ঢাকা ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

রাজধানীতে তালাক দেওয়া স্ত্রীকে আটকে রেখে দিনের পর দিন ধর্ষণ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর ডেমরায় তালাক দেওয়ার পরও স্ত্রীকে বাড়িতে আটকে রেখে দিনের পর দিন ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে শাহ ইমরান জাহান রবিন (২৬) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে একটি মামলা করেছেন।

মামলায় রবিন ও তার মা মমতাজ বেগমসহ (৬৪) যাত্রাবাড়ী থানাধীন কোনাপাড়া দরবার শরিফ রোড এলাকার রাসেল বাবুকে আসামি করা হয়েছে।

আসামি রবিন ডেমরার কোনাপাড়া ইসলামিয়া রোড এলাকার মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে। তবে আসামিরা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

এদিকে মেয়েটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ওয়ানস্টপ ক্রাইসি (ওসিসি) সেন্টারে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ভুক্তভোগীর বরাত দিয়ে ডেমরা থানার ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিন বলেন, এমবিএ অধ্যয়নরত মেয়েটির সঙ্গে গত ১৭ জানুয়ারি বিয়ে হয় রবিনের। কিন্তু বিয়ের কিছুদিন পরেই তাদের মধ্যে সাংসারিক ঝামেলা শুরু হয়। গত ৮ মার্চ মেয়েটির কাছ থেকে জোর করে তালাকনামায় সাক্ষর রাখেন রবিন, তার মা ও রাসেল বাবু।

তিনি বলেন, তালাকের পর বাবার বাড়িতে যেতে না দিয়ে রবিন নিজের বাড়িতেই মেয়েটিকে আটকে রেখে প্রায়ই ধর্ষণ করতেন। গত ২২ এপ্রিল রাতেও মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন রবিন। পরবর্তীতে মেয়েটি গত ২৪ এপ্রিল তার বাবার বাড়িতে পালিয়ে চলে আসতে সক্ষম হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বৈরাচার কোনোভাবেই যেন ফিরে আসতে না পারে: ডা. জাহিদ

রাজধানীতে তালাক দেওয়া স্ত্রীকে আটকে রেখে দিনের পর দিন ধর্ষণ

আপডেট সময় ০৫:১২:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মে ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর ডেমরায় তালাক দেওয়ার পরও স্ত্রীকে বাড়িতে আটকে রেখে দিনের পর দিন ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে শাহ ইমরান জাহান রবিন (২৬) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে একটি মামলা করেছেন।

মামলায় রবিন ও তার মা মমতাজ বেগমসহ (৬৪) যাত্রাবাড়ী থানাধীন কোনাপাড়া দরবার শরিফ রোড এলাকার রাসেল বাবুকে আসামি করা হয়েছে।

আসামি রবিন ডেমরার কোনাপাড়া ইসলামিয়া রোড এলাকার মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে। তবে আসামিরা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

এদিকে মেয়েটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ওয়ানস্টপ ক্রাইসি (ওসিসি) সেন্টারে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ভুক্তভোগীর বরাত দিয়ে ডেমরা থানার ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিন বলেন, এমবিএ অধ্যয়নরত মেয়েটির সঙ্গে গত ১৭ জানুয়ারি বিয়ে হয় রবিনের। কিন্তু বিয়ের কিছুদিন পরেই তাদের মধ্যে সাংসারিক ঝামেলা শুরু হয়। গত ৮ মার্চ মেয়েটির কাছ থেকে জোর করে তালাকনামায় সাক্ষর রাখেন রবিন, তার মা ও রাসেল বাবু।

তিনি বলেন, তালাকের পর বাবার বাড়িতে যেতে না দিয়ে রবিন নিজের বাড়িতেই মেয়েটিকে আটকে রেখে প্রায়ই ধর্ষণ করতেন। গত ২২ এপ্রিল রাতেও মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন রবিন। পরবর্তীতে মেয়েটি গত ২৪ এপ্রিল তার বাবার বাড়িতে পালিয়ে চলে আসতে সক্ষম হয়।