ঢাকা ০২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু মিরসরাই শিল্পাঞ্চলে ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্কের সানকো যশোরে জামায়াত এমপির বাড়ি ঘেরাও তুরস্ককে ‘এফ-৩৫’ দেওয়া নিয়ে নেতানিয়াহুর আপত্তি উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প ইমরান খানের কারাবাস নিয়ে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞের:অমানবিক আচরণ’ বন্ধের আহ্বান বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি দুদকের মামলায় সাবেক ডেপুটি গভর্নরের ৩ বছরের কারাদণ্ড রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে সিইসি হাসনাত-সারজিস গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে বেইমানি করার কারণে ছাত্র উপদেষ্টা হতে পারেনি: রাশেদ বাসার সামনে গল্প করছিল এইচএসসি পরীক্ষার্থী, হঠাৎ এলোপাতাড়ি গুলি

পালা, নইলে সবাইকে মারব

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

২৫ আগস্ট রাখাইন রাজ্যে কয়েকটি তল্লাশিচৌকিতে সন্ত্রাসী হামলার জের ধরে সেনাবাহিনী নতুন অভিযান শুরু করে। উত্তর–পশ্চিমাঞ্চলে প্রত্যন্ত দুটি গ্রামে রয়েছে হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা। প্রাণ বাঁচাতে পালানোর পথ খুঁজছে তারা। তারা খাবার পাচ্ছে না। তাদের ভাষ্য, প্রতিনিয়ত চলছে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার।

রয়টার্সের বিশেষ এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে আহ নাউক পিন নামের ওই গ্রামের রোহিঙ্গাদের কথা। গ্রামের বাসিন্দা মং মং রয়টার্সকে টেলিফোনে বলেন, ‘আমরা আতঙ্কিত। শিগগিরই আমরা খাদ্যাভাবে মারা যাব। তারা আমাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে।’

রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ-শিশুদের ওপর তারা নির্যাতন ও ধ্বংসযজ্ঞ চলতে থাকে। এরপর প্রয় ৪ লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে। ওই গ্রামের আরো এক রোহিঙ্গার সঙ্গে যোগাযোগ হয় রয়টার্সের। নাম প্রকাশে রাজি হননি তিনি। বলেন, ‘আমাদের গ্রামে স্থানীয় রোহিঙ্গা বিরোধীরা বারবার আসছে। চিৎকার করে বলছে, পালাও, না হলে তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলব।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু

পালা, নইলে সবাইকে মারব

আপডেট সময় ০২:৫৯:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

২৫ আগস্ট রাখাইন রাজ্যে কয়েকটি তল্লাশিচৌকিতে সন্ত্রাসী হামলার জের ধরে সেনাবাহিনী নতুন অভিযান শুরু করে। উত্তর–পশ্চিমাঞ্চলে প্রত্যন্ত দুটি গ্রামে রয়েছে হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা। প্রাণ বাঁচাতে পালানোর পথ খুঁজছে তারা। তারা খাবার পাচ্ছে না। তাদের ভাষ্য, প্রতিনিয়ত চলছে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার।

রয়টার্সের বিশেষ এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে আহ নাউক পিন নামের ওই গ্রামের রোহিঙ্গাদের কথা। গ্রামের বাসিন্দা মং মং রয়টার্সকে টেলিফোনে বলেন, ‘আমরা আতঙ্কিত। শিগগিরই আমরা খাদ্যাভাবে মারা যাব। তারা আমাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে।’

রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ-শিশুদের ওপর তারা নির্যাতন ও ধ্বংসযজ্ঞ চলতে থাকে। এরপর প্রয় ৪ লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে। ওই গ্রামের আরো এক রোহিঙ্গার সঙ্গে যোগাযোগ হয় রয়টার্সের। নাম প্রকাশে রাজি হননি তিনি। বলেন, ‘আমাদের গ্রামে স্থানীয় রোহিঙ্গা বিরোধীরা বারবার আসছে। চিৎকার করে বলছে, পালাও, না হলে তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলব।’