ঢাকা ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল

পালা, নইলে সবাইকে মারব

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

২৫ আগস্ট রাখাইন রাজ্যে কয়েকটি তল্লাশিচৌকিতে সন্ত্রাসী হামলার জের ধরে সেনাবাহিনী নতুন অভিযান শুরু করে। উত্তর–পশ্চিমাঞ্চলে প্রত্যন্ত দুটি গ্রামে রয়েছে হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা। প্রাণ বাঁচাতে পালানোর পথ খুঁজছে তারা। তারা খাবার পাচ্ছে না। তাদের ভাষ্য, প্রতিনিয়ত চলছে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার।

রয়টার্সের বিশেষ এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে আহ নাউক পিন নামের ওই গ্রামের রোহিঙ্গাদের কথা। গ্রামের বাসিন্দা মং মং রয়টার্সকে টেলিফোনে বলেন, ‘আমরা আতঙ্কিত। শিগগিরই আমরা খাদ্যাভাবে মারা যাব। তারা আমাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে।’

রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ-শিশুদের ওপর তারা নির্যাতন ও ধ্বংসযজ্ঞ চলতে থাকে। এরপর প্রয় ৪ লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে। ওই গ্রামের আরো এক রোহিঙ্গার সঙ্গে যোগাযোগ হয় রয়টার্সের। নাম প্রকাশে রাজি হননি তিনি। বলেন, ‘আমাদের গ্রামে স্থানীয় রোহিঙ্গা বিরোধীরা বারবার আসছে। চিৎকার করে বলছে, পালাও, না হলে তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলব।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন

পালা, নইলে সবাইকে মারব

আপডেট সময় ০২:৫৯:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

২৫ আগস্ট রাখাইন রাজ্যে কয়েকটি তল্লাশিচৌকিতে সন্ত্রাসী হামলার জের ধরে সেনাবাহিনী নতুন অভিযান শুরু করে। উত্তর–পশ্চিমাঞ্চলে প্রত্যন্ত দুটি গ্রামে রয়েছে হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা। প্রাণ বাঁচাতে পালানোর পথ খুঁজছে তারা। তারা খাবার পাচ্ছে না। তাদের ভাষ্য, প্রতিনিয়ত চলছে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার।

রয়টার্সের বিশেষ এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে আহ নাউক পিন নামের ওই গ্রামের রোহিঙ্গাদের কথা। গ্রামের বাসিন্দা মং মং রয়টার্সকে টেলিফোনে বলেন, ‘আমরা আতঙ্কিত। শিগগিরই আমরা খাদ্যাভাবে মারা যাব। তারা আমাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে।’

রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ-শিশুদের ওপর তারা নির্যাতন ও ধ্বংসযজ্ঞ চলতে থাকে। এরপর প্রয় ৪ লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে। ওই গ্রামের আরো এক রোহিঙ্গার সঙ্গে যোগাযোগ হয় রয়টার্সের। নাম প্রকাশে রাজি হননি তিনি। বলেন, ‘আমাদের গ্রামে স্থানীয় রোহিঙ্গা বিরোধীরা বারবার আসছে। চিৎকার করে বলছে, পালাও, না হলে তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলব।’