ৫ ঘণ্টার মাথায় নড়িয়া উপজেলা সিরঙ্গল এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় অপহরণকারী চক্রের সদস্য তৃতীয় লিঙ্গের একজনকে গ্রেফতার করা হয়।

শুক্রবার রাতে পৌরসভা এলাকার ধানুকার কলেজরোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

রাতেই নড়িয়া থানার পুলিশ উদ্ধারকৃত শিশু ও অপহরণকারীকে পালং মডেল থানায় সোপর্দ করেছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আটক অপহরণকারী হলো- তৃতীয় লিঙ্গের তানিয়া সিকদার (২২)। তার বাড়ি শরীয়তপুর পৌরসভার স্বর্ণঘোষ এলাকায়। তিনি শরীয়তপুর শহরের ধানুকা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিল্লাল বেপারীর বাসার পাশে ভাড়া থাকে।

পালং মডেল থানার এসআই নোমান মিয়া জানান, তৃতীয় লিঙ্গের তানিয়া সিকদার বিল্লাল বেপারীর পরিবারের লোকজনের সঙ্গে তার সখ্যতা গড়ে তোলে। তারা একে অপরের বাসায় যাতায়াত করতেন।

শুক্রবার রাত ৮টার দিকে বিল্লাল বেপারী স্ত্রী নাছিমা বেগম ছয় মাসের শিশু মাহমুদ হাসানকে ঘরে একা রেখে রান্না করছিলেন। এসময় তানিয়া ওই শিশুকে চুরি করে পালিয়ে যায়।

রান্না শেষ করে ঘরে এসে দেখেন শিশু মাহমুদা নেই। পাশে থাকা এসময় তানিয়াকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

তাৎক্ষণিকভাবে তারা শিশুর পরিবার পালং মডেল থানা পুলিশকে খবর দেয়। পরে সিসি টিভির ফুটেজ দেখে হিজলা তানিয়া শিশুটি নিয়ে গেছে। পুলিশ শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাত ১টায় নড়িয়া উপজেলার সিরঙ্গল এলাকা থেকে শিশুসহ অপহরণকারী তানিয়াকে গ্রেফতার করে।

ওই রাতেই নড়িয়া থানা পুলিশ পালং মডেল থানার পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করে। পালং মডেল থানার পুলিশ শনিবার সকালে শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়। পাশাপাশি তৃতীয় লিঙ্গের অপহরণকারী তানিয়া শিকদারকে জেলাহাজতে পাঠায়।

এ ঘটনায় ওই শিশুর বাবা বিল্লাল বেপারী বাদী হয়ে পালং মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

এ ব্যাপারে শিশুর বাবা বিল্লাল বেপারী বলেন, আমার ৬ মাসের শিশুটিকে তানিয়া অপহরণ করে নিয়ে যায়। ফুটেজ দেখে আমরা নিশ্চিত হয়। পরে পুলিশ নড়িয়া থানা এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করেছে। আমি মামলা করেছি। এ ঘটনার উপযুক্ত শাস্তি চাই।

পালং মডেল থানার ওসি মো. আক্তার হোসেন বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। শিশুটিকে পরিবারের হেফাজতে রাখা হয়েছে। আসামিকে অধিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবেদন জানিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হবে।